ঢাকা, ২৪ জুলাই শুক্রবার, ২০২৬ || ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
good-food

মোদি সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসছে ককরোচ জনতা পার্টি

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৪:৫৫ ২৪ জুলাই ২০২৬  

ভারতে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় সরকারপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবে তারা। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দেশটিতে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তুমুল আন্দোলন চলছে। 

দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়েছে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “আগামীকাল আলোচনার জন্য আমাদের ডাকা হয়েছে। আমরা আনন্দিত যে সরকার আমাদের নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। আলোচনার জন্য কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে।”

এদিকে স্নাতক পর্যায়ের চিকিৎসাশিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষা নিট এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিজেপি নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে সংসদে নতুন একটি বিল আনার ঘোষণা দেন। তবে সিজেপির দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণ করাই পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ।

অন্যদিকে, সরকারের আশ্বাস পাওয়ার পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশন প্রত্যাহার করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে গুরগাঁওয়ের মেদান্তা হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকারের আশ্বাস পৌঁছে দেওয়ার পর তিনি অনশন শেষ করার ঘোষণা দেন।

সৌরভ দাস আরও বলেন, “যদি আমাদের সম্পর্কে বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ তোলা হয়, তাহলে সরকার সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে কেন আলোচনা করছে? আমাদের সঙ্গেই বা কেন আলোচনায় বসছে?”

তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনকে লক্ষ্য করে আদালতে একাধিক জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল) করা হচ্ছে এবং এসব মামলার মাধ্যমে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-র তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে।

সিজেপির মুখপাত্র বলেন, “আমরা দেশের বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানাই, তাদের রায় যেন কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগানো না হয়। বিচারকদের উদ্দেশ্যে আমরা সঠিক ইতিহাস এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান জানাই।”