ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ২০২৬ || ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
good-food
৪

বর্ষায় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৯:৫৯ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬  

ডায়ারিয়া, টাইফয়েড, জন্ডিস, পেটের সংক্রমণ— বর্ষায় বাড়ে জলবাহিত রোগের ঝুঁকি। এই সব রোগের অন্যতম কারণ হলো দূষিত জল পান করা। বর্ষায় পানীয় জলও দূষিত হয়ে যেতে পারে যে কোনও মুহূর্তে। জলের মধ্যে এমন অনেক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু থাকে, যা খালি চোখে একেবারেই দেখা যায় না। তাই খাওয়ার জল নিয়ে এই সময়ে সতর্ক না থাকলে ভুগতে হবে সংক্রমণে।

এক নজরে

  • বর্ষায় দূষিত জলে জলবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

  • স্বচ্ছ জলও জীবাণুযুক্ত হতে পারে।

  • জল ফুটিয়ে জীবাণু কমানো যায়, তবে সব রাসায়নিক দূর হয় না।

  • জলের পাত্র, ট্যাঙ্ক ও পাইপলাইন পরিষ্কার রাখা জরুরি।

  • রাস্তার কাটা ফল, শরবত ও বাইরের খাবার এড়ানো ভালো।

বর্ষায় পানীয় জল নিয়ে যে সব বিষয় মাথায় রাখবেন

১) জল একেবারে স্বচ্ছ। তাতে কোনও ভাসমান নেই, গন্ধ নেই। তাই সেটা সহজেই খাওয়া যায়। এই ধারণা ভুল একেবারে ভুল। বেশিরভাগ জীবাণু খালি চোখে দেখা যায় না। ফলে স্বচ্ছ জলও দূষিত হতে পারে।

২) রোগের ঝুঁকি এড়াতে জল ফুটিয়ে খাওয়ার নিদান দেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু জল বিশুদ্ধ করার সবসময়ে এটাই একমাত্র উপায় নয়। জল ফোটালে জীবাণু ও ভাইরাস ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু জলে মিশে থাকা সিসা, আর্সেনিক বা অন্যান্য পদার্থ দূর হয় না। তাই জল ফুটিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি ভালো মানের ওয়াটার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন।

৩) পানীয় জলে হয়তো কোনও জীবাণু নেই। সেটা একদম পরিষ্কার। কিন্তু আপনি যে পাত্রে পানীয় জল ধরে রাখছেন, সেটা অপরিষ্কার হতে পারে। তাই জলের বোতল, জগ বা ট্যাঙ্ক নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার।

৪) ট্যাঙ্ক পরিষ্কারের পাশাপাশি পাইপলাইনেও নজর দেওয়া জরুরি। অনেক সময়ে পাইপলাইন ফেটে গেলে নোংরা, দূষিত জল তাতে ঢুকে যায়। তাই এ দিকেও নজর দেওয়া দরকার। 

৫) অনেক জায়গার পুকুর, নদ-নালা বৃষ্টির জলে ডুবে গিয়েছে। রাস্তার জমা জল, নর্দমার জমা জল, রাসায়নিক সার দেওয়া ক্ষেতের জল অনেক সময়েই পানীয় জলের সঙ্গে মিশে যায়। তাই এই মরশুমে পানীয় জল ব্যবহারের সময়ে সতর্ক থাকা দরকার। এ ক্ষেত্রে জল ফুটিয়ে নিন এবং ওয়াটার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন।

৬) রাস্তার ধারের কাটা ফল, শরবত বা পানীয় একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। এমনকী বাইরের খাবার না খাওয়াই ভালো। কারণ সেখানে যে জল ব্যবহার হচ্ছে, তা কতটা নিরাপদ জানা নেই। তাই সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে তাই সতর্ক থাকাই ভালো।

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর