ঢাকা, ১৩ মার্চ শুক্রবার, ২০২৬ || ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
good-food

পুলিশ হত্যায় আসিফসহ ৪২ জনের নামে মামলার আবেদন

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৬:৩৯ ১৩ মার্চ ২০২৬  

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনায় ঢাকার একটি আদালতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলা দায়েরের আবেদন হয়েছে। তবে এই মামলার আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালতে আবেদনটি করা হয়। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।  

মামলার আবেদনে থাকা অন্য আসামিরা হলেন- আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদার, আব্দুল হান্নান মাসুদ, আদনান আবির, জামান মৃধা, মোহাম্মদ সোহেল মিয়া, রিফাত রশিদ, হাসিব আল ইসলাম, আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন, লুৎফর রহমান, আহনাফ সাঈদ খান, মোয়াজ্জেম হোসেন, ওয়াহিদুজ্জামান, তারেকুল ইসলাম (তারেক রেজা), হামজা মাহবুব, রেজোয়ানা রিফাত, তরিকুল ইসলাম, নুসরাত তাবাসসুম, রাফিয়া রেহনুমা হৃদি, মুমতাহীনা মাহজাবিন মোহনা (বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা হল, ঢাবি), আনিকা তাহসিনা (রোকেয়া হল, ঢাবি), উমামা ফাতেমা (সুফিয়া কামাল হল, ঢাবি), তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী, নিশিতা জামান নিহা, মেহেদী হাসান (সোশিওলজি), মো. আবু সাঈদ, সানজানা আফিফা আদিতি, তানজিনা তামিম হাফসা, আলিফ হোসাইন, কাউসার মিয়া, সাইফুল ইসলাম, আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), আব্দুর রশিদ জিতু (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), স্বর্ণা রিয়া (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), রাসেল আহমেদ (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), আসাদুল্লাহ আল গালিব (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক (শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী মিশু (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়), নাজমুল হাসান (ঢাকা কলেজ), শাহিনুর সুমী (ইডেন মহিলা কলেজ) ও সিনথিয়া জাহিন আয়েশা (বদরুন্নেসা কলেজ)।

তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে সব শুনে নথি পর্যালোচনা করে মামলাটি আমলে নেননি আদালত। মামলার বাদী জালাল হোসেন মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানার জাংগিরাই গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ৫ অগাস্ট বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আসিফ মাহমুদের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে অন্তত ৭/৮টি গাড়ি পুড়িয়ে মালামাল লুট করা হয়। হামলা, ভাঙচুর করে থানা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। ওইখানে থাকা আসিফ মাহমুদ এবং তার সহকারীদের সহযোগিতায় ওসি আবুল হোসেনসহ ১২ জনকে কুপিয়ে হত্যা করে।

বাংলাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর