করোনাভাইরাসে ইউরোপের মধ্যে প্রথম মৃত্যু ফ্রান্সে
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২০:৫৭ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
করোনাভাইরাসে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সে প্রথম চীনের এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। উহান রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ার পর এশিয়ার বাইরে প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে প্রথমবারের মতো আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়েছে।
ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাগনেস বুজিন বলেন, হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা ৮০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ১৬ জানুয়ারি ফ্রান্সে আসেন। ২৫ জানুয়ারি তাকে প্যারিসের হাসপাতালে কোয়ারেন্টিন করে রাখা হয়।
এর আগে চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে কেবল তিনটি দেশে– হংকং, ফিলিপিন্স ও জাপানে– নতুন করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়।
জানুয়ারির শেষের দিকে ১১ জনকে শনাক্ত করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম ইউরোপীয় দেশ হয়ে ওঠে ফান্স। এদের মধ্যে ছয় জন এখনও হাসপাতালে রয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নিহত চীনা গুরুতর অবস্থায় উত্তর প্যারিসের বিসাত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। করোনাভাইরাসের কারণে ফুসফুসের সংক্রমণে তার মৃত্যু হয়।
অ্যাগনেস বলেন, এই লোকের মেয়েও সংক্রমিতও, তবে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।
এদিকে করোনাভাইরাসে বিশাল একটা সংখ্যক চিকিৎসাকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সম্পর্কে চীনের কাছে তথ্য চেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৭৬০ স্বাস্থ্যকর্মী প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে চীন।
গার্ডিয়ানের খবর বলছে, গত ডিসেম্বরে উহানের সামুদ্রিক প্রাণী বেচাকেনার একটি বাজার থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়েপড়ার পর ছয় চিকিৎসাকর্মী মারা গেছেন। এই প্রথমবারের ভাইরাস আক্রান্তের নথিতে পেশাদার স্বাস্থ্যকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করেছে চীন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেডরোস আডহানোম গেবরেইয়াসুস বলেন, এটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। স্বাস্থ্যকর্মীরা হলেন এমন আঠা যারা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে জোড়া লাগিয়ে রাখেন। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা একসঙ্গে সাড়া দেন।
কাজেই কতসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন, সেই তথ্য আমাদের জানা দরকার। এমনকি কোন সময় ও পরিস্থিতিতে তাদের শরীরে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে, তাও জানতে হবে।
একই দিনে মিসরেও একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আফ্রিকার দেশগুলোতে এই প্রথম কোনো নাগরিক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন।
মিসরীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তি হলেন একজন বিদেশি। তাকে একটি হাসপাতালে আলাদা করে রাখা হয়েছে। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানানোর পাশাপাশি সব ধরনের জরুরি পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে।
কিন্তু আক্রান্ত ব্যক্তি কোন দেশের নাগরিক কিংবা তার ব্যাপারে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। চলতি মাসের শুরুতে দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই ভাইরাস সংক্রমণে তাদের স্থাপনার সংকট রয়েছে বলেও সংস্থাটি জানিয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ভাইরাসটি থেকে নিস্তার পেতে সুরক্ষা গাউন, গ্লোভস ও মাস্কের ঘাটতির মুখে বিভিন্ন অস্থায়ী পদক্ষেপ নিয়েছে চীনের চিকিৎসক ও নার্সরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ছেঁড়াখোঁড়া সুরক্ষা মাস্ক জোড়াতালি লাগিয়ে, একবার ব্যবহার করে ফেলে দেয়ার মতো গগলস ফের পরতে দেখা গেছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। নিজেদের জুতা প্লাস্টিক ব্যাগ দিয়ে মুড়িয়ে নিচ্ছেন তারা। কারণ তাদের কাছে কোনো সুরক্ষা কাভার নেই।
কখনো কখনো নিজেদের টাকা দিয়ে সুরক্ষা পোশাক কিনতে দেখা গেছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। দীর্ঘ সময় তাদের খাওয়া ও পান করা থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে। কারণ ওয়াশরুমে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে তাদের সুরক্ষা পোশাক খুলতে হবে। আর এগুলো একবার শরীর থেকে সরিয়ে ফেললে দ্বিতীয়বার পরার যোগ্য থাকছে না।
চীনসহ কভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত দেশগুলোর স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু সুরক্ষা পোশাক পেতে চীনা হাসপাতালগুলোতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
শুক্রবার মেডিসিনস স্যানস ফ্রন্টিয়ারস (এমএসএফ) বলেছে, উহানের নিজইনটান হাসপাতালে তারা সাড়ে তিন টন চিকিৎসা বিষয়ক সুরক্ষা যন্ত্র পাঠিয়েছে। করোনাভইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই হাসপাতালটি সামনের সারিতে রয়েছে।
ভাইরাসটি সংক্রমণ রোধে চীনের বেশ কয়েকটি শহর অচল করে রাখা হয়েছে। কিন্তু মাস্ক, গ্লোভসহ সুরক্ষা যন্ত্রপাতি(পিপিই) উৎপাদন ও সরবরাহও বেশ বাধাগ্রস্ত হতে দেখা গেছে। এমনকি সব চেয়ে প্রয়োজনীয় স্থানগুলোতেও এসব যন্ত্র ঠিকমতো পৌঁছাতে পারছে না।
চিকিৎসকরা এখন যেভাবে কভিড-১৯ ভাইরাসটি নির্ণয় করছেন, পরিবর্তিত সেই উপায় নিয়ে চীনের কাছে আরও তথ্য চেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এতে বৃহস্পতিবার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নতুন উচ্চতায় গিয়ে ঠেকেছে। হুবাই প্রদেশের অতিরিক্ত পনেরো হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছে। এসব রোগী সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়েছে, কোনো ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে না।
বর্তমানে ৬৬ হাজার ৪৯২ রোগীকে করোনাভাইরাস আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। আর এতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৫২৩ জন।
- পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, ২ দিনে টোল আদায় ৯ কোটি টাকা
- ঈদের দিন সকালের স্বাস্থ্যকর তিন পদ
- বিশ্বকাপ বয়কট করছে না ইরান
- ‘ধুরন্ধর ২’ দেখে মাথা ঘুরে গেছে আল্লু অর্জুনের!
- হরমুজ প্রণালিতে ইরানকে টোল ও কর দিতে হবে!
- যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদী
- চাঁদ দেখা যায়নি, শনিবার ঈদ
- ৪০ ভাগ কারখানায় বেতন-বোনাস পাননি শ্রমিকরা, মালিকের বক্তব্য ভিন্ন
- সারাদেশে টানা ৫ দিন ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আভাস
- হরমুজ প্রণালী: উত্তেজনার এক দীর্ঘ ইতিহাস
- ঈদের ছুটিতেও বাসা থেকে সরকারি কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী
- ইরান যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা ২৬ হাজার ছাড়াল
- ঈদের বাড়ি ফেরায় যানজটে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
- এক নো বলেই উত্তাল ক্রিকেট বিশ্ব
- মেগাবাজেটের রোম্যান্সে ফিরছেন শাহরুখ
- ঈদের ছুটি শুরু, ঢাকা ছাড়ছেন লাখো মানুষ
- বিশ্বকাপের আগে বাদ নেইমার, ব্রাজিলে নতুন মুখ
- অভিনেতা শামস সুমন মারা গেছেন
- আপনি যেভাবে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার ফাঁদে পড়ছেন
- প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ দেখে নিন
- ঈদে চড়া মসলার বাজার
- ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতা লারিজানি ও সোলাইমানি নিহত: ইসরায়েল
- যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের
- টানা ৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
- যুদ্ধ নিয়ে গুজব: আমিরাতে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৩৫
- ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাহিদুলের জয়
- সিরিজ হেরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পাকিস্তানের
- ঈদে বাড়ি ফেরার পথে ঝামেলা কমাবেন যেভাবে
- অস্কারে সেরা চলচ্চিত্র ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’
- Practical Action Launches Plastic Waste Awareness in Narayanganj
- Workshop Shows Community-Led Climate Adaptation in Narayanganj
- সোনা কেনার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
- তথ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- কবে ফিরবেন সাকিব? পডকাস্টে নিজেই দিলেন উত্তর
- ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ
- মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত
- ব্রয়লারের দামে বড় লাফ, সবজি স্থির
- ঈদে চড়া মসলার বাজার
- জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার
- সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ, প্রতিবাদ ও ওয়াক আউট বিরোধী দলের
- এপস্টেইন ফাইলস নিয়ে মুখ খুললেন আমির
- মাইগ্রেন কমাতে যে ১০ নিয়ম মানতে হবে
- খালেদা জিয়া, খামেনিসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব
- ৪০ ভাগ কারখানায় বেতন-বোনাস পাননি শ্রমিকরা, মালিকের বক্তব্য ভিন্ন
- ব্যালটে তারুণ্যের গর্জন: নেপালের নেতৃত্ব দেবেন বালেন্দ্র শাহ
- না খেয়েও বাড়তে পারে ব্লাড সুগার, জেনে নিন ৪ কারণ
- ঈদের আগে জ্বালানি সংকট কাটলো
- বাংলা নতুন বছরে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন
- ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়ল দীপিকার ওপর
















