ঢাকা, ০৬ সেপ্টেম্বর রোববার, ২০২৬ || ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
good-food

সকালের খাবার কোন সময়ে খাওয়া ভালো

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৫:২৮ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬  

কেউ সকালে উঠে নিয়ম করে প্রাতরাশ সারেন। কারও আবার জলখাবার খেতে খেতে বেলা গড়িয়ে যায়। ভারতীয় সংস্কৃতিতে বহু বাড়িতেই মহিলারা প্রার্থনা না করে মুখে কিছু দেন না। কখনও বাড়ির গৃহিণীরাও ব্যস্ততার সময়ে জরুরি কিছু কাজ সেরে তবেই প্রাতরাশ করতে পারেন। ঘুম থেকে ওঠার ঠিক কতক্ষণ পরে সকালের খাবার খেলে শরীর ভালো থাকে?

ঘুম থেকে উঠে কখন জলখাবার খাওয়া দরকার, তার কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম নেই বলছেন পুষ্টিবিদেরা। যদি কারও খিদে পেয়ে যায়, তিনি তখনই খাবেন। যদি কারও ঘণ্টাখানেক বাদে খেতে ইচ্ছা করে, সেটাও হতে পারে। আবার অনেক সময় ঘুম থেকে উঠে খেতে ইচ্ছা করে না। পেট ভার লাগে। সেক্ষেত্রে জোর করে না খেতেই বলেন চিকিৎসকেরা।

পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলছেন, ‘‘সাধারণত ব্যক্তিবিশেষের বিপাকক্রিয়া, হজমপ্রক্রিয়ার উপরে খিদের বিষয়টি নির্ভর করে। তবে দেখা দরকার, প্রাতরাশ আর মধ্যাহ্নভোজের মধ্যে যেন ঘণ্টাতিনেকের বিরতি থাকে।’’

প্রাতরাশের নিয়মকানুন

ঘুম থেকে উঠেই সাধারণত বিশেষ খিদে পায় না। তবে রাতে অনেকটা সময় জল খাওয়া হয় না। শরীরে যাতে জলের অভাব না হয়, তাই দিন শুরু করা যেতে ঈষদুষ্ণ এক গ্লাস জল খেয়ে। লেবু-মধুর জল, চিয়া বা তিসি ভেজানো জল, কিংবা মৌরির জলও কেউ খেতে পারেন। দিনের শুরুতে কয়েকটি ভেজানো বাদামও খেয়ে নেওয়া যায়। তার ঘণ্টাখানেক পরে প্রাতরাশ করতে পারেন কেউ।

তবে খুব বেশি খিদে নিয়ে দেরিতে প্রাতরাশ করলে, একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা তৈরি হয়, যা কোনও ভাবেই কাম্য নয়। পুষ্টিবিদ মনে করাচ্ছেন, সকালের খাবারে যেন কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজের সমন্বয় থাকে। তবে তা যেন এতটাও বেশি না হয় যে, মধ্যাহ্নভোজের খিদে নষ্ট করে। তবে সাধারণত জলখাবার ৮-১১টার মধ্যেই সেরে ফেলা ভালো।

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর