পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ কেন জরুরি ?
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২৩:১৯ ১২ জানুয়ারি ২০১৯
পরিবার পরিকল্পনা মানেই পুরো পরিবার নিয়ে একটি সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ। যার উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ হলো জন্মনিয়ন্ত্রণ।
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বাস্তবতাকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো বা উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই হলো পরিকল্পনা। আর একটি পরিবারের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নতির লক্ষ্যে একটি দম্পতি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সচেতনভাবে চিন্তা-ভাবনা করে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তাকেই বলা যায় ‘পরিবার পরিকল্পনা’।
যে-কোন পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠন করা। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিবারের সার্বিক মঙ্গল ও উন্নতিসাধন করাই পরিবার পরিকল্পনার লক্ষ্য । স্বামী-স্ত্রী মিলে আলোচনা করে পরিকল্পিতভাবে পরিবার গঠনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই পরিবার পরিকল্পনা । পরিবার পরিকল্পনার মাধ্যমে একজন দম্পতি সর্বমোট কয়টি সন্তান নেবেন, কতদিনের বিরতি নেবেন, জন্মনিয়ন্ত্রণে কী কী পদ্ধতি ব্যবহার করবেন ইত্যাদি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সামগ্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ হচ্ছে এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
জন্মনিয়ন্ত্রণ কী ?
স্বামী-স্ত্রীর যৌনমিলনের ফলে স্ত্রীর গর্ভে সন্তান জন্ম নেয় । সন্তান ধারণে সক্ষম (১৫-8৯) বছর বয়সী মহিলার ডিম্বকোষে জমা থাকে অসংখ্য ডিম । সেখান থেকে প্রতি মাসে একটি ডিম পরিপক্ক হয়ে ডিম্ববাহী নালী দিয়ে জরায়ুর দিকে আসতে থাকে । এই পরিপক্ক ডিমটি সে’সময় যদি পুরুষ শুক্রকীটের সঙ্গে মিলিত হয় তাহলে গর্ভসঞ্চার হয় । শুক্রকীটের সঙ্গে মিলিত না হলে পরিপক্ক এই ডিমটি মাসিকের রক্তস্রাবের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে আসে ।
জন্মনিয়ন্ত্রণের কোনো পদ্ধতি দিয়ে ডিমকে পরিপক্ক হতে না দিলে বা পরিপক্ক ডিম ও শুক্রকীটের মিলনে বাধা সৃষ্টি করা গেলে গর্ভসঞ্চার হতে পারে না । বিভিন্নভাবে গর্ভসঞ্চারে বাধা সৃষ্টি করা যায় । এগুলোকেই বলা হয় জন্মনিন্ত্রন পদ্ধতি । যেমন -
ডিম ও শুক্রকীটকে মিলিত হতে দেয় না : পুরুষ বন্ধ্যাকরণ, মহিলা বন্ধ্যাকরণ ও কনডম ব্যবহার ।
ডিমকে পরিপক্ক হতে না দিয়ে এবং ডিম্বস্ফুটন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখে : খাবার বড়ি, ইনজেকশন, ইমপ্ল্যান্টের ব্যবহার ।
ডিম ও শুক্রকীট মিলিত হয়ে যে ভ্রুণের সৃষ্টি করে সেটিকে জরায়ুতে গ্রথিত হতে দেয় না : আইইউড ‘র ব্যবহার ।
এই সব পদ্ধতির যে কোন একটি ব্যবহার করে দম্পতি ইচ্ছা অনুযায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি :
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে অনেক ধরণের নিরাপদ এবং কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রচলিত আছে । দম্পতিরা ভালোভাবে জেনে - বুঝে এগুলোর মধ্য থেকে নিজেদের পছন্দমতো ও উপযুক্ত একটি পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন । তবে কোনো পদ্ধতি গ্রহণের আগে বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেয়া দরকার । বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে গ্রহীতাদের যখন একটা স্বচ্ছ ধারণা হবে, তখনই তাদের পক্ষে একটি পদ্ধতি বেছে নেয়া সহজ হবে ।
বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি সেবা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে :
# স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সেবা
# দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (আই ইউ ডি, ইমপ্ল্যান্ট)
# বন্ধ্যা দম্পতিকে পরামর্শ ও রেফার করা
# স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণকারী দম্পতির পুনরায় সন্তান জন্মদানে সক্ষমতার জন্য সেবা
# মাসিক নিয়মিতকরণ ও গর্ভপাত সংক্রান্ত
# গর্ভবতী সেবা
# প্রসব সেবা
# গর্ভোত্তর সেবা
# ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরিচর্যা এবং রেফার করা
# বয়ঃসন্ধিকালীন সেবা (কৈশোর প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা)
# নবজাতকের স্বাস্থ্য সেবা পরিচর্যা
# ইপিআই টিকাদান
# স্বাস্থ্য শিক্ষামূলক সেবা
# শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ (আরটিআই), প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ (এসটিআই) ও এইচআইভি-সংক্রমণ সেবা
# পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারজনিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও জটিলতা সেবা
# স্বল্পমেয়াদি অস্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির সেবা (খাবার বড়ি, কনডম, জন্ম নিয়ন্ত্রণের ইনজেকশন)
দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সরকারি এসব সুবিধা নিয়ে দম্পতিরা জন্মনিয়ন্ত্রণ তথা পরিবার পরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ সেবা গ্রহণ করতে পারেন। আর যথাযথ পদ্ধতি ব্যবহার করে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করলে উপকৃত হবেন দম্পতি, পরিবার, সমাজ তথা পুরো রাষ্ট্র।
- রঙিন পোশাকে সেঞ্চুরি রাঙা দিন
- তারা সালমান মুক্তাদিরকে চেনে না: রাফসান
- সম্পর্ক ঠিক রাখতে যেসব বিষয় সত্যি কাজে দেয়
- প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য জাপান, তুরস্ক ও সৌদি সফর নিয়ে আলোচনা
- রাড্ডা ক্লিনিকে ভাঙচুর: আরও ৬ আসামি কারাগারে
- সালমান মুক্তাদির চাঁদাবাজির ঢালাও অভিযোগ করেছেন:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জাতিসংঘে মামদানিকে তীব্র আক্রমণ নেতানিয়াহুর
- সংকট সমাধানে সরকারকে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত
- জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী
- বিপাকে অজয়-কাজল
- শেষ মুহূর্তের গোলে হার থেকে বাঁচল ব্রাজিল
- বর্ষায় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?
- কাগজের ঠোঙায় খাবার খেলে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে
- ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা শাহরুখ
- ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংলিশ ক্রিকেটার
- আরও ১১ বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের
- স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না চলতি বছর
- ‘মরিয়ম খুব আবেগী ছিল’, রিমান্ডে জানালেন নজরুল
- রাতে বাড়ে বিষণ্ণতা, দূর করবেন কীভাবে?
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে যা বললেন ইয়ামি গৌতম
- নাগোয়ায় পদক মঞ্চে প্রথম দেশের পতাকা ওড়ালেন জিন্নাত
- ১ লাখ ৫৫ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত
- মোজাফফর-মাসুদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছালো
- ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ
- হরমুজ খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত দিলো ইরান
- কান্নার পরে মন ভালো হয় কেন?
- ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা
- এশিয়ান গেমসে ৪০ বছরের পদকখরা ঘুচল বাংলাদেশের
- রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি নজরুলের প্রথম স্ত্রী
- কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা
- রাতে বাড়ে বিষণ্ণতা, দূর করবেন কীভাবে?
- ডেঙ্গুর লক্ষণ, পরীক্ষা ও প্রতিরোধের উপায়
- ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব সালমানের
- গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের চিঠিগুলোতে যা লেখা
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে যা বললেন ইয়ামি গৌতম
- ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা
- ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ
- রামিসার মতো অপ্রতিম হত্যার বিচার দ্রুত সময়ে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- রংপুরে ৪ খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধকে নেওয়া হলো ঢাকায়
- ভারতকে হঠিয়ে শীর্ষে ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ কোথায়
- এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে
- হরমুজ খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত দিলো ইরান
- কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা
- কান্নার পরে মন ভালো হয় কেন?
- জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী
- এশিয়ান গেমসে ৪০ বছরের পদকখরা ঘুচল বাংলাদেশের
- নিউ ইয়র্কে এরদোয়ান-শেহবাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী
- ১ লাখ ৫৫ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত
- স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না চলতি বছর
- সংকট সমাধানে সরকারকে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত



