চলে গেলেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৪:০৮ ২৭ এপ্রিল ২০১৯
প্রখ্যাত সাংবাদিক-কলামিস্ট-শিক্ষক মাহফুজ উল্লাহ আর নেই (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুর খবর মেয়ে হুমায়রা মেঘলা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিতসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন মাহফুজ উল্লাহ।
এর আগে গেল ১০ এপ্রিল গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককে নেয়া হয়। অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী বড় মেয়ে ডা. মেঘলা ও জামাতা মাহফুজ উল্লাহর সঙ্গে যান।
গত ২ এপ্রিল সকালে ধানমণ্ডির গ্রিন রোডে মাহফুজ উল্লাহ তার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়।
পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় মাহফুজ উল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ ছিলেন একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক।
ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করা মাহফুজ উল্লাহ ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন।
তিনি সাংবাদিকতা ছাড়াও খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এছাড়া তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়েও সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন।
মাহফুজ উল্লাহ শুধু খ্যাতিমান সাংবাদিকই ছিলেন না। একাধারে লেখক, কলামিস্ট, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও পরিবেশবিদ ছিলেন তিনি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটর ছিলেন।
১৯৫০ সালের ১০ মার্চ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন দেশের এই খ্যাতিমান সাংবাদিক।
তার পিতার নাম হাবিবুল্লাহ এবং মাতার নাম ফয়জুননিসা বেগম।
ভারতীয় উপমহাদেশে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত মুজাফফর আহমেদের দৌহিত্র তিনি।
ছাত্রাবস্থাতেই মাহফুজ উল্লাহ সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন।
বাংলাদেশের একসময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক বিচিত্রার জন্মলগ্ন থেকে কাজ করেছেন মাহফুজ উল্লাহ।
১৯৭২ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় যোগ দেন। দীর্ঘ সাংবাদিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকে কাজ করেছেন মাহফুজ উল্লাহ।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি শিক্ষকতাও করেছেন মাহফুজ উল্লাহ।
চীন গণপ্রজাতন্ত্রে বিশেষজ্ঞ হিসেবে, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপদূতাবাস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ এবং সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন তিনি।
মৃত্যুর পূর্বে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মাহফুজ উল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ছাত্র রাজনীতির কারণে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনামলে ঢাকা কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হন মাহফুজ উল্লাহ।
পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী হিসেবে ঊনসত্তরের ১১ দফা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন মাহফুজ উল্লাহ।
বাম রাজনীতি দিয়ে ছাত্র রাজনীতি শুরু করলেও বেশ কয়েক বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন মাহফুজ উল্লাহ। যে কারণে তার বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী হিসাবেও পরিচিতি রয়েছে।
রেডিও ও টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সরব উপস্থিতি ছিল মাহফুজ উল্লাহর। তাকে উপস্থাপনাও করতে দেখা গেছে।
আন্তর্জাতিকভাবে একজন সক্রিয় পরিবেশবিদ হিসাবে পরিচিত মাহফুজ উল্লাহ। সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট নামক একটি পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মাহফুজ উল্লাহ।
এছাড়াও আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর করজারভেশন অব নেচারের আন্তর্জাতিক পরিচালনা পর্ষদের প্রথম বাংলাদেশি সদস্য তিনি।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৫০ এর অধিক বই লিখেছেন মাহফুজ উল্লাহ। বইগুলোর অধিকাংশই বিশ্বের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে সংগৃহীত আছে।
তার লিখিত বইগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়া : রাজনৈতিক জীবনী, অভ্যুত্থানের ঊনসত্তর, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন : গৌরবের দিনলিপি (১৯৫২-৭১), উলফা অ্যান্ড দ্য ইনসারজেন্সি ইন আসাম, যে কথা বলতে চাই উল্লেখযোগ্য।
- মহাসড়কেই শেষ পরিবারের সব স্বপ্ন, পাশাপাশি ৪ কবর
- স্বামীরা আসলে কী চায়? সম্পর্ক ভালো রাখতে জানুন ৫ বিষয়
- বিশ্বকাপের আশা বাঁচিয়ে রাখল ইতালি
- ৩০ হাজার টন তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে
- নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হলেন বালেন্দ্র
- ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকামুখী মানুষ, ট্রেন-বাসে স্টেশনে উপচেপড়া ভিড়
- হলিউডে হবে না অস্কার আয়োজন
- ‘ধুরন্ধর ২’-র তাণ্ডবে তছনছ সব রেকর্ড
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২,৯৫১ প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ দেওয়া হবে
- অতিরিক্ত চিন্তা ঝেড়ে ফেলার ৪ উপায়
- মেয়েকে নিয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
- হরমুজ দিয়ে নির্বিঘ্নে চলতে পারবে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ
- পদ্মায় বাসডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬
- ইরানের নৌ কমান্ডার তানসিরিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত
- এসকেএফ ফার্মায় চাকরি, পাবেন নানা সুবিধা
- ঈদ শেষে বাসায় ফিরে যেসব কাজ করবেন না
- সবজি চাষের আনন্দ ভাগ করলেন জয়া
- আর্চারি এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- এবার উপপ্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব পেলেন রাষ্ট্রপতি
- যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
- দেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
- ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস
- ঘুমাতে গেলেই কি মাথায় ঘোরে পুরোনো কথা?
- বিশ্ববাজারে তেলের দামে ধস
- সোনার দামে বড় দরপতন কেন?
- ইসরায়েলের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র আধিপত্যের ঘোষণা ইরানের
- ইরান যুদ্ধ চললে দেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী
- ঈদে তেল-মশলা খেয়ে পেট খারাপ? সুস্থ হওয়ার ঘরোয়া উপায়
- বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ড সফর স্থগিত, আসছে ভারত
- ভারত সফর বাতিল করলেন শাকিরা
- ঈদে তেল-মশলা খেয়ে পেট খারাপ? সুস্থ হওয়ার ঘরোয়া উপায়
- ইরান যুদ্ধ ‘গুটিয়ে আনার’ কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
- ঈদের দিন বিয়ের খবর জানালেন অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা নীলা
- ইরান যুদ্ধ চললে দেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী
- ৩৫ বছর পর জাতীয় ঈদগাহের নামাজে প্রধানমন্ত্রী
- ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
- চোখের জলে গুনাহ মাফ চেয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কল্যাণ কামনা
- কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১২: তদন্তে ৩ কমিটি, বরখাস্ত ২
- ইসরায়েলের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র আধিপত্যের ঘোষণা ইরানের
- বিশ্ববাজারে তেলের দামে ধস
- বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ড সফর স্থগিত, আসছে ভারত
- ভক্তদের ঈদ শুভেচ্ছা সাকিব-তাসকিনদের
- প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস
- এসকেএফ ফার্মায় চাকরি, পাবেন নানা সুবিধা
- যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
- আর্চারি এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- এবার উপপ্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব পেলেন রাষ্ট্রপতি
- সবজি চাষের আনন্দ ভাগ করলেন জয়া
- দেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল


