ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার, ২০২২ || ১৩ আশ্বিন ১৪২৯
good-food
১৫৮

ওমিক্রনের পর নিওকোভের আশঙ্কা

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ০১:০৬ ৩১ জানুয়ারি ২০২২  

করোনা ভাইরাসের নতুন জাত নিওকভ নিয়ে আরো তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে বলে মত দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে এটি মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হলে অবাক হবে না সংস্থাটি।

 

চীনের উহানে ২০১৯ সালে নতুন করোনা ভাইরাসের যে খোঁজ মিলেছিল, তারই একটি ধরন হলো- নিওকভ। আর ভয়ংকর খবর- এটিতে মৃত্যু ও সংক্রমণের হার দুটোই বেশি।

 

সেই উহানের বিজ্ঞানীরাই নিওকভের খবর জানিয়ে বলেছেন, এরিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ, এটি সেখানকার বাদুড়ের মধ্যে ব্যাপক হারে ছড়াচ্ছে।

 

তাদের দাবি, এটি নাকি এখনও পর্যন্ত করোনার যতো রূপ পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। এবং এটিতে আক্রান্ত প্রতি তিন জনের মধ্যে এক জনের মৃত্যু হচ্ছে।

 

তবে রুশ গবেষকরা জানান, নিওকভ ধরন নতুন নয়। ২০১২ ও ২০১৫ সালে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিলো মার্স ভাইরাসের সঙ্গে যুক্ত এ ভাইরাসটির।

 

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিওকভ নামের ধরনটি মানুষের জন্য কতটা বিপজ্জনক তা বুঝতে হলে, এই ভাইরাসটি নিয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।

 

তবে এরপরই উদ্বেগ বাড়িয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইঙ্গিত দিয়েছে আগামী দিনে করোনার এই নয়া ধরন মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ালে তাতে অবাক হবার কিছু থাকবে না।

 

কারণ, মানুষের শরীরে আসা ৭৫ শতাংশ সংক্রামক রোগই আসে কোনও না কোনও পশু থেকে। করোনাভাইরাসও বিভিন্ন প্রাণীর শরীরে দেখা যায়।

 

সংস্থাটি জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের বিভিন্ন জাতের প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগার হচ্ছে বাদুর। আর বাদুর থেকে যে কোন সময়েই এই ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে।

 

তবে প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমিত হবার প্রক্রিয়া বা চক্রটি কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে গোটা বিশ্বে।