ঢাকা, ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার, ২০২৬ || ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
good-food

শিক্ষার্থী তুলনায় ৭৫ লাখ অতিরিক্ত বই বিতরণ

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৬:৩৫ ১২ মার্চ ২০২৬  

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রকৃত শিক্ষার্থীর তুলনায় প্রায় ৭৫ লাখ অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তক বিতরণের প্রাথমিক তথ্য পেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এ পরিস্থিতিতে বইয়ের চাহিদা নির্ধারণে ভুল তথ্য দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে অধিদপ্তর।

বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. মাসুদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে আইপিইএমআইএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে বই বিতরণের তথ্য সংশোধন ও আপলোড নিশ্চিত করতে হবে।

এতে বলা হয়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বিতরণ করা বইয়ের তুলনায় ২০২৭ সালের জন্য অনলাইনে প্রাপ্ত সম্ভাব্য চাহিদায় বড় ধরনের গরমিল দেখা গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ৮ কোটি ১০ লাখের বেশি বই বিতরণ করা হলেও বর্তমানে সফটওয়্যারে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য চাহিদা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৩৫ লাখের কিছু বেশি। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ৭৪ লাখ ৭৬ হাজার বইয়ের চাহিদা কম দেখা যাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, এই বিশাল পার্থক্যের অর্থ হলো- হয় গত বছর প্রকৃত শিক্ষার্থীর তুলনায় বেশি বই বিতরণ করা হয়েছে, অথবা অনেক বিদ্যালয় এখনো তাদের সঠিক তথ্য সফটওয়্যারে হালনাগাদ করেনি। এই বিশৃঙ্খলা দূর করতেই প্রশাসন কঠোর অবস্থানে গেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই প্রকৃত শিক্ষার্থীর তুলনায় কম বা বেশি তথ্য আপলোড করা যাবে না। উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকার তথ্য হালনাগাদের বিষয়টি প্রত্যয়ন করতে হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রতিস্বাক্ষরিত এই প্রত্যয়নপত্র আগামী ২৫ মার্চ বিকেল ৪টার মধ্যে ই-মেইল ও ডাকযোগে অধিদপ্তরে পৌঁছাতে হবে।

এছাড়া ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য আপলোড না করার কারণে বইয়ের চাহিদায় কোনো সংকট বা আধিক্য তৈরি হলে তার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্টরা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন। এ ছাড়া এবার তথ্য হালনাগাদের সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর