১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে বাবর খালাস
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৪:২০ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ কয়েকজনকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। একজনকে যাবজ্জীবন এবং ছয়জনকে ১০ বছর করে দণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসিফ ইমরান জিসান। পাঁচ আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। লুত্ফুজ্জামান বাবরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, এ মামলায় ১৪ জন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। তাদের ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে আজ রায় হয়েছে। এই রায়ে খালাস পেয়েছেন সাতজন। এর মধ্যে চারজন মামলার শুনানিতে অংশ নিয়ে খালাস পেয়েছেন। পলাতক নুরুল আমিনও খালাস পেয়েছেন।
ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করায় মতিউর রহমান নিজামী ও আব্দুর রহিমের আপিল অ্যাবেটেড (বাদ) হয়ে গেছে। বাকি ছয়জনকে ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ভারত চলে যাওয়া পরেশ বড়ুয়াকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছেন আদালত। ১৪ জনের মধ্যে মোট সাতজন খালাস, ছয়জনের ১০ বছর এবং একজনের যাবজ্জীবন।
লুৎফুজ্জামান বাবরের বিষয়ে শিশির মনির বলেন, দ্বিতীয় তদন্তের ভিত্তিকে তাকে প্রধান আসামি করা হয়। আদালত তাকে আজ খালাস দিয়েছেন এ কথা বলে- তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিকটিম। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ কেউ হাজির করতে পারেনি।
জামায়াতের সাবেক আমিরের বিষয়ে শিশির মনির বলেন, আমরা মতিউর রহমান নিজামীর পক্ষে ছিলাম। তিনি মৃত্যুবরণ করায় মামলাটি অ্যাবেট হয়ে গেছে। কিন্তু যে জরিমানা ছিল, তা থেকে অন মেরিটে খালাস পেয়েছেন। ফলে এ মামলায় তিনি খালাস পেলেন।
এর আগে হাইকোর্টে গত ৬ নভেম্বর এ মামলার শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপনে পর যুক্তি উপস্থাপন করে। এরপর আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করে। পরে ১১ ডিসেম্বর আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের খালাস চান তার আইনজীবী শিশির মনির।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক সংক্রান্ত দুটি মামলার মধ্যে চোরাচালান মামলায় (বিশেষ ক্ষমতা আইনে) সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী (ফাঁসির দণ্ড কার্যকর খালাস), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ (যাবজ্জীবন- বর্তমানে ভারতে) ১৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মজিবুর রহমানের আদালত।
অস্ত্র আইনে দায়ের করা অন্য মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পান একই আসামিরা। এ ছাড়া অস্ত্র আটক মামলার আরেক ধারায় সাত বছর কারাদণ্ড দেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।
মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য ১১ জন হলেন- এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, ডিজিএফআই’র সাবেক পরিচালক (নিরাপত্তা) অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এনএসআইয়ের সাবেক উপ-পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত হোসেন, এনএসআইয়ের সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহসিন উদ্দিন তালুকদার (খালাস), সিইউএফএলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কে এম এনামুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব নুরুল আমিন, চোরাচালানি হিসেবে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান, অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ ও ট্রলার মালিক হাজী আবদুস সোবহান ।
পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন।
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে নতুন শক্তির আবির্ভাব
- মামুন ও মাসুদকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ
- রেকর্ড আয় করা ‘ধুরন্ধর-২’কে চরম কটাক্ষ ওয়াইসির
- হাম কী, কেন ঝুঁকিপূর্ণ: সুরক্ষার উপায় জানুন
- চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: আমিনুল
- অন্তর্বর্তী সরকার দুর্বল থাকায় মব নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ
- মহাসড়কেই শেষ পরিবারের সব স্বপ্ন, পাশাপাশি ৪ কবর
- স্বামীরা আসলে কী চায়? সম্পর্ক ভালো রাখতে জানুন ৫ বিষয়
- বিশ্বকাপের আশা বাঁচিয়ে রাখল ইতালি
- ৩০ হাজার টন তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে
- নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হলেন বালেন্দ্র
- ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকামুখী মানুষ, ট্রেন-বাসে স্টেশনে উপচেপড়া ভিড়
- হলিউডে হবে না অস্কার আয়োজন
- ‘ধুরন্ধর ২’-র তাণ্ডবে তছনছ সব রেকর্ড
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২,৯৫১ প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ দেওয়া হবে
- অতিরিক্ত চিন্তা ঝেড়ে ফেলার ৪ উপায়
- মেয়েকে নিয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
- হরমুজ দিয়ে নির্বিঘ্নে চলতে পারবে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ
- পদ্মায় বাসডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬
- ইরানের নৌ কমান্ডার তানসিরিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত
- এসকেএফ ফার্মায় চাকরি, পাবেন নানা সুবিধা
- ঈদ শেষে বাসায় ফিরে যেসব কাজ করবেন না
- সবজি চাষের আনন্দ ভাগ করলেন জয়া
- আর্চারি এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- এবার উপপ্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব পেলেন রাষ্ট্রপতি
- যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
- দেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
- ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস
- ঘুমাতে গেলেই কি মাথায় ঘোরে পুরোনো কথা?
- বিশ্ববাজারে তেলের দামে ধস
- ঈদে তেল-মশলা খেয়ে পেট খারাপ? সুস্থ হওয়ার ঘরোয়া উপায়
- ইরান যুদ্ধ চললে দেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী
- কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১২: তদন্তে ৩ কমিটি, বরখাস্ত ২
- ইসরায়েলের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র আধিপত্যের ঘোষণা ইরানের
- বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ড সফর স্থগিত, আসছে ভারত
- বিশ্ববাজারে তেলের দামে ধস
- সবজি চাষের আনন্দ ভাগ করলেন জয়া
- ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস
- এসকেএফ ফার্মায় চাকরি, পাবেন নানা সুবিধা
- আর্চারি এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
- এবার উপপ্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব পেলেন রাষ্ট্রপতি
- মহাসড়কেই শেষ পরিবারের সব স্বপ্ন, পাশাপাশি ৪ কবর
- দেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
- অতিরিক্ত চিন্তা ঝেড়ে ফেলার ৪ উপায়
- ঘুমাতে গেলেই কি মাথায় ঘোরে পুরোনো কথা?
- ইরানের নৌ কমান্ডার তানসিরিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত
- ‘ধুরন্ধর ২’-র তাণ্ডবে তছনছ সব রেকর্ড
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২,৯৫১ প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ দেওয়া হবে
- পদ্মায় বাসডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬









