করোনাকালে বেড়েছে শিশু ও মাতৃমৃত্যু!
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২১:০১ ১ সেপ্টেম্বর ২০২০
করোনা মহামারির বিরূপ প্রভাব পড়েছে মাতৃস্বাস্থ্যের ওপর। দেশে প্রসব পূর্ব-প্রসব পরবর্তী সেবা কমে গেছে। বাড়িতে প্রসব বেড়েছে ২৩ শতাংশ। এতে মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি বেড়েছে।
গবেষক ও জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ বেড়েছে। অনিরাপদ গর্ভধারণও বেড়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেন, যারা সেবা দেবেন এবং যারা সেবা নেবেন, উভয়েই করোনা সংক্রমণের আশংকায় আছেন। সেবা না পাওয়ার মানে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া, মৃত্যু বেড়ে যাওয়া।
গতমাসে যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানসেট বলেছে, করোনার কারণে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার বাড়তে পারে। এসব দেশে পরিবার পরিকল্পনা সেবা ৯.৮ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। ফলে জন্ম নিযন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমবে। বাড়বে অনিরাপদ গর্ভপাত। আর প্রসব পূর্ব ও প্রসব পরবর্তী সেবা কমে যেতে পারে ১৫ শতাংশ করে।
সরকার বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। পরিকল্পনা কমিশনে এ বিষয়ে সভা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মা, শিশু ও কৈশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর শাসুল হক জানান, করোনার কারণে সব সেবার মতো মাতৃস্বাস্থ্যসেবাও বিঘ্নিত হয়েছে। সেবা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি।
পরিকল্পনা কমিশনের সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক পাবলিক হেলথ এ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আবু জামিল ফয়সাল। তার উপস্থাপনায় দেখা যায়, গত বছর মার্চে একবার প্রসব পূর্ব সেবা পাওয়া গর্ভবতী নারী ছিলেন ৪২ হাজার ৫২৬ জন। আর এ বছর মার্চে সেবার সংখ্যা কমে হয়েছে ২৫ হাজার ৪১৫ জন। পরিস্থিতির আরো অবনতি হয় এপ্রিলে। গত বছর এপ্রিলে প্রসবপূর্ব সেবা পেয়েছিলেন ৪২ হাজার ৫৭১ জন গর্ভবতী নারী। এ বছর ১৮ হাজার ৬২ জন।
বাংলাদেশে ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর সংক্রমণ থেকে দূরে থাকার বিষয়টি সামনে চলে আসে। মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে সতর্ক হয়। এর প্রভাব পড়ে স্বাস্থ্যসেবার ওপর। অনেক স্বাস্থ্যকর্মী বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকেন। আবার অনেক সেবাগ্রহীতা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে যাওয়া বন্ধ করে দেন।
গবেষকদের মতে, সেবা কমার মূলত চারটি কারণ: মাতৃস্বাস্থ্যসেবায় জনবল কমেছে, সেবা সামগ্রী সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে এবং সেবা গ্রহণের সুযোগ কমেছে।
সরকারি তথ্য ব্যবহার করে জনস্বাস্থ্যবিদ জামিল ফয়সাল বলেন, গত বছর মার্চ-এপ্রিলে চারবার প্রসব পূর্ব সেবা নিয়েছিলেন ২০ হাজার ৩২৬ জন নারী। আর এ বছর একই সময়ে নিয়েছেন ১৫ হাজার ৬৩১ জন নারী। গত বছর এ দুই মাসে দেশের উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাভাবিক প্রসব হয়েছিল ২৫ হাজার ১৯২টি। একই পরিস্থিতি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং জেলা হাসপাতালে। একইভাবে কমেছে প্রসব পরবর্তী সেবা।
প্রভাব পড়েছে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহারের ওপরও। সরকার দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী পদ্ধতির ওপর বেশি জোর দিয়ে আসছে। কিন্তু দু’টো পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে। তবে বড়ি ও কনডম ব্যবহার প্রায় একই আছে।
‘তথ্যমতে প্রসূতিদের একলামশিয়া বা খিচুনি বেড়েছে। প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণও বেড়েছে। খিচুনি ও প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ দেশের মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারণ।’
করোনা মাতৃস্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মইনুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানে প্রসব কমে যাওয়ার অর্থ হলো প্রসব হচ্ছে বাড়িতে। বাড়িতে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী নেই। এতে মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে। বাড়িতে প্রসব হলে প্রসূতি প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর সেবা কম পান। দেশে মাতৃমৃত্যুও সিংহভাগ হয় বাড়িতে। মহামারি পরিস্থিতির আগে ৫০ শতাংশ প্রসব হতো বাড়িতে। এখন তা বেড়ে ৭৩ শতাংশ।
করোনা পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা কেউ বলতে পারে না। মাতৃস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা পরিস্থিতি আগে থকেই দুর্বল ছিল। করোনার কারণে তা আরো দুর্বল হয়ে পড়েছে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচি) মোহাম্মদ শরিফ বলেন, আমরা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেছি। সেবা চালু রাখার সব উদ্যেগ নেয়া হয়েছে।
মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যকে মহামারি মোকাবেলার প্রস্তুতি ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। তারা বলছেন, নতুন স্বাভাবিক জীবনে আগের সেবাদান কৌশল ও পদ্ধতি পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা দরকার। নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানানসই পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। আগের মতো করে চলা যাবে না।
- বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন ঝুঁকিগুলো
- মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, আহত ২
- ২০ অক্টোবর রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- কবি নজরুলের যে কবিতায় কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
- পিস্তলকাণ্ডে সমালোচনার মুখে ইশরাক, নাকচ করলেন পদত্যাগের খবর
- কম্বোডিয়ায় ‘আটকা’ ১৮০০ বাংলাদেশি
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া ও বিষণ্নতা দূর করার ১৭ উপায়
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ




