কাশিয়ায় চরাঞ্চলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১১:২৬ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ধরলা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলে জেগে উঠেছে কাশিয়ার (কাশফুল) গাছ। একসময় ঘরের ছাউনি, টাটি ও বাড়ির বেড়া তৈরিতে ব্যবহƒত হতো এ কাশিয়া। সময়ের বিবর্তনে ইট, বালি, সিমেন্ট ও টিনের ব্যবহারে হারিয়ে যায় কাশিয়ার ব্যবহার। ফলে চরাঞ্চলের অনেক মানুষ কাশিয়া বিক্রি করে যা উপার্জন করত, তা থেকে বঞ্চিত হয়। তবে কয়েক বছর ধরে এতেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছেÑসেই কাশিয়া বিক্রি করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছে চরাঞ্চলের অনেকে। বর্তমানে পানের বরজের উপকরণ হিসেবে এর বহুল ব্যবহার চোখে পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ধরলা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলের প্রায় ৪০০ একর জমিতে প্রকৃতির আপন ইচ্ছায় জেগে উঠেছে কাশিয়া। গাছগুলো চাষ বা পরিচর্যা করতে কোনো খরচ হয়নি চরাঞ্চলের মানুষের। কোনো ব্যয় না করেই তারা এখন কাশিয়া বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ঘটছে ভাগ্যের পরিবর্তন। ফলে লালমনিরহাটের বোয়ালমারীর চর, কুলাঘাট ২নং সিট, কুলাঘাট, গোরক, ফলি মারির চর, বনগ্রাম, কুড়িগ্রামের চতিন্দ্র নারায়ণ, সোনাই গাজী, ধনিরাম, বড়াইবাড়ীর চর, মাস্টারহাট চর, কাঁঠালবাড়ী চরসহ ধরলা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল থেকে লাখো টাকার কাশিয়া আসছে লালমনিরহাট সদর উপজেলার চর শিরের কুটি, মোগলহাট ও আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় গড়ে ওঠা কাশিয়ার বাজারে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বসে এ বাজার। রাজশাহী, বরিশাল, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অর্ধশতাধিক পানচাষি ও পাইকাররা এখান থেকে কাশিয়া কিনে তা ট্রাকে করে নিয়ে যায় বিভিন্ন স্থানে।
প্রতি বছর আমন ধান কাটা শুরুর প্রায় মাস দুয়েক আগে রংপুর অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। ফলে কাজের সন্ধানে পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা পাড়ি দেয় দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। তবে এবার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের অধিকাংশ মানুষকে পাড়ি দিতে হয়নি দক্ষিণাঞ্চলে। কাশিয়ার বাজারকে কেন্দ্র করে অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে কর্মসংস্থান। প্রতিদিন গাছ কাটা থেকে শুরু করে চরাঞ্চল থেকে নদীর ঘাটে আনা, ট্রাকে বোঝাই করা পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে। দিনপ্রতি একেকজন মানুষ মজুরি পাচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। এতে চরাঞ্চলের কর্মহীন পরিবারগুলোর সংসারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা।
ফলি মারির চরের রহিম শেখ বলেন, এবার আমার প্রায় ১০ বিঘা জমিতে কাশিয়া হয়েছে। পাইকাররা চরে এসে ৮৫ হাজার টাকার কাশিয়া কিনেছেন। এতে আমার কোনো খরচ হয়নি। চার বছর ধরে এভাবে কাশিয়া বিক্রি করে তিনি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে তিনি এখন সুখে আছেন।
ধনিরাম চরের গোপাল রায় বলেন, এ বছর কাশিয়ার চাহিদা বেশি থাকায় দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত তিনি কাশিয়া বিক্রি করে তিন লাখ ৪০ হাজার টাকা আয় করেছেন। আর কাশিয়া গাছ কেটে মুঠা তৈরি করতে শ্রমিকদের দিতে হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
ট্রাক লোডের দায়িত্বে থাকা শ্রমিক রফিকুল, চান মিয়া, ফরিদসহ কয়েকজন বলেন, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১২ ট্রাকে কাশিয়া লোড করতে হয় আমাদের। চার বছর ধরে কাশিয়ার বাজার ঘিরে কাজ করেন তারা। এ কারণে কাজের সন্ধানে আর দক্ষিণাঞ্চলে যান না। গত বছরের নভেম্বরে কাজ শুরু করেছেন তারা, জানুয়ারি পর্যন্ত চলেছে তাদের কর্মযজ্ঞ। তারা এখানে কাজ পেয়ে অনেক খুশি।
বাজারের স্থানীয় পাইকার আসাদ হোসেন, সাইদুল, জোবেদসহ কয়েকজন জানান, বিগত বছরের চেয়ে এবার চাহিদা বেশি থাকায় কাশিয়ার দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। কৃষকদের কাছ থেকে এক মুঠা কাশিয়া কিনতে হচ্ছে ছয় টাকা দরে। অথচ গত বছর এক মুঠা চার টাকায় কিনেছিলেন তারা। এ বছর ফলন ভালো হওয়ায় প্রতিদিন এ বাজার থেকে কমপক্ষে ১২ ট্রাক কাশিয়া দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।
রাজশাহী থেকে কাশিয়া কিনতে আসা মাসুদ, রেজাউল ও নিজাম বলেন, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের ধরলা নদী তীরবর্তী চরগুলোয় সবচেয়ে বেশি কাশিয়ার আবাদ হয়। আর এসব কাশিয়া বিক্রি করতে গড়ে উঠেছে কাশিয়ার বাজার। তাই প্রতি বছর এ সময় এ বাজারে এসে পানের বরজ তৈরির জন্য কাশিয়া কিনি।
লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহাদত হোসেন বলেন, বছরের একটি সময় এ অঞ্চলের মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েন। তাই কাজের সন্ধানে পরিবার-পরিজন নিয়ে পাড়ি দেন দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। সেইসব দিন কিছুটা হলেও পাল্টে গেছে।
লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, চরাঞ্চলের জমিতে আপনাতেই জন্মে কাশিয়া। এ গাছগুলোর চাষ বা পরিচর্যায় কোনো খরচ নেই, এ কারণে কাশিয়া বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন তারা।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য


