ঢাকা, ১৯ আগস্ট বুধবার, ২০২৬ || ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
good-food
১২৮

বায়ার্নের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজি

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১২:৫২ ৭ মে ২০২৬  

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ ব্যবধানে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফরাসি ক্লাবটি।

গত সপ্তাহে প্যারিসে নাটকীয় ৫-৪ গোলের জয়ের পর সামান্য এগিয়ে থেকেই দ্বিতীয় লেগে নামে লুইস এনরিকে’র দল। ফিরতি লেগে বায়ার্নের চাপ সামলে তারা ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে ওঠে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্সেনাল।

খভিচা কাভারাতসখেলিয়ার দারুণ দৌড় ও নিখুঁত পাস থেকে প্রথমবারের শটে গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন উসমান দেম্বেলে। বাঁ প্রান্ত দিয়ে দ্রুত উঠে এসে বল কেটে দেন কাভারাতসখেলিয়া, আর সেটিই কাজে লাগান দেম্বেলে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখে কাভারাতসখেলিয়া এক মৌসুমে টানা সাতটি নকআউট ম্যাচে গোল অবদান রাখা প্রথম খেলোয়াড় হন।

এছাড়া তিনি কিলিয়ান এমবাপ্পের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল অবদানের রেকর্ডেও সমতা আনেন। তার মোট গোল অবদান দাঁড়ায় ১৬টি—১০ গোল ও ৬টি অ্যাসিস্ট।

প্রথমার্ধে নুনো মেন্ডেস ও জোয়াও নেভেসের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হ্যান্ডবলের দুটি ঘটনায় পেনাল্টির দাবি তোলে বায়ার্ন মিউনিখ। তবে কোনো ঘটনাই ভিএআরে পর্যালোচনা করা হয়নি।

ম্যাচ রিপ্লে অনুযায়ী, মেন্ডেসের ঘটনার আগেই বায়ার্নের কনরাড লাইমারের বিরুদ্ধে হ্যান্ডবলের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন রেফারি।

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগে হ্যারি কেইন বায়ার্নের হয়ে একটি গোল শোধ দেন। তবে সেটি ব্যবধান ঘোচানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত পিএসজি ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।

আগের সাতটি হোম ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে পিএসজির বিপক্ষে জয় পাওয়া বায়ার্ন এবার আরেকটি ট্রেবল জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি। এর আগে ২০১৩ ও ২০২০ সালে তারা এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল।

চলতি আসরে সবচেয়ে বেশি গোল করা দুই দল ছিল পিএসজি ও বায়ার্ন। তাদের গোল সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩ ও ৪২। সম্প্রসারিত নতুন ফরম্যাটে এই প্রথম দুইটি ক্লাব এক মৌসুমে ৪০টির বেশি গোল করল।

অন্য সেমিফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে ফাইনালে ওঠে আর্সেনাল।

খেলাধুলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর