ঢাকা, ০৭ জানুয়ারি বুধবার, ২০২৬ || ২৪ পৌষ ১৪৩২
good-food
২০

শীতে খেজুর গুড়ের উপকারিতা

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৯:৪৫ ৪ জানুয়ারি ২০২৬  

শীত এলেই গ্রামবাংলার হাটে–বাজারে, শহরের ফুটপাতে ভেসে আসে এক চেনা মিষ্টি গন্ধ খেজুর গুড়ের। কেবল স্বাদের জন্য নয়, শীতকালে খেজুর গুড় খাওয়ার পেছনে আছে নানা স্বাস্থ্যগুণও। তাই তো এই মৌসুমি গুড়কে বলা হয় শীতের প্রাকৃতিক সুপারফুড।

শীতে শক্তির প্রাকৃতিক উৎস

খেজুর গুড়ে থাকে প্রাকৃতিক শর্করা—গ্লুকোজ ও সুক্রোজ, যা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। শীতকালে শরীরের বেশি ক্যালোরি খরচ হয়য় কেবল পোড়ায় উষ্ণ থাকতে।  তখন এক চামচ খেজুর গুড়ই দিতে পারে তাৎক্ষণিক এনার্জি। সকালবেলার নাশতায় বা বিকেলের চায়ে তাই খেজুর গুড় বেশ উপকারী।

রক্তস্বল্পতায় উপকারী

খেজুর গুড় আয়রনের ভালো উৎস। অনেকেরই হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এতে করে শীতের অনুভূতি বাড়ে। নিয়মিত অল্প পরিমাণ খেজুর গুড় খেলে রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে, বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের জন্য।

হজমশক্তি বাড়ায়

শীতে অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেটের গোলমালে ভোগেন। খেজুর গুড়ে থাকা প্রাকৃতিক ফাইবার হজম প্রক্রিয়া সহজ করে এবং অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। রাতে দুধের সঙ্গে সামান্য খেজুর গুড় খেলে পেট পরিষ্কার থাকতে পারে।

খেজুর গুড় আয়রনের ভালো উৎস।

ঠান্ডা-কাশিতে আরাম

খেজুর গুড় শরীর গরম রাখতে সহায়তা করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ উপাদান ঠান্ডা-কাশি, সর্দির উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারে। আদা বা কালো মরিচের সঙ্গে খেজুর গুড় খাওয়ার প্রচলন তাই বহু পুরোনো।

ত্বক ও হাড়ের যত্নে সহায়ক

খেজুর গুড়ে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে, যা হাড় মজবুত রাখে। একই সঙ্গে ত্বকের শুষ্কতা কমাতে এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সব মিলিয়ে, শীতের দিনে পরিমিত পরিমাণে খেজুর গুড় শুধু জিভের স্বাদই বাড়ায় না, শরীরকেও রাখে উষ্ণ, শক্তিশালী ও সুস্থ। তবে ডায়াবেটিস বা বিশেষ স্বাস্থ্যসমস্যা থাকলে অবশ্যই পরিমাণে সংযম জরুরি।