ঢাকা, ১৯ আগস্ট বুধবার, ২০২৬ || ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
good-food
১২৬

বিশ্বকাপের ফাইনাল মাতাবেন ম্যাডোনা-শাকিরা-বিটিএস

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৬:১২ ১৪ মে ২০২৬  

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাওয়া সুপার বোল ধাঁচের ‘হাফটাইম শো’-তে একসঙ্গে মঞ্চ মাতাবেন পপ সাম্রাজ্যের রানি ম্যাডোনা, লাতিন সম্রাজ্ঞী শাকিরা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস। 

বুধবার রাতে ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে এই চমকপ্রদ ঘোষণা দেয়। 

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচকে আরও আকর্ষণীয় ও স্মরণীয় করে তুলতেই বিশ্বসংগীতের এই তিন প্রভাবশালী শক্তিকে এক সুতোয় বাঁধছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বুধবার রাত ৯টায় ফিফার প্রকাশিত একটি বিশেষ টিজার ভিডিওতে ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লের প্রধান গায়ক ক্রিস মার্টিন এবং শিশুদের প্রিয় চরিত্র এলমোকে এই মেগা চমকের ঘোষণা দিতে দেখা যায়। 

ভিডিওতে আরও উপস্থিত ছিল মাপেটস দলের পরিচিত মুখ মিস পিগি, কেরমিট দ্য ফ্রগসহ অন্যান্য সদস্যরা। মজার ছলে ভিডিওতে দেখানো হয়, ক্রিস মার্টিন ও এলমো মিলে বিশ্বকাপের প্রথম হাফটাইম শোর জন্য ম্যাডোনা, শাকিরা ও বিটিএসকে নির্বাচন করছেন। ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনাল ম্যাচে এই বিরল পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায় এখন কোটি ফুটবল ও সংগীতপ্রেমী।

ফিফা জানিয়েছে, এই হাফটাইম শো শুধু বিনোদনের জন্য নয়, এর পেছনে রয়েছে একটি বৈশ্বিক সামাজিক উদ্যোগও। অনুষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশনে। বিশ্বজুড়ে শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা ও ফুটবল প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিতে ১০ কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এই উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। 

এর আগে ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপে ডোজা ক্যাট, টেমস ও জে বালভিনদের নিয়ে ছোট পরিসরে হাফটাইম বিনোদনের পরীক্ষা চালিয়েছিল ফিফা। সেই শিল্পীদের নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন ক্রিস মার্টিন।

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে আগামী ১১ জুন। ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসরের ফাইনাল এমনিতেই বিশ্বের সর্বাধিক দর্শকপ্রিয় ক্রীড়া ইভেন্ট। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল সরাসরি দেখেছিলেন ৫০ কোটির বেশি মানুষ। তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজন সুপার বোলের দর্শক সংখ্যা অনেক কম; ২০২৫ সালের সুপার বোল গড়ে দেখেছিলেন প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ দর্শক। 

ম্যাডোনা, শাকিরা ও বিটিএসের মতো বিশ্ব তারকাদের অংশগ্রহণ এবার বিশ্বকাপের সেই উন্মাদনাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বিশ্বকাপের সঙ্গে শাকিরার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। ২০১০ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘ওয়াকা ওয়াকা’ দিয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে ভক্তদের হৃদয় জয় করেছিলেন। 

অন্যদিকে ম্যাডোনা পপসংগীতের ইতিহাসের অন্যতম কিংবদন্তি এবং বিটিএস বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংগীতদলগুলোর একটি। ১৯৯৪ সালের পর এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল বিশ্বকাপ বসছে। 

২০২৬ আসরের ফাইনাল মঞ্চে এই তিন নক্ষত্রের উপস্থিতি যে বিশাল বৈশ্বিক আলোড়ন তৈরি করবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

খেলাধুলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর