শতগুণের ইসবগুলের ভুসি
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ০০:৩৬ ৯ মে ২০২১
ইসবগুলের ভুসি। মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারী খাবার। বিশেষ করে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি অভ্যন্তরীণ পাচনতন্ত্রের সমস্যায় ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারের জন্য বেশ উপকারী। অনেকেই ঘুমানোর আগে অথবা সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ভেজানো ইসুবগুলের ভুসি খেয়ে থাকেন। কেউ কেউ এটি খান রাতের খাবারের পরে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রেখে। কিন্তু তা না করে পানি দিয়ে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।
ইসবগুলের পুষ্টিগুণ
১ টেবিল চামচ ইসবগুলে আছে-
ক্যালরি ৫৩%
ফ্যাট ০%
সোডিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম
কারবোহাইড্রেট (শর্করা) ১৫ গ্রাম
ক্যালশিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম
আয়রন (লোহা) ০.৯ মিলিগ্রাম
কতটুকু খাবেন?
অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায় ইসবগুল খেলে কোনও সমস্যা হয় না। প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ ৩ বার খাওয়া যায় এবং অবশ্যই তা পানিতে গুলিয়ে খেতে হবে। এছাড়া সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এবার জেনে নিন ইসবগুলের ভুসির কার্যকারিতা—
অ্যাসিডিটির প্রতিকারে
আমাদের প্রায় সবারই কিছু না কিছু অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে, আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার। ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে প্রতিবার খাদ্য গ্রহণের পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠান্ডা দুধে মিশিয়ে পান করতে হবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে
ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্য আঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে ঘরোয়া উপায় হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। পাকস্থলীতে গিয়ে এটি ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে হবে।
ডায়রিয়া প্রতিরোধে
ইসবগুলের ভুসি ডায়রিয়া প্রতিরোধেও সক্ষম। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ইসবগুল দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে বলে খুব কম সময়েই এটি ডায়রিয়া সারাতে পারে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে দিনে দু’বার ভরাপেটে ২ চামচ ভুসি ৩ চামচ টাটকা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।
হার্টের সুস্থতায়
ইসবগুলের ভুসিতে থাকা খাদ্যআঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আমাদেরকে হূদরোগ থেকে সুরক্ষিত করে। যে কারণে চিকিৎসকরা সব সময় হৃদরোগ প্রতিরোধে এধরনের খাবারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এটি পাকস্থলীর দেয়ালে একটা পাতলা স্তর সৃষ্টি করে। যা খাদ্য হতে কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয়; বিশেষ করে রক্তের সিরাম কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়া এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরিয়ে দেয়, যা থাকলে ধমনীতে ব্লক সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।
কোষ্ঠকঠিন্যতায়
এ সমস্যা হলে ৫-১০ গ্রাম ইসবগুল নিয়ে ১ কাপ ঠাণ্ডা বা গরম পানিতে আধাঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তাতে ২-৩ চামচ চিনি মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে বা রাতে শোয়ার আগে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের পেটের পীড়া, কোষ্ঠকঠিন্যতায় উপকারী। যারা দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকঠিন্যতায় ভুগছেন তারা ২ মাস নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকঠিন্য দূর হবে। পেট স্বাভাবিক হলে সপ্তাহে ১-২ দিনের বেশি না খাওয়াই ভালো। বেশি মাত্রায় খেলে ডায়রিয়ার সমস্যা হতে পারে।
পেট পরিষ্কারে ওষুধের চেয়ে ইসবগুল অনেকগুণে উপকারী। সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে অর্শ্বরোগের সৃষ্টি হয়। অর্শ্বরোগ অনেক সময় ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধিতেও রূপান্তরিত হতে পারে। এসব সমস্যার শুরু থেকে সমাধান করতে ইসবগুলের ভুসি উপকারী। ওষুধ পেটকে কেমিক্যালাইস করে; ইসবগুলের ভুসি প্রাকৃতিকভাবে আমাদের সুস্থ রাখে। প্রতি রাতে ভুসি খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করলে আমাশয় থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
আমাশয়
ইসবগুল আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না, তবে বের করে দিতে পারবে। তাই আমাশয়ের রোগীরা সকালে ও রাতে একগ্লাস ইসবগুলের শরবত খেলে উপকার পাবে। ওষুধ খেয়ে আমাশায় ঠিক করলে জীবাণুগুলো পেটের ভেতরে মরে গেলেও শরীর থেকে বের হয় না; যার কারণে আবারও আমাশায় রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে।
প্রসাবের জ্বালাপোড়া
যাদের ইউরিনে জ্বালাপোড়া আছে তারা সকালে-বিকালে শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রসাবের জ্বালাপোড়া কমবে এবং ইউরিনের রং স্বাভাবিক হয়ে যাবে। হাতে, পায়ে জ্বালাপোড়া ও মাথা ঘোরানো রোগে আখের গুড়ের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিলিয়ে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। নির্দিষ্ট মাত্রায় ইসবগুল খেলে তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা ভালো।
- রঙিন পোশাকে সেঞ্চুরি রাঙা দিন
- তারা সালমান মুক্তাদিরকে চেনে না: রাফসান
- সম্পর্ক ঠিক রাখতে যেসব বিষয় সত্যি কাজে দেয়
- প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য জাপান, তুরস্ক ও সৌদি সফর নিয়ে আলোচনা
- রাড্ডা ক্লিনিকে ভাঙচুর: আরও ৬ আসামি কারাগারে
- সালমান মুক্তাদির চাঁদাবাজির ঢালাও অভিযোগ করেছেন:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জাতিসংঘে মামদানিকে তীব্র আক্রমণ নেতানিয়াহুর
- সংকট সমাধানে সরকারকে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত
- জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী
- বিপাকে অজয়-কাজল
- শেষ মুহূর্তের গোলে হার থেকে বাঁচল ব্রাজিল
- বর্ষায় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?
- কাগজের ঠোঙায় খাবার খেলে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে
- ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা শাহরুখ
- ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংলিশ ক্রিকেটার
- আরও ১১ বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের
- স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না চলতি বছর
- ‘মরিয়ম খুব আবেগী ছিল’, রিমান্ডে জানালেন নজরুল
- রাতে বাড়ে বিষণ্ণতা, দূর করবেন কীভাবে?
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে যা বললেন ইয়ামি গৌতম
- নাগোয়ায় পদক মঞ্চে প্রথম দেশের পতাকা ওড়ালেন জিন্নাত
- ১ লাখ ৫৫ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত
- মোজাফফর-মাসুদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছালো
- ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ
- হরমুজ খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত দিলো ইরান
- কান্নার পরে মন ভালো হয় কেন?
- ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা
- এশিয়ান গেমসে ৪০ বছরের পদকখরা ঘুচল বাংলাদেশের
- রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি নজরুলের প্রথম স্ত্রী
- কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা
- রাতে বাড়ে বিষণ্ণতা, দূর করবেন কীভাবে?
- ডেঙ্গুর লক্ষণ, পরীক্ষা ও প্রতিরোধের উপায়
- ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব সালমানের
- গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের চিঠিগুলোতে যা লেখা
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে যা বললেন ইয়ামি গৌতম
- ক্ষমা চাইলেন স্বস্তিকা
- ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ
- রামিসার মতো অপ্রতিম হত্যার বিচার দ্রুত সময়ে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- রংপুরে ৪ খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধকে নেওয়া হলো ঢাকায়
- ভারতকে হঠিয়ে শীর্ষে ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ কোথায়
- এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে
- হরমুজ খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত দিলো ইরান
- কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা
- কান্নার পরে মন ভালো হয় কেন?
- জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী
- এশিয়ান গেমসে ৪০ বছরের পদকখরা ঘুচল বাংলাদেশের
- নিউ ইয়র্কে এরদোয়ান-শেহবাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী
- ১ লাখ ৫৫ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত
- স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না চলতি বছর
- সংকট সমাধানে সরকারকে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত






