বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৫:২০ ২৪ জুলাই ২০২৬
জোরপূর্বক শ্রম (ফোর্সড লেবার) বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ, ভারত, কানাডা, জাপানসহ ৬০ বাণিজ্য অংশীদারের ওপর নতুন আমদানি শুল্ক কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশই এসব দেশের সাথে সম্পন্ন হয়। এসব দেশের ওপর অস্থায়ীভাবে আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এ পদক্ষেপ নিল ট্রাম্প প্রশাসন।
রয়টার্স ও বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্ত দেশগুলোর ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে এ শুল্ক কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাজ্য, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কানাডা, জাপান ও ভারতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বাণিজ্যিক অংশীদাররা এ শুল্কের আওতায় পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর জানায়, যে-সব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি বা কার্যকরভাবে তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধেই এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিলো জোরপূর্বক শ্রম আদায় বন্ধ করা।
এ পর্যন্ত ১০টি দেশ এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক মার্কিন তদন্তের পর আরও কয়েকটি দেশ নিজ উদ্যোগে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে।
যেসব দেশ এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাদের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। সে অনুযায়ি বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা, যুক্তরাজ্য, কম্বোডিয়া, কানাডা, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগো থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
আর যারা এখনো এমন প্রতিশ্রুতি দেয়নি, তাদের ক্ষেত্রে শুল্কহার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। এ তালিকায় রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ড। এসব দেশের ক্ষেত্রে আগে থেকেই কার্যকর 'মোস্ট-ফেভার্ড-নেশন (এমএফএন)' শুল্কের সঙ্গে নতুন শুল্ক যোগ করলে মোট শুল্কহার ১০ বা ১২.৫ শতাংশে পৌঁছাবে।
বাকি ৩৮টি দেশের জন্য ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চীনও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চীন শিনজিয়াং অঞ্চলের উইঘুর মুসলিম সংখ্যালঘুদের শ্রমশিবিরে আটক রেখে জোরপূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করছে। তবে বেইজিং এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।
এ সিদ্ধান্তকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে শুরু হওয়া নতুন বাণিজ্যযুদ্ধের আরেকটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা অনেক বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রশাসন শুল্ক আরোপের জন্য নতুন আইনি ভিত্তি খুঁজছে।
গত মাসে হোয়াইট হাউস জানায়, যে-সব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তাদের ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।
বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার শুক্রবার থেকে এই শুল্ক কার্যকর হচ্ছে বলে ঘোষণা দেন।
এক বিবৃতিতে গিয়ার বলেছেন, “এই পদক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অন্যায্য বাণিজ্যিক চর্চা মোকাবিলার সহায়ক হবে। পুরো বিশ্বের শ্রমিকদের কল্যাণে এটি সহায়ক হবে।”
১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এই আইনে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন বিদেশি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকার কথা বলা হয়েছে।
এর আগে, চলতি সপ্তাহেই ট্রাম্প প্রশাসন ১৯৩০ সালের ট্যারিফ অ্যাক্টের সেকশন ৩৩৮ ব্যবহার করে কানাডার কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ নতুন আরোপিত শুল্ক আন্তর্জাতিক ব্যাবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ওয়েন্ডি কাটলারের মতে, নতুন শুল্কের কারণে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের ব্যয় বাড়তে পারে। তবে কিছু পণ্যকে শুল্কমুক্ত রাখায় এর প্রভাব কিছুটা কমতে পারে।
তিনি মনে করেন, এতে অধিকাংশ দেশই এ সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হবে এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর চেষ্টা করবে।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য








