ডাকসুর ইতিহাস
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৮:২৫ ১২ মার্চ ২০১৯
২৮ বছর পর হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। নতুন ভিপি নির্বাচিত কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। জিএস হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
ডাকসু নির্বাচনের অতীত ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই জানা নেই। ১৯২১ সালে ঢাবি প্রতিষ্ঠার এক বছর পরই প্রতিষ্ঠিত হয়ে এটি। ১৯২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয় সেটি।
১৯৫৩ সালে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে আগের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ(ডাকসু) রাখা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন, সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এটি। ’৫২ ভাষা আন্দোলন, ’৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৯ গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ’৭১ স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ’৯০ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে চালিকাশক্তির ভূমিকায় অবতীর্ন হয় এ সংসদ।
প্রথম নির্বাচন
১৯২৪-২৫ সালে ডাকসুর প্রথম ভিপি মনোনীত করা হয়। ১৯৫৩ সালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসে এর প্রথম নিবার্চন হয়। ডাকসুর প্রথম ভিপি নির্বাচিত হন এস এ বারী এবং জিএস নির্বাচিত হন জুলমত আলী খান।
মোট নির্বাচন
প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচন হয়েছে মোট ৩৬বার। এর মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশে ডাকসু নির্বাচন হয়েছে মাত্র সাতবার। ২০১৯ সালের আগে সবশেষ ১৯৯০ সালে হয় নির্বাচন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ডাকসুর সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক হন মাহবুবুর জামান। ওই বছরের ৬ জুন নির্বাচন হয়। সেবার ডাকসু ও ১৮টি আবাসিক হল সংসদের নির্বাচন হয়। স্বাধীনতা লাভের পর সেই নির্বাচন ছিল সপ্তম। ওই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ২৮ হাজার ৬৯০ জন। তবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১৮ হাজার ৩৪ জন। ডাকসুর ২০টি পদে ৪৮৯ জন এবং ১৪টি পদে ১০৪০ জন প্রার্থী সেদিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ডাকসু সংগ্রহশালা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে ডাকসু ভবন। এর নিচতলায় আছে সংগ্রহশালা। বাংলাদেশের সামগ্রিক ইতিহাসের স্থিরচিত্র সংরক্ষণ করা হয়েছে এখানে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসবেষ্টিত বিভিন্ন তথ্য ছাড়াও বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ছবি, লেখা, খবরের কাগজের সংগ্রহ রয়েছে।
ডাকসু ভবনের দেয়ালে রয়েছে একটি ম্যুরাল চিত্র। সেটি চেতনায় একুশ নামে পরিচিত। চিত্রটিতে চারজন ভাষাশহীদের ছবি রয়েছে। সংগ্রহশালায় প্রবেশ করে বরাবর সামনে তাকালে দেখা যাবে ঐতিহাসিক আমতলা। সেখানে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রতিবাদী ছাত্র সভা হয়। এখান থেকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ছাড়া আছে ঢাবি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংরক্ষিত ছবি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র দু’দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর রাজাকারদের সহায়তায় পাকহানাদারদের হাতে শহীদ হন।
ডাকসুর গঠনতন্ত্র
ডাকসুর গঠনতন্ত্রে বলা হয়েছে-নির্বাচনের পর মাত্র এক বছর পর্যন্ত এ সংসদের কার্যকারিতা থাকবে। এক বছর পর নির্বাচন না হলে পরের তিন মাস পর্যন্ত এর কার্যকারিতা থাকবে। এরপর আপনাআপনিই বাতিল হয়ে যাবে। কেবল নিয়মিত শিক্ষার্থীরাই ডাকসুর কর্মকর্তা ও সদস্য হতে পারবেন। কর্মকর্তা নির্বাচিত হওয়ার পর ছাত্রত্ব শেষ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তার পদ বাতিল হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ পুনরায় ওই পদে নির্বাচনের উদ্যোগ নেবেন।
এছাড়া গঠনতন্ত্রে উল্লেখ আছে-
১. যেসব শিক্ষার্থী প্রথম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ঢাবিতে ভর্তি হয়ে অনার্স/মাস্টার্স/এমফিল পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছেন, যারা বিভিন্ন আবাসিক হলে আবাসিক/অনাবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সংযুক্ত রয়েছেন এবং তফসিল ঘোষণার দিন যাদের বয়স ৩০ বছরের অধিক হবে না, কেবল তারাই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার হতে পারবেন। সব ভোটারই প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
