ওষুধের মূল্য নির্ধারণে লাগাম টানলো সরকার
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২১:৪৩ ৮ জানুয়ারি ২০২৬
অবশেষে ওষুধের মূল্য নির্ধারণে লাগাম টানলো অন্তর্বর্তী সরকার। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত গাইডলাইন উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুর রহমান এ তথ্য জানান।
অত্যাবশ্যকীয় তালিকায় ২৯৫টি ওষুধকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর বাইরে প্রায় ১ হাজার ১০০ ওষুধের ওপরও মূল্য নির্ধারণী সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ম মানার ক্ষেত্রে ৪ বছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছর ২৫ শতাংশ হারে এই মূল্য সমন্বয় করতে হবে।
এর আগে ওষুধ নীতি ও মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আলোচনা ও প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

ডা. সায়েদুর রহমান জানান, নির্ধারিত মূল্য মেনে চলতে না পারলে কোম্পানির নতুন কোনো ওষুধের আবেদন গ্রহণ করবে না কর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, “মূল্য সমন্বয় করতে তারা চার বছর সময় পাবেন। তালিকার বাইরে থাকা ১ হাজার ১০০ ওষুধের মূল্য ১৫ শতাংশের বেশি বাড়াতে পারবে না। আর যাদের মূল্য বেশি রয়েছে, তাদেরকে ধীরে ধীরে ১৫ শতাংশের মধ্যে নামতে হবে। তবে যাদের মূল্য নির্ধারিতের কম রয়েছে, তারা নির্ধারিত মূল্য পর্যন্ত বাড়াতে পারবে।”
ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, “দেশের মানুষের স্বাস্থ্য খাতের মোট ব্যয়ের দুই তৃতীয়াংশই খরচ হয় ওষুধে। গত ৩০ বছর ধরে কোম্পানি ভেদে একই ওষুধের দামের পার্থক্য বাড়ছিল। সেই পার্থক্য কমাতেই ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করল সরকার।”
তিনি বলেন, “১৯৯২ সালের আইনে অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করা হলো।”
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য




