ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধ: ট্রাম্প
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৫:৫৩ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার তিনি এ কথা বলেন।
তবে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতি ‘বুঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে’। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প বারবার ইরানি জনগণের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছেন, এ সব দমন অভিযানে এখন পর্যন্ত ইরানে অন্তত ৩ হাজার ৪২৮ জন নিহত হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, ‘অন্য পক্ষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র’ থেকে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন যে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে এবং কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা বলেছে, হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হবে না। আজ অনেক ফাঁসির কথা ছিল, কিন্তু তা হবে না। আমরা বিষয়টি যাচাই করে দেখব।’
তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো এ সব দাবি যাচাই করেনি।
ওভাল অফিসে এএফপি সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইরানে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা এখনো বাতিল হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখব এবং পর্যবেক্ষণ করব।’
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আজ বা আগামীকাল কোনো ফাঁসি নেই।’
একই সঙ্গে তিনি সহিংসতাকে উসকে দেওয়ার জন্য ইসরাইলকে কোন প্রমাণ ছাড়াই দায়ী করেন।
আরাঘচির দাবি, গত ২৮ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক দুরবস্থার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরু হলেও ৭ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। কারণ, বাইরের কিছু ‘উপাদান’ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে জড়াতে চেয়েছিল।
ইরানের বিচারমন্ত্রী আমিন হোসেইন রহিমিও একই বক্তব্য দিয়ে বলেন, ৭ জানুয়ারির পর যা হয়েছে, তা আর বিক্ষোভ ছিল না এবং সে সময় রাস্তায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা ‘নিশ্চিতভাবেই অপরাধী’।
এদিকে এক মানবাধিকার সংগঠন জানিয়েছে, বিক্ষোভের সময় গ্রেফতার হওয়া ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড বুধবার কার্যকর করা হবে না।
বুধবার গভীর রাতে জাতিসংঘ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডাকা হয়েছে, যেখানে ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিং দেওয়া হবে।
আরাঘচি দাবি করেন, পরিস্থিতি ইরান সরকারের ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে এবং তিন দিনের ‘সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের’ পর পরিস্থিতি এখন শান্ত।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে ইরান কঠোর অবস্থান জানিয়ে বলেছে, যে কোনো আক্রমণের জবাব দেওয়ার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি শামখানি বলেন, গত বছর কাতারে অবস্থিত আল উদেইদ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা ছিল “ইরানের ইচ্ছা ও সক্ষমতার প্রমাণ”।
এই উত্তেজনার মধ্যে ব্রিটেন জানিয়েছে, তেহরানে তাদের দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেছে।
এদিকে জার্মানির শীর্ষ বিমান সংস্থা লুফথানসা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির প্রেক্ষাপটে তারা ইরান ও ইরাকের আকাশসীমা ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ এড়িয়ে চলবে।
ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালে ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে।
মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, পাঁচ দিনের ইন্টারনেট বন্ধের আড়ালে কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে কঠোর দমন অভিযান চালাচ্ছে।
জি-৭ দেশগুলো বুধবার বিক্ষোভে হতাহতের অধিক সংখ্যায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে এবং দমন অভিযান অব্যহত থাকলে ইরানের বিরুদ্ধে আরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৩ হাজার ৪২৮ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ গ্রেফতার হয়েছে।
- প্রাকৃতিকভাবে লিভার সতেজ রাখার যত উপায়
- শাহরুখের ১৮ কোটির মান্নাতের দাম এখন কত? শুনলে অবাক হবেন
- বাবর-শাদাবকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ আসছে পাকিস্তান
- ২৯৭ আসনের বিস্তারিত ফলাফল প্রকাশ করল ইসি
- হাসপাতালে দালালদের কঠোর হস্তে দমন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- অবকাঠামো নয়, মানসম্মত শিক্ষায় বিশেষ জোর: শিক্ষামন্ত্রী
- খামেনির রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধানুষ্ঠান স্থগিত
- শিগগিরই তেলের দাম ছাড়াবে ১০০ ডলার!
- ইফতার করার আগে যে কাজগুলো করবেন না
- সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ নির্ধারণ
- ঈদ ইত্যাদিতে রাজ-সাবলিার অনবদ্য নৃত্য
- ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণে যানবাহনের গতি বেড়েছে
- ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই: সড়কমন্ত্রী
- এসএসসি পরীক্ষা স্বচ্ছ করতে কঠোর নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
- ওয়ান ওয়ান ফাউন্ডেশন ও মেডিসিস সফট`র কার্যক্রম শুরু
- যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন: ফখরুল
- বুমরাহ-আর্শদীপের ‘ইঁদুর-বিড়াল’ দৌড়, শীর্ষে সাকিব
- সালমান-শাবনুরের অসমাপ্ত সিনেমাগুলো যেভাবে ‘সমাপ্ত’ হয়
- ভূমিকম্প কেন হয়, জেনে নিন ৩ কারণ
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
- মন্ত্রীদের কাঁচা কথাবার্তা অপরাধ উস্কে দিচ্ছে: বিরোধী দলীয় নেতা
- হবিগঞ্জে হাসিনা-কামালসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- Medsys Soft and 1 One Foundation Launch Operations
- কেন একদিনে দুইবার বিয়ে করলেন বিজয়-রাশমিকা?
- ক্লাব কিনলেন রোনালদো
- সুপারফুড আসলেই কি এত শক্তিশালী?
- ফ্যাসিস্ট শক্তি পুনর্বাসিত হলে কেউ রেহাই পাবে না: সাদিক কায়েম
- সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে সংসদের ‘এক আনাও মূল্য নেই’: নাহিদ
- গণভোটের ফল সংশোধন করল ইসি
- ইফতার সামনে নিয়ে যেসব দোয়া পড়ার তাগিদ রয়েছে
- Medsys Soft and 1 One Foundation Launch Operations
- ভূমিকম্প কেন হয়, জেনে নিন ৩ কারণ
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান
- ঈদ যাত্রায় ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন, চলবে যেসব রুটে
- সুপারফুড আসলেই কি এত শক্তিশালী?
- ওয়ান ওয়ান ফাউন্ডেশন ও মেডিসিস সফট`র কার্যক্রম শুরু
- ইফতার সামনে নিয়ে যেসব দোয়া পড়ার তাগিদ রয়েছে
- ক্লাব কিনলেন রোনালদো
- কেন একদিনে দুইবার বিয়ে করলেন বিজয়-রাশমিকা?
- যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন: ফখরুল
- বুমরাহ-আর্শদীপের ‘ইঁদুর-বিড়াল’ দৌড়, শীর্ষে সাকিব
- সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে সংসদের ‘এক আনাও মূল্য নেই’: নাহিদ
- এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫
- ফ্যাসিস্ট শক্তি পুনর্বাসিত হলে কেউ রেহাই পাবে না: সাদিক কায়েম
- মন্ত্রীদের কাঁচা কথাবার্তা অপরাধ উস্কে দিচ্ছে: বিরোধী দলীয় নেতা
- এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলা, আহত ১০
- এখন সব বিপ্লব সোশ্যাল মিডিয়ায়: স্বস্তিকা
- যেভাবে এড়াবেন গ্যাস সিলিন্ডার দুর্ঘটনা
- হবিগঞ্জে হাসিনা-কামালসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- দলে ফিরতে সাকিবকে কঠিন শর্ত নির্বাচকদের






