ঢাকা, ০৮ জুন সোমবার, ২০২৬ || ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
good-food
৪৫

পুশইন বন্ধে ভারতকে ১২-১৩ চিঠি দেওয়া হয়েছে:পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৮:৪২ ৮ জুন ২০২৬  

ভারতের পুশইনের চেষ্টার বিষয়ে দিল্লিকে ১২ থেকে ১৩টি চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ জানান, অবৈধ অভিবাসীদের নাগরিকত্ব যাচাই করে ফেরত আনার বিষয়ে দুই দেশেরই প্রক্রিয়া রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমাদের যখন কোনো নাগরিক ইল্লিগ্যালি কোনো দেশে যায় তাকে নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করে ফেরত আনার একটা প্রক্রিয়া আছে। একটা মেকানিজম আছে, যেটা বাংলাদেশও ফলো করে বাংলাদেশের জায়গা থেকে, ভারত ফলো করে ভারতের জায়গা থেকে।”

পুশইনের মাধ্যমে কাউকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া গ্রহণযোগ্য না বলে উল্লেখ করেন তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সেই মেকানিজমটা ফলো করে এই পুশইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাউকে ঠেলে দেওয়া হয় সেটা কিন্তু একেবারেই গ্রহণযোগ্য না। ইতোমধ্যে আমরা ১২ থেকে ১৩টা চিঠি দিয়েছি দিল্লিকে। ভারতে চিঠি দেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে।”

শামা ওবায়েদ বলেন, “বাংলাদেশের সীমান্তে বিজিবি সজাগ আছে। কোনোভাবেই আমরা এটা অ্যালাউ করছি না।” 

যদি বাংলাদেশি কোনো নাগরিক ভারতে অবস্থান করে যাকে ফেরত আনতে হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যেই চেন্নাই থেকে ৩৪ জন নাগরিককে ফেরত আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যদি ভারতীয় কোনো ইল্লিগ্যাল সিটিজেন থাকে বা ভারতে যদি বাংলাদেশের কোনো ইল্লিগ্যাল সিটিজেন থাকে, তাদেরকে ফেরত আনাটা আমাদের ভারতীয়দের ফেরত দেওয়ার একটি মেকানিজম বিদ্যমান আছে।”

শামা ওবায়েদ বলেন, “সেই বিদ্যমান মেকানিজমটা, ডিপ্লোমেসিটা অবলম্বন করেই ভারতকে আমাদের সঙ্গে কাজ করতে হবে এবং কথা বলতে হবে। বাংলাদেশও সেটা করবে। আমরা যতরকম ডিপ্লোমেটিক নর্ম আছে আমরা সেটা ফলো করছি।”

যখনই পুশ-ইনের ঘটনার রিপোর্ট আসছে তখনই বাংলাদেশ ভারতকে চিঠি দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

একইসঙ্গে ভারত সরকার যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে সমস্যার সমাধান করবে বলে আশাপ্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। অন্যথায় বিষয়টি বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কেও প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেন, “আমরা আশা করবো ভারত সরকার এটা সিরিয়াসলি নিবে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যথাযথ মেকানিজম ও ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে এই কাজ তারা সমাধান করবে। কোনোভাবেই এই পুশ-ইনের মাধ্যমে যদি তারা করে তাহলে অবশ্যই সেটা আমাদের জন্য ভালো হবে না।”