ঢাকা, ১০ জুলাই শুক্রবার, ২০২৬ || ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
good-food
১১

ওষুধ না খেয়ে জ্বর-সর্দি থেকে সুস্থ হবেন যেভাবে

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৯:৪৯ ১০ জুলাই ২০২৬  

মৌসুম বদলের সময়ে সর্দি-কাশি নতুন ঘটনা নয়। বর্ষা আসতেই জ্বরে কাহিল হয়ে পড়েছে ছোট থেকে বড়, প্রায় প্রত্যেকে। প্রায় সব পরিবারেরই কেউ না কেউ হাঁচি-কাশিতে ভুগছে। জেনারেল ফিজিশিয়ান রুদ্রজিৎ পালের মতে, এই মৌসুমের জ্বর, সর্দি-কাশি মূলত ভাইরাস গঠিত সংক্রমণের জেরেই ঘটে। এসময়ে কিছু ভাইরাস সক্রিয় হয়ে যায়। তার ওপর তীব্র গরম থেকে হালকা স্বস্তি মেলে। যাদের ঠান্ডা লাগার ধাত কিংবা ইমিউনিটি দুর্বল তারাই এই সময়ে জ্বর-সর্দিতে ভোগেন। 

বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় জ্বর, সর্দি-কাশি অত্যন্ত বিরক্তকর। সাধারণত ৭-১০ দিনের মধ্যে এই উপসর্গগুলো কমে যায়। এই কয়েক দিনই শরীরে যে কষ্ট হয়, তা বোঝানো দুষ্কর। কিন্তু সমস্যা এখন অন্য জায়গায়। কাশি হলেই আপনি দোকান থেকে কফ সিরাপ কিনে আর খেতে পারবেন না। পাশাপাশি অ্যান্টিবায়োটিকও চিকিৎসকের পরামর্শ খাওয়া চলবে না।

সাধারণ সর্দি-কাশি যেহেতু নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়, তাই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না অনেকেই। আবার ডাক্তারের প্রেস্ক্রাইব করা ওষুধ বা অ্যান্টি-বায়োটিকের কোর্স শেষ করেন না কেউ কেউ। তাই সংক্রমণ বার বার ফিরে আসে। তবে এই সব ঝামেলায় আর পড়ার দরকার নেই। কফ সিরাপ ও অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়েই সেরে যেতে পারে সর্দি-কাশি। সেই টিপস শেয়ার করলেন চিকিৎসক।

ডা. রুদ্রজিৎ পাল বলেন, “জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যায়। এতে মাথাব্যথা, গা-হাত-পায়ের ব্যথা থেকেও কিছুটা আরাম মিলবে। আর সর্দির জন্য ইনহেলের কিছু ওষুধ রয়েছে, সেগুলো গরম পানিতে মিশিয়ে ভেপার নিলে উপকার পাবেন। গরম পানিতে ভেপার নিলে নাক বন্ধ, মাথাব্যথা ইত্যাদি কমে যাবে। পাশাপাশি বুকে জমে থাকা কফও উঠে আসবে।”

কাশির সমাধান হিসেবে ডাক্তার গার্গেল করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “গরম পানি বা নুন-পানিতে গার্গেল করলে আরাম পাবেন। এছাড়া কিছু লজেন্স পাওয়া যায়, যেগুলো গলা খুশখুশ, কাশি থেকে মুক্তি দেয়। সেগুলোও ব্যবহার করা যেতে পারে।”

এ বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, “এছাড়া সর্দি-কাশির সমস্যায় উপযোগী হতে পারে আদা চা বা গোলমরিচের চা। এই সব ভেষজ উপাদানের মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণে বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। তাই মৌসুমে হাঁচি-কাশি হলে হয় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খান অথবা এসব ঘরোয়া উপায়ে সুস্থ থাকুন।”