ঢাকা, ০৮ জুলাই বুধবার, ২০২৬ || ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
good-food
৪৫

৬ বিশ্বকাপ খেলেও ট্রফি ছোঁয়া হলো না রোনালদোর

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২০:৫৯ ৭ জুলাই ২০২৬  

ছয়টি বিশ্বকাপ খেলেও সোনালি ট্রফি আর ছোঁয়া হলো না। শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নেমেও স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়েই বিদায় নিতে হয়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।

তবে বিদায়ের মুহূর্তে আক্ষেপের চেয়ে জাতীয় দলের হয়ে নিজের অবদানকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন পর্তুগালের কিংবদন্তি অধিনায়ক।

তার বিশ্বাস, দেশের জার্সিতে নিজের সামর্থ্যের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন বলেই বিবেকের কাছে তিনি নির্ভার।

স্পেনের কাছে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর রোনালদো নিশ্চিত করেছেন, এটিই ছিল তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। 

তবে বিশ্বকাপ জয়ের অপূর্ণতা অনেকটাই পূরণ করেছে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা।

রোনালদো বলেন, ‘‘আমি ২০১৬ সালের ইউরো জিতেছি। আমার কাছে সেই শিরোপার মর্যাদা বিশ্বকাপ জয়ের সমান। সেই অর্জন চিরকাল আমার সঙ্গে থাকবে। আগামীকাল নতুন একটি দিন, আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’’

বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও জাতীয় দলের হয়ে রোনালদোর অর্জনের তালিকা সমৃদ্ধ। ২০১৬ সালের ইউরোর পাশাপাশি ২০১৯ ও ২০২৫ সালে উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপাও জিতেছে পর্তুগাল, যার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। 

জাতীয় দলের হয়ে ২৩ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের প্রসঙ্গ টেনে রোনালদো স্মরণ করিয়ে দেন, তার আগে পর্তুগালের কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা ছিল না।

পর্তুগিজ অধিনায়ক বলেন, ‘‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। পর্তুগালের হয়ে তিনটি শিরোপা জিতেছি। আমার আগে এই দলের কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা ছিল না। তাই আমার খুশি হওয়ারই কথা।’’

তবে অর্জনের কথা বললেও বিদায়ের বেদনা লুকাননি তিনি। তার মতে, পর্তুগাল আরও ভালো খেলতে পারত, যদিও প্রতিপক্ষ ছিল বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল।

রোনালদো বলেন, ‘‘এভাবে বিদায় নিতে হওয়ায় অবশ্যই খারাপ লাগছে। কিন্তু আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, মাঠে সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। আমরা ভালোই খেলেছি, দলের পারফরম্যান্সও খারাপ ছিল না। অবশ্য আরও ভালো করা যেত। তবে স্পেন বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। আমার বিশ্বাস, তারা ফাইনালে উঠবে, অথবা অন্তত তার খুব কাছাকাছি যাবে।’’

বিশ্বকাপের ট্রফি অধরাই থেকে গেল। তবে রোনালদোর কাছে জাতীয় দলের হয়ে জেতা তিনটি আন্তর্জাতিক শিরোপা, বিশেষ করে ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতি, তার ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গর্বের অর্জন হিসেবেই থেকে যাবে।