বাংলাদেশসহ দেশে দেশে যেভাবে ভোটাধিকার পান নারী
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২০:২১ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রাচীন ও মধ্যযুগে রাজনীতি ও শাসন ব্যবস্থায় নারীর তেমন ভূমিকা ছিল না। সেসময় সমাজ ব্যবস্থা ছিল পুরুষতান্ত্রিক। সেখানে ভোট দেওয়া-নেওয়ার ক্ষমতা ছিল পুরুষের। নারীকে গৃহস্থালি কাজে বাধ্য করা হতো। দাবি করা হতো, রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী বিষয়ে হস্তক্ষেপের যোগ্যতা তাদের নেই। এই লিঙ্গবৈষম্যের ফলে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নারীকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়।
আঠারো ও উনিশ শতকে শিক্ষা ও শিল্পের প্রসারে নারীর চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আসে। তারা বুঝতে পারেন, শুধু গৃহিণী নন বরং রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য নাগরিক। কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়ায় অধিকার সম্পর্কে সচেতন হন নারীরা। এসময়েই ধারণা জন্মায় যে, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া সমাজ পূর্ণতা পেতে পারে না। গৃহকোণ ছেড়ে নাগরিক পরিচিতি পাওয়ার এই আকাঙ্ক্ষা নারীর ভোটাধিকার আন্দোলনের ভিত্তি গড়ে দেয়।
ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে ভোটাধিকার আদায়ে যে আন্দোলন শুরু হয়, তা ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়। নারীরা সভা, মিছিল, পিটিশন এবং এমনকি অনশনের মতো কঠোর পথ বেছে নেন। বহু জায়গায় এই আন্দোলন দমনের জন্য রাষ্ট্র ও সমাজ প্রচণ্ড নিপীড়ন চালায়। কিন্তু ‘একজন নাগরিক, এক ভোট’ এই জোরালো দাবির কাছে শেষ পর্যন্ত প্রাচীন প্রথা হার মানে। বিশেষ করে বিশ্বযুদ্ধগুলোর সময় নারীরা যখন কলকারখানা ও সেবার কাজে পুরুষের সমান ভূমিকা রাখলেন, তখন তাদের রাজনৈতিক অধিকারের দাবি আরও জোরালো হয়।
১৮৯৩ সালে নারীর ভোটাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড প্রথম পথপ্রদর্শক হিসেবে আবির্ভূত হয়। এরপর যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোতে ধাপে ধাপে নারীরা তাদের অধিকার ফিরে পান। বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতেও এই জোয়ার ছড়িয়ে পড়ে। ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো তাদের সংবিধানে নারী ও পুরুষের সমান ভোটাধিকারের স্বীকৃতি দেয়। এটি ছিল বিশ্বজুড়ে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠার পথে বিশাল মাইলফলক।
দক্ষিণ এশিয়ায় নারী ভোটাধিকারের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। ব্রিটিশ শাসনামলে সীমিত আকারে নারীদের ভোটের সুযোগ থাকলেও ১৯৪৭ পরবর্তী সময়ে এর পরিধি আরও বাড়ে। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় এই অধিকারকে পূর্ণতা দেয়। ১৯৭২ সালের সংবিধানে কোনো বৈষম্য ছাড়াই নারী ও পুরুষের সমান ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হয়। বাংলাদেশের নারীরা কেবল ভোটার নন, বরং তারা সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রাষ্ট্র পরিচালনার শীর্ষ পদেও আসীন হচ্ছেন।
আইনগতভাবে সমান অধিকার পেলেও সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বাধা আজও পুরোপুরি দূর হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে পরিবার বা সমাজের চাপে নারীরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। এছাড়া ধর্মীয় অপব্যাখ্যা, ভয়ভীতি এবং সহিংসতার ভয়ে অনেক নারী ভোটকেন্দ্রে যেতে দ্বিধাবোধ করেন। আধুনিক যুগে ডিজিটাল প্রচারণার মাধ্যমে নারী ভোটারদের প্রভাবিত করার নতুন কৌশলও দেখা যাচ্ছে। তবে আশার কথা হলো, নারী ভোটারদের উপস্থিতি ক্রমাগত বাড়ছে, যদিও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সরাসরি অংশগ্রহণ এখনও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।
নারীর ভোটাধিকার কোনো দয়াদাক্ষিণ্য নয়, বরং এটি শত বছরের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল। ভোট কেবল ব্যালট পেপারে একটি সিল দেওয়া নয়, বরং এটি নিজের মর্যাদা ও কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যম। ইতিহাস শিখিয়েছে যে, সমাজে নারীর রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী না হলে উন্নয়ন কখনও টেকসই হয় না।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য