২. সান্ধ্যকালীন বিভিন্ন কোর্সে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থী ভোটার হতে পারবেন না।
৩. সরকারি/বেসরকারি অথবা দেশে বা বিদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো শিক্ষার্থী ভোটার হতে পারবেন না।
৪. অধিভুক্ত কলেজের কোনো শিক্ষার্থী ভোটার হতে পারবেন না।
৫. গঠনতন্ত্রের/প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আবাসিক হলেই ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
৬. সময়ের চাহিদা বিবেচনায় ডাকসু ও হল সংসদে কয়েকটি সম্পাদক ও সদস্য পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
- বিএনপি ২০৯ ও জামায়াত ৬৮ আসনে জয়ী: ইসি সচিব
- ভোটের সেই অমোচনীয় কালির রহস্য
- ‘জাতীয় পার্টির দূর্গ’ দখলে নিল জামায়াত জোট
- ভোটে জয়ী হয়ে সংসদের পথে সাত নারী
- প্রতিটি কেন্দ্রে জয়ের রেকর্ড গড়লেন বাবর ও হাসনাত
- নির্বাচনে আলোচিত যারা জিতলেন, যারা হারলেন
- কাঁটায় ভরা পথ মাড়িয়ে ক্ষমতার মসনদে বসছেন তারেক রহমান?
- গণভোটে বিশাল ব্যবধানে জিতেছে ‘হ্যাঁ’
- সিল মারা ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ রুমিন ফারহানার
- গণতন্ত্রের ট্রেন ইনশাআল্লাহ স্টেশনে পৌঁছাবে: সিইসি
- খুলনায় ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা, বিএনপি নেতার মৃত্যু
- কখন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়?
- জীবনের প্রথম ভোট দিয়ে তামিমের উচ্ছ্বাস
- ভোটের আনন্দে রাতে ঘুমাননি প্রভা
- নাটোরে ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিতে এলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ
- কবিতার খাতা ছেড়ে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিলেন বিদ্রোহী কবি
- গণভোটের সহজপাঠ
- নির্বাচনি প্রতীক যেভাবে রাজনৈতিক পরিচয় হলো
- নির্বাচনে প্রতীকের ব্যবহার কীভাবে এলো?
- ভোট ও রাজনীতি নিয়ে বিখ্যাতদের মজার কিছু উক্তি
- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন
- ‘এটা পাকিস্তানের নাটক ছিল’
- অসুস্থ পরীমণি, ফের পেছাল জেরা
- প্রধান উপদেষ্টাসহ ২৭ জনের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ
- ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন যারা
- যেসব কারণে বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
- জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বৃহস্পতিবার, প্রস্তুতি সম্পন্ন
- নির্বাচনি মিছিলে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু
- নির্বাচনের ইতিহাস: প্রাচীন থেকে আধুনিক
- ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে ৪ পদ্ধতি চালু করল ইসি
- Seed Paper: A Plantable Paper Turns Waste into Living Green
- NASA Opens Door to Personal Smartphones in Space
- নির্বাচনের ইতিহাস: প্রাচীন থেকে আধুনিক
- নির্বাচনি মিছিলে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু
- সিল মারা ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ রুমিন ফারহানার
- আমেরিকার ইতিহাসে আলোচিত ১১ নির্বাচন
- ৫ খাবার নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা
- যেসব কারণে বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
- ‘আত্মঘাতী’ বইমেলায় অংশ নেবে না ৩২১ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
- নির্বাচনে তিন সংগীতশিল্পীর যে প্রত্যাশা
- নির্বাচনে ছুটি ও রমজানে কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন
- ভোট ও রাজনীতি নিয়ে বিখ্যাতদের মজার কিছু উক্তি
- জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বৃহস্পতিবার, প্রস্তুতি সম্পন্ন
- নির্বাচনি প্রতীক যেভাবে রাজনৈতিক পরিচয় হলো
- বুলবুলের আচমকা পাকিস্তান সফর নিয়ে মুখ খুললেন ফারুক
- বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ ৩ শর্তে ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান
- ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোনে নিষেধাজ্ঞা
- ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে ৪ পদ্ধতি চালু করল ইসি
- প্রধান উপদেষ্টাসহ ২৭ জনের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ
- ফোন রেকর্ড ফাঁস করলেন পরীমণি




