ঢাকা, ১৮ জুলাই শনিবার, ২০২৬ || ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
good-food
১৫৮

থালাপতি বিজয়ের মন্ত্রী হলেন যারা

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২০:০৫ ১০ মে ২০২৬  

“আমি শ্রী জোসেফ বিজয়”- তামিল ভাষায় উচ্চারিত এই একটি বাক্যেই রবিবার উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়াম। অভিনেতা থেকে জননেতা হয়ে ওঠার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়। তার হাত ধরে রাজ্যটিতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকে-র দীর্ঘ ছয় দশকের দ্বিমেরু রাজনীতির অবসান ঘটল। এদিন বিজয়ের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন ৯ জন মন্ত্রী, যাদের নির্বাচন এবং পরিচয় রীতিমতো চমকপ্রদ।

মন্ত্রিসভার ৯ সদস্য: কে কোন দায়িত্বে? 

বিজয়ের নতুন মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে আমলা, চিকিৎসক এবং তরুণ প্রজন্মের মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে।

কেএ সেনগোত্তাইয়ান: দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই নেতা এমজিআর এবং জয়ললিতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এআইএডিএমকে-র সাবেক এই হেভিওয়েট নেতা এখন বিজয় সরকারের অন্যতম প্রধান শক্তি।

কেজি অর্জুন রাজ: সাবেক আইআরএস (ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিস) অফিসার। প্রশাসনিক ক্যারিয়ার ছেড়ে রাজনীতিতে আসা এই ব্যক্তি একজন পেশাদার চিকিৎসকও বটে।

আধব অর্জুন: বিজয়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং রাজনৈতিক উপদেষ্টা। তিনি ভারতের বাস্কেটবল ফেডারেশনের সভাপতি। দলের কৌশল নির্ধারণে তার ভূমিকা অপরিসীম।

টিকে প্রভু: পেশায় দন্ত চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি দন্তচিকিৎসা ছেড়ে পুরোপুরি রাজনীতির আঙিনায় নিজেকে সঁপে দিয়েছেন।

রাজ মোহন: সুপরিচিত টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব। তার অসামান্য বাগ্মিতা দলের প্রচারে বড় অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।

সেলভি এস কীর্তনা: মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য (বয়স ২৯)। সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

আর নির্মলকুমার: বিজেপি ছেড়ে বিজয়ের দলে যোগ দেওয়া এই নেতা বর্তমানে ‘টিভিকে’-র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

এন আনন্দ: দলের সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূল স্তরে প্রভাব বিস্তারের অসামান্য দক্ষতার কারণে তাঁকে দলের ‘মুকুল রায়’ হিসেবে অভিহিত করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

পি ভেঙ্কটরামনন: দলের কোষাধ্যক্ষ। মন্ত্রিসভায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্রাহ্মণ প্রতিনিধি হিসেবে স্থান পেয়েছেন।

প্রথম ভাষণে বড় ঘোষণা 

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম ভাষণেই থালাপতি বিজয় সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি কোনো দেবদূত নই, আমি একজন সাধারণ মানুষ। আপনাদের দেখভাল করাই আমার কাজ।”

শপথের ভাষণে তিনি জানান, রাজ্যে বিনামূল্যে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। নারীদের নিরাপত্তার জন্য গঠন করা হবে বিশেষ প্রতিরক্ষা ফোর্স।

বিনোদন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর