ঢাকা, ১৮ জুন বৃহস্পতিবার, ২০২৬ || ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
good-food

ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দর নির্ধারণ

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৪:২৫ ১৮ জুন ২০২৬  

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার ক্রয় করতে ক্রেতাদের ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা গুনতে হবে। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে তা আদায় করা যাবে না বলে জানিয়েছে বাজুস। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ দর নির্ধারণ করা হয়। এদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন নির্ধারিত দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণালঙ্কারের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণালঙ্কারের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। রুপার অলঙ্কারের ভ্যাটের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে। 

তিন দিন আগেই (সোমবার, ১৫ জুন) সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৯৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ধরা হয় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৭ টাকা। 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। এর মধ্যে মূল্য বাড়ানো হয়েছে ৩৯ বার এবং কমানো হয়েছে ৩৬ বার। 

গত বছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ দফায় সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। 

এদিকে, বর্তমানে দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দর ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২২ দফা।