ট্রাম্পের রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কী
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ০২:১২ ৫ নভেম্বর ২০২৬
মার্কিন গণতন্ত্রের একটি পুরোনো দস্তুর এই যে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন চার বছরের জন্য, কিন্তু তার পরীক্ষা হয় দু'বছর অন্তর। ৩ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যবর্তী নির্বাচনে সেই পরীক্ষার খাতা খুলতেই দেখা গেল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি দুই কক্ষেই পিছিয়ে। ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট দুটিরই নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে; সিএনএন সিনেটে তাদের অন্তত ৫৪ আসনের প্রক্ষেপণ দিয়েছে।
এনবিসি নিউজের প্রাক্কলন, প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট আসন অন্তত ২৫৫ ছাড়াবে যা ৩৩ বছরে সবচেয়ে চওড়া ব্যবধান; সিনেটে তারা সাতটি আসন উল্টে দিয়েছে। টেক্সাস ও ক্যানসাস কয়েক দশক পর ডেমোক্র্যাট সিনেটর পেয়েছে, মেইনে সুজান কলিন্স পরাজয় মেনে নিয়েছেন; তবে বহু আসনের গণনা তখনো বাকি ছিল।
ওয়াশিংটন পোস্টের বিশ্লেষণে, চড়া দ্রব্যমূল্য আর ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভোটারের বিরক্তিই এই রায়ের জ্বালানি। ট্রাম্প বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন, তবে ফলকে নিজের নেতৃত্বের প্রত্যাখ্যান বলে মানতে নারাজ। তিনি মানুন বা না মানুন, পাটিগণিত বদলে গেছে; এখন প্রশ্ন বীজগণিতের। এই নতুন সমীকরণে মার্কিন রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতির মান কী দাঁড়াবে, সেটাই দেখার বিষয়।
ইতিহাস অবশ্য এ ফলে বিস্মিত নয়। ব্রুকিংসের বিশ্লেষক উইলিয়াম গ্যালস্টন দেখিয়েছেন, ১৯৩৮ থেকে ২২টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ২০টিতেই প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি পরিষদে জমি হারিয়েছে; ব্যতিক্রম কেবল ১৯৯৮ ও ২০০২, দুটিই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির ফসল।
১৯৩৮-এ রুজভেল্টের দল হারায় ৭২ আসন, ১৯৯৪-এ ক্লিনটনের ৫৪, ২০১০-এ ওবামার ৬৩, আর ২০১৮-এ প্রথম মেয়াদের ট্রাম্পের ৪১; ২০২২-এ বাইডেনের দল মাত্র নয়টি আসন হারিয়েও হাউস খুইয়েছিল। অর্থাৎ মার্কিন ভোটার প্রেসিডেন্টকে গদিতে বসিয়ে দু'বছর পরই তার পাশে একজন পাহারাদার বসিয়ে দেন। যুদ্ধ যখন ভোটের বিষয় হয়, পাহারা তখন আরও কড়া। ২০০৬ সালে ইরাক যুদ্ধে বিরক্ত ভোটার ডেমোক্র্যাটদের কংগ্রেসে ফেরানোর পরদিনই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ডের বিদায় ঘোষিত হয়। কুড়ি বছর পরের মিলটা চোখ এড়ানোর মতো নয়।
রায়টির ওজন বুঝতে মার্কিন শাসনযন্ত্রের কলকবজা চেনা দরকার। কংগ্রেস দুই কক্ষের। ৪৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদ প্রতি দু'বছরে পুরোটাই নতুন করে নির্বাচিত হয়; সংবিধান অনুযায়ী রাজস্ব-সংক্রান্ত সব বিল এখানেই জন্মায়, ফলে সরকারের থলির চাবি কার্যত এদের হাতে, আর অভিশংসনের একচ্ছত্র ক্ষমতাও এদেরই। ১০০ সদস্যের সিনেটে প্রতি রাজ্যের দু'জন সিনেটর ছয় বছরের মেয়াদে বসেন, প্রতি দু'বছরে এক-তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হয়।
আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনে সিনেটে উপস্থিত সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন লাগে, মন্ত্রী-রাষ্ট্রদূত-বিচারপতি নিয়োগে লাগে সিনেটের সম্মতি, অভিশংসনের বিচারও হয় সিনেটেই। অধিকাংশ বিলে বিতর্ক থামাতে ৬০ ভোটের 'ফিলিবাস্টার'-বাধা পেরোতে হয়। প্রেসিডেন্ট একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক; তিনি বিলে ভেটো দিতে পারেন, কিন্তু দুই কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সেই ভেটো উল্টে যায়। এই ত্রিভুজের বাইরে আরও দুটি শক্তিকেন্দ্র অবজ্ঞার নয়।
সুপ্রিম কোর্ট আইন ও নির্বাহী আদেশের সাংবিধানিকতা যাচাই করে; ফেব্রুয়ারিতে ৬-৩ রায়ে আদালত জানিয়েছে, জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) জোরে প্রেসিডেন্ট শুল্ক বসাতে পারেন না। ফেডারেল রিজার্ভ স্বাধীনভাবে মুদ্রানীতি চালায়, তবে তার গভর্নররা প্রেসিডেন্টের মনোনয়ন ও সিনেটের অনুমোদনেই নিযুক্ত হন। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধক্ষমতা আইনও এই ছকের অংশ; নিক্সনের ভেটো দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে উল্টে দিয়ে কংগ্রেস সেটি পাস করেছিল। নতুন কংগ্রেস বসবে ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি; ততদিন পুরোনো সংখ্যাগরিষ্ঠতাই 'লেম-ডাক' অধিবেশন চালাবে।
প্রথম অভিঘাত লাগবে ঘরোয়া রাজনীতিতে। হাকিম জেফ্রিস স্পিকারের আসনের পথে, আর তার দলের সম্ভাব্য কমিটি-প্রধানেরা শুনানি ও সমনের তালিকা আগেই সাজিয়ে রেখেছেন; ব্লুমবার্গ গভর্নমেন্টের খবর অনুযায়ী সেই তালিকার শীর্ষে হোয়াইট হাউস উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার ও সাবেক হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম।
রিপাবলিকানরা একে প্রতিহিংসার এজেন্ডা বলছে; অভিযোগটি নতুন নয়, পুরোনো বোতলে পুরোনো মদ। ২০১৮-এর নজির অবশ্য সতর্কবার্তা দেয়। সেবার ডেমোক্র্যাটরা হাউস জেতার পর সীমান্ত-প্রাচীরের অর্থ নিয়ে ৩৫ দিনের আংশিক শাটডাউন হয়, কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের হিসাবে যার ৩০০ কোটি ডলারের ক্ষতি আর কখনো পূরণ হবে না; বছর ঘুরতেই ট্রাম্প প্রথমবার অভিশংসিত হবার পথে ছিলেন। এবার পার্থক্য হলো, সিনেটও বিরোধীদের হাতে।

মঙ্গলবার কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেন মার্কিন নাগরিকরা। ছবি: সংগৃহীত
প্রেসিডেন্টের মনোনীত মন্ত্রী, বিচারক, রাষ্ট্রদূত সবাইকে এখন ডেমোক্র্যাট সিনেটের দরজায় কড়া নাড়তে হবে; মে মাসে কেভিন ওয়ার্শ যে প্রায় দলীয় বিভাজনের ৫৪-৪৫ ভোটে ফেড চেয়ারম্যান হয়েছিলেন, সেই অঙ্ক আর মিলবে না । আইনের রাস্তা সরু হলে প্রেসিডেন্ট স্বভাবতই নির্বাহী আদেশের দিকে ঝুঁকবেন, আর সেই আদেশ গিয়ে ঠেকবে আদালতে। সোজা কথায়, আগামী দু'বছর ওয়াশিংটনে আইন কম, মামলা বেশি; এই টানাপোড়েনের ভেতর দিয়েই ২০২৮-এর মঞ্চ তৈরি হবে।
পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিতে লড়াইয়ের কেন্দ্র আপাতত ইরান। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় শুরু হওয়া যুদ্ধ জুনের সমঝোতা স্মারকের পরও থামেনি; অক্টোবরে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা মার্চের পর সর্বোচ্চে পৌঁছায়, আর ভোটের আগের রাতেই কেশম দ্বীপে মার্কিন 'প্রতিরক্ষামূলক' হামলা হয়।
জুনে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসই যুদ্ধ থামানোর নির্দেশ দিয়ে একটি সমবর্তী প্রস্তাব (কনকারেন্ট রেজল্যুশন) পাস করেছিল, হাউসে ২১৫-২০৮ এবং সিনেটে ৫০-৪৮ ভোটে; ১৯৭৩-এর আইনের পর এমন ঘটনা এই প্রথম। কিন্তু এমন প্রস্তাবের বাধ্যবাধকতা নিয়েই আইনি বিতর্ক আছে, আর বাধ্যতামূলক আইন করতে গেলে ভেটোর দেয়াল ডিঙাতে দুই-তৃতীয়াংশ লাগে। ২০১৯ সালে ইয়েমেন যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসের প্রস্তাবে ট্রাম্প ভেটো দেন, সিনেট ৫৩-৪৫ ভোটে তা উল্টাতে ব্যর্থ হয়। কাজেই নতুন কংগ্রেসের আসল অস্ত্র ভেটো-প্রতিরোধ নয়, তহবিল।
পেন্টাগন জুনে প্রায় ৮ হাজার কোটি ডলারের বাড়তি অর্থ চেয়েছিল, যার বড় অংশ ইরান যুদ্ধের খরচ। ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রশাসন চেয়েছে রেকর্ড দেড় লাখ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট, যার ৩৫ হাজার কোটি ডলার আসার কথা 'রিকনসিলিয়েশন' পথে, যেখানে কেবল সরল সংখ্যাগরিষ্ঠতাই যথেষ্ট। সেই পথ এখন কার্যত বন্ধ; সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট প্যাটি মারে আগেই অঙ্কটিকে অগ্রহণযোগ্য বলেছেন।
চুক্তির প্রশ্নেও সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশের শর্ত বহু প্রেসিডেন্টের স্বপ্ন ভেঙেছে। ১৯১৮-র মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারানো উড্রো উইলসনের ভার্সাই চুক্তি ১৯১৯ সালে সিনেটে নাকচ হয়; সিনেটের ইতিহাসে সেটিই প্রথম প্রত্যাখ্যাত শান্তিচুক্তি। ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা হলেও তা সম্ভবত চুক্তি না হয়ে নির্বাহী সমঝোতার রূপ নেবে, এবং সে কারণেই ভঙ্গুর থাকবে। ইউক্রেন প্রশ্নে নভেম্বরে মার্কিন মধ্যস্থতায় কারিগরি আলোচনার কথা আছে; সেখানে কিয়েভকে সহায়তা ও মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কংগ্রেস এখন নিজের মত জোরেশোরে জানাতে পারবে।
অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন শুল্ক। আইইইপিএ-ভিত্তিক শুল্ক বাতিলের পর প্রেসিডেন্ট ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ১২২ ধারায় ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক বসান, যার আইনি আয়ু ছিল ১৫০ দিন; কংগ্রেস না বাড়ালে মেয়াদ ২৪ জুলাই শেষ। এরপর প্রশাসনের ভরসা ২৩২ ও ৩০১ ধারার খাত ও দেশভিত্তিক তদন্ত। ডেমোক্র্যাটরা শুল্ক তুলে দিয়ে বাণিজ্যনীতির রাশ কংগ্রেসের হাতে ফেরানোর কথা বলেছে।
মুশকিল হলো, এসব ক্ষমতা কংগ্রেসই বহু আগে আইন করে প্রেসিডেন্টকে দিয়েছে; ফেরত নিতে নতুন আইন লাগবে, আর সেখানেও ভেটোর দেয়াল। ফলে শুল্কনীতি রাতারাতি উল্টাবে না, তবে প্রতিটি নতুন শুল্কের পথে শুনানি, বাজেট-শর্ত আর মামলার কাঁটা বাড়বে। বাজেটেও সংঘাত অনিবার্য: প্রশাসনের প্রস্তাবে প্রতিরক্ষায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধির পাশে অ-প্রতিরক্ষা ব্যয়ে ১০ শতাংশ কাটছাঁট, যা ডেমোক্র্যাটদের অগ্রাধিকারের ঠিক উল্টো।
২০১০-এর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর বিভক্ত সরকারে ঋণসীমা নিয়ে দর-কষাকষি এতদূর গড়িয়েছিল যে ২০১১ সালের ৫ আগস্ট এসঅ্যান্ডপি প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রের ঋণমান 'এএএ' থেকে নামিয়ে দেয়। এবার মূল্যস্ফীতির পেছনে যুদ্ধজনিত জ্বালানির দাম; কাজেই ফেডের ওপর সুদ কমানোর রাজনৈতিক চাপ আর কংগ্রেসের তদারকি, দুটোই বাড়বে।
বাংলাদেশের জন্য এই হিসাব নিছক দূরের খবর নয়। ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া পাল্টা বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশি পণ্যে মার্কিন শুল্ক ২০ থেকে ১৯ শতাংশে নামে, আর মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম আঁশে তৈরি কিছু পোশাকে শূন্য শুল্কের ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি মেলে; বিনিময়ে ঢাকা ১,৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন জ্বালানি কেনার অঙ্গীকার করে।
২০২৬-এর গোড়ায় মার্কিন পোশাকবাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ১০.৫৩ শতাংশে উঠেছে। কিন্তু যে নির্বাহী ক্ষমতার ওপর পাল্টা শুল্কের ইমারত দাঁড়িয়েছিল, আদালত তার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে, এখন কংগ্রেসও প্রশ্ন তুলবে। হরমুজের অস্থিরতা আমদানি-নির্ভর জ্বালানি খাতের ওপরও ছায়া ফেলে। ঢাকার কূটনীতিকে তাই হোয়াইট হাউসের পাশাপাশি ক্যাপিটল হিলেও নিয়মিত যাতায়াত শিখতে হবে।
মার্কিন সংবিধানপ্রণেতারা দক্ষতার চেয়ে সংযমকে বেশি দাম দিয়েছিলেন; তাদের নকশায় ঘর্ষণ কোনো ত্রুটি নয়, বরং ব্রেক। ২০২৬-এর ভোটার সেই ব্রেকে পা রেখেছেন। তবে ব্রেক আর স্টিয়ারিং এক জিনিস নয়; গাড়ি কোন দিকে যাবে, তা যুদ্ধ ও কূটনীতির ময়দানে এখনো অনেকটাই হোয়াইট হাউসের হাতে। আগামী দু'বছর তাই আইন প্রণয়নের নয়, দর-কষাকষির; সংস্কারের নয়, সংঘাতের।
রাজনীতিতে জয় পাওয়া যত সহজ, জয়ের ভার বওয়া তত নয়; ডেমোক্র্যাটদের সামনে এখন সেই দ্বিতীয় পরীক্ষা। বিভক্ত সরকার কখনো অচলাবস্থা জন্ম দেয়, কখনো বাধ্যতামূলক আপস; কোন পথ খুলবে, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষে ক্ষমতার নেশা বেশি না দায়ের বোধ, তার ওপর। বাকি দুনিয়া, ঢাকাসহ, এখন থেকে ওয়াশিংটনের দুটি কণ্ঠস্বর শুনবে। কোনটি শেষ কথা, তা বুঝে নেওয়াই হবে আগামী দিনের কূটনৈতিক বিদ্যা।
- স্যরি বলতে নাকি শুনতে বেশি ভালো লাগে?
- স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের যে ৫ বিষয় অনুকরণ করেন
- ট্রাম্পের রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কী
- রঙিন আতশবাজির পেছনের বিজ্ঞান
- খেলাপি সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল
- হামের টিকা: অন্তর্বর্তী সরকারের অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন
- প্রেম-বিয়ে-মৃত্যু, সবকিছুতেই মানুষ ফুল দেয় কেন?
- ৪৮ বছর পানি পান করেননি বাফেট? নেপথ্যে কী
- এসআরবির নতুন মহাপরিচালক ফারুক আহমেদ
- দফাদার এখন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’, মহল্লাদার ‘গ্রাম পুলিশ’
- ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে কি বৈধ হয়?
- আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে দল পেলেন সাকিব, নাহিদ ও শামীম
- কেউ দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন, আবার কারও দেরি হয়: নেপথ্যে কী
- অনন্য রেকর্ডের সামনে মেসি
- ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি কতদিন, জানা গেল
- ঘরের ভেতর অলৌকিক ‘জোড়া কবর’
- অনিয়ম পেলে সারের ডিলারশিপ বাতিল: কৃষিমন্ত্রী
- মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলে ট্রাম্পের কী হবে?
- শীতের আগেই শুরু হোক প্রস্তুতি
- পিবিআইয়ের ধারণা, ‘পুলিশের ধাওয়ায় তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন’ তাহসিফ
- মাথায় আঘাত, দ্বিতীয় টেস্টে অনিশ্চিত মুমিনুল
- ভারতে চাকরির আশ্বাসে বিক্রি, পুনেতে ৬ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকের জন্মশতবর্ষ
- প্রধানমন্ত্রীকে ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি এনসিপির
- এক গ্লাস দুধে কি পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে?
- তাহসিফ সাউরি `আতঙ্কে` ভুগছিলেন, সাংবাদিকদের জানালেন বাবা
- সোনার ডিম পাড়া হাঁস যেন মেরে ফেলা না হয়
- ঢাকা শহরে চলতে পারবে না লাইসেন্সবিহীন রিকশা
- রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের অনুমোদন
- ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির মির্জা ফয়সল
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকের জন্মশতবর্ষ
- শীতের আগেই শুরু হোক প্রস্তুতি
- তাহসিফ সাউরি `আতঙ্কে` ভুগছিলেন, সাংবাদিকদের জানালেন বাবা
- এক গ্লাস দুধে কি পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে?
- ঢাকা শহরে চলতে পারবে না লাইসেন্সবিহীন রিকশা
- সোনার ডিম পাড়া হাঁস যেন মেরে ফেলা না হয়
- ভারতে চাকরির আশ্বাসে বিক্রি, পুনেতে ৬ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার
- ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির মির্জা ফয়সল
- প্রধানমন্ত্রীকে ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি এনসিপির
- কেউ দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন, আবার কারও দেরি হয়: নেপথ্যে কী
- মাথায় আঘাত, দ্বিতীয় টেস্টে অনিশ্চিত মুমিনুল
- পিবিআইয়ের ধারণা, ‘পুলিশের ধাওয়ায় তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন’ তাহসিফ
- রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের অনুমোদন
- অনিয়ম পেলে সারের ডিলারশিপ বাতিল: কৃষিমন্ত্রী
- ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে কি বৈধ হয়?
- মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলে ট্রাম্পের কী হবে?
- অনন্য রেকর্ডের সামনে মেসি
- ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি কতদিন, জানা গেল
- আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে দল পেলেন সাকিব, নাহিদ ও শামীম
- প্রেম-বিয়ে-মৃত্যু, সবকিছুতেই মানুষ ফুল দেয় কেন?










