জেনে নিন জরুরি পরামর্শ
ডেঙ্গু ও চিকিৎসা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৪:২৬ ৩০ জুলাই ২০১৯
ছবি : সংগৃহীত
ডেঙ্গু ও তার চিকিৎসা নিয়ে কিছু ভুল বোঝাবুঝি আছে ডাক্তার - রোগী (কোনো কোনো ক্ষেত্রে) উভয়ের মধ্যেই। অধিকাংশ রোগীর ডেঙ্গু আতঙ্ক গিয়ে ঠেকছে মূলত প্লাটিলেট কাউন্টে গিয়ে। প্লাটিলেট একলাখের নিচে নামলেই আতঙ্কিত হয়ে ছুটছেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আশায়। কারণ সাধারণের ধারণা প্লাটিলেট কমে গেলে রক্তক্ষরণ হয়ে মারা যাবে রোগী।
মূলত প্লাটিলেট রক্ত জমাট বাঁধার কাজে নিয়োজিত অনেক উপাদানের একটি। যা কেটে গেলে বা আঘাত পেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। প্লাটিলেট কমে গেলে শুরুতে এক ধরনের মাইনর হিমোরেজ হয়। যেমন ত্বকের নিচে, চোখের সাদা অংশে, দাঁতের মাড়ি দিয়ে ইত্যাদি। এই জাতীয় ব্লিডিং জীবন সংশয় করে না। ওরকম পরিস্থিতিতে প্লাটিলেট দিলে রোগীর সমস্যা দূরও হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে বলা যায় প্লাটিলেট ৫০ হাজারের নিচে কমতে শুরু করলে শুধু ডোনার একজন প্রস্তুত রাখলেই চলবে।
ডেঙ্গু রোগীদের কখন প্লাটিলেট দেবেন তার একটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন আছে। রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা না গেলে এবং প্লাটিলেট কাউন্ট ১০ হাজারের নিচে না নামলে প্লাটিলেট দেয়ার প্রয়োজনও পড়ে না। ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে অনেকেই দিনে তিনবার করে প্লাটিলেট পরীক্ষা করতে থাকেন। এটা অহেতুক উদ্বেগ তৈরি করে। রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে যায়। প্লাটিলেট ৩০ হাজারের নিচে কমলেই অনেকে রোগীকে আইসিইউতে নিতে চান। ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম না থাকলে এবং রক্তচাপ ও অন্য প্যারামিটার স্বাভাবিক থাকলে রোগীকে আইসিইউতে না নেয়াই ভালো। আইসিইউ বরং বাড়তি চাপ। অহেতুক ইনফেকশনের উৎসও বটে।
একাধিক ল্যাবে প্লাটিলেট পরীক্ষা না করাই ভালো। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। প্লাটিলেট কাউন্ট প্যাথলজিস্ট ভেদে ও ল্যাবরেটরি ভেদে পাঁচ-দশ হাজার এদিক-সেদিক হতে পারে।
ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমে গিয়ে যখন বাড়তে শুরু করে তখন বাড়তেই থাকে। ডেঙ্গুতে খুব কম রোগীর ক্ষেত্রেই প্লাটিলেট দিতে হয়। সেক্ষেত্রে চিকিৎসককে প্রভাবমুক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। নিজেদের আতঙ্কের ভার চিকিৎসকদের ওপর চাপাবেন না।
ডেঙ্গুর মূল জটিল অবস্থাটির নাম ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম। এটা প্লাটিলেটজনিত কোনো সমস্যা নয়। ডেঙ্গু ভাইরাস ও শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মুখোমুখি যুদ্ধের কারণে রক্তনালির ছিদ্রগুলো বড় হয়ে যায়। তখন রক্ত থেকে রক্তের জলীয় উপাদান বাইরে বেরিয়ে আসে। এ অবস্থায় রক্তচাপ কমে জমায়, অরগান ফেইলিউর হয়, ফুসফুস ও পেটে পানি জমে। এটা খুবই খারাপ একটি পর্যায়। এই পরিস্থিতিতে কিছু কিছু রোগী মারাও যায়। ডেঙ্গুতে যে বড় ধরনের রক্তক্ষরণ হয়, তা শক সিন্ড্রোমের জটিলতায় ডিআইসি বলে একধরনের রক্তের অসুখে হয়। এখানেও প্লাটিলেট দিয়ে তেমন কাজ হয় না। রোগী শকে গেলে রক্তচাপ কমে যায়, অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে যায়, প্রস্রাব কমে যায়, হিমাটোক্রিট বেড়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়। তাই ঘন ঘন প্লাটিলেট দেখার চেয়ে এগুলো মনিটর করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্লাটিলেটের কম বা বৃদ্ধি দেখে রোগের তীব্রতা বোঝা যায় না।
প্লাটিলেট ভালো থাকার পরও রোগী শকে চলে গেছে এমন ঘটনা অনেক আছে। শকের মূল চিকিৎসা স্যালাইন। অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসাব করে মাত্রা বুঝে স্যালাইন দেবেন। পরিস্থিতি বুঝে লাল রক্তও দিতে পারেন। রোগী বাসায় থাকলে লক্ষ্য করবেন বমি, পাতলা পায়খানা করছে কিনা, আছে কিনা। এগুলো ডেঙ্গু রোগীকে দ্রুত শকের দিকে ঠেলে দিতে পারে। অচেতনভাব, শ্বাসকষ্ট, বুকেব্যথা থাকলে দ্রুত হাসপাতালে নেবেন। আতঙ্ক নয়, সতর্কতা জরুরি।
এছাড়া আমাদের মনে রাখতে হবে, আগাম প্লাটিলেট দিয়ে প্লাটিলেটের কাউন্ট বাড়িয়ে রাখার চিন্তাটি বিজ্ঞানসম্মত নয়। বরং এতে জটিলতা বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
# ডা. গুলজার হোসেন, রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ
- বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন ঝুঁকিগুলো
- মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, আহত ২
- ২০ অক্টোবর রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- কবি নজরুলের যে কবিতায় কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
- পিস্তলকাণ্ডে সমালোচনার মুখে ইশরাক, নাকচ করলেন পদত্যাগের খবর
- কম্বোডিয়ায় ‘আটকা’ ১৮০০ বাংলাদেশি
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া ও বিষণ্নতা দূর করার ১৭ উপায়
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ




