স্ত্রীর সামনে দিন-দুপুরে দল বেঁধে কুপিয়ে খুন
ভয়ংকর ওরা কারা?
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৩:০০ ২৮ জুন ২০১৯
দিন-দুপুরে অনেক মানুষের মাঝে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে শাহনেওয়াজ রিফাতকে (রিফাত শরীফ) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে ১২ জনের নাম। বৃহস্পতিবার বরগুনা সদর থানায় হত্যা মামলাটি করেছেন নিহতের বাবা মো. আ. হালিম দুলাল শরীফ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় মূল আসামি সাব্বির আহমেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড (২৫)।
হত্যাকাণ্ডের সময় দূর থেকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে নয়ন বন্ড ও তার প্রধান সহযোগী রিফাত ফরাজীকে প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে রিফাতকে কোপানোর দৃশ্য দেখা গেছে।
তবে রিফাতের বাবার দাবি, এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় আরও অনেকে। তারা ঘটনাস্থল বরগুনা কলেজের ভেতর থেকে রিফাতকে টেনে হিঁচড়ে বের করে বাইরের রাস্তায় আনে। এসময় আগে থেকে সশস্ত্র অবস্থায় ওঁৎ পেতে থাকা নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজীরা রামদা দিয়ে কুপিয়ে তার ছেলেকে হত্যা করে। কলেজ থেকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে আনতে গিয়ে রিফাত হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
মামলার আসামিরা হলো - সাব্বির আহমেদ নয়ন (নয়ন বন্ড) (২৫), মো. রিফাত ফরাজী (২৩), মো. রিশান ফরাজী (২০), চন্দন (২১), মো. মুসা, মো. রাব্বি আকন (১৯), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রায়হান (১৯), মো. হাসান (১৯), রিফাত (২০), অলি (২২) ও টিকটক হৃদয় (২১)। বাকি ৫ থেকে ৬ জন অজ্ঞাত আসামি।
সাব্বির আহম্মেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড। বরগুনায় মো. শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যার মূল আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাকে।
বরগুনা পৌর শহরের ডিকেপি রোড এলাকার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে সাব্বির আহমেদ নয়ন (নয়ন বন্ড)। শহরের কলেজ রোড, ডিকেপি সড়ক, কেজি স্কুল ও ধানসিঁড়ি সড়কে মূলত নয়নের বিচরণ ছিল। ছিনতাই, ছাত্রদের মুঠোফোন জিম্মি করে টাকা আদায়, ছোটখাটো মারধর থেকে তার অপরাধ প্রবণতা শুরু হলেও ২০১৭ সালে পুলিশি অভিযানে নয়নের কলেজ রোডের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ তাকে আটক করে পুলিশ। এরপরই নয়ন নামটি লাইমলাইটে চলে আসে। ওই মামলায় জামিনে আসার পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন। এরপর সে নিয়মিত মাদকব্যবসায় জড়িয়ে যায় এবং রিফাত ফরাজীকে সঙ্গে নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করে। ওই গ্রুপে নয়নের সহযোগী হিসেবে বরগুনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি সড়কের দুলাল ফরাজীর দুই ছেলে রিফাত ফরাজী ও তার ছোটভাই রিশান ফরাজী কাজ করতো।
মূল নাম সাব্বির আহমেদ নয়ন হলেও কর্মকাণ্ডের জন্য রহস্য উপন্যাসের চরিত্র জেমস বন্ডের নাম নিজের নামে জুড়ে দেয় নয়ন। ফলে সহযোগীরা তাকে ডাকা শুরু করে ‘নয়ন বন্ড’ নামে। রিফাত ফরাজী ও অন্যদের সহযোগিতায় ধানসিঁড়ি সড়ক থেকে শুরু করে শহরজুড়ে অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল নয়ন। বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হলেও আইনের ফাঁক গলে বের হয়ে ফের অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সে। চুরি ছিনতাই লুটপাট, মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে নয়নের বিরুদ্ধে বরগুনা থানায় ৮টি মামলা রয়েছে।
নিহত রিফাতের আত্মীয় ও কয়েকজন বন্ধু জানান, এক বছর আগে বাকিতে সদাই বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় বিকেবি সড়কের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নয়া মিয়ার পা ভেঙে দেয় নয়ন। এর কিছুদিন পর বাসা থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ইয়াবা ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ নয়নকে গ্রেফতার করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় কিছুদিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন। কোনও রাজনৈতিক পদ-পদবি না থাকলেও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এবং বর্তমান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে ছাত্রলীগ নামধারী রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজীদের সঙ্গে চলাফেরা করায় কাউকেই পরোয়া করছিল না নয়ন। তবে রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজীকে ভায়রার ছেলে হিসেবে স্বীকার করলেও তারা মাদকাসক্ত হওয়ায় ওই পরিবারের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন।
এদিকে, নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের আগে প্রেমঘটিত সম্পর্কের দাবি করে বেড়ালেও মিন্নি বলেছেন, বখাটে নয়ন বন্ডের সঙ্গে তার কোনও রকম সম্পর্কই ছিল না। বরং রাস্তাঘাটে তাকে নিয়মিতভাবে উত্ত্যক্ত করতো নয়ন। তার রিকশায় হুট করে উঠে যেত। তাকে যখন তখন বিরক্ত করতো। বিষয়টি পরিবারকে জানানোর পরেই রিফাত শরীফের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তার। তিনি এই বখাটে ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন।
রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজী সম্পর্কে আপন ভাই। একসঙ্গেই তারা সব অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। বরগুনা পৌরসভার ধানসিঁড়ি সড়ক এলাকার দুলাল ফরাজীর বড় ছেলে রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজী। ধানসিঁড়ি সড়কের রিফাত ফরাজী ও রিশান বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বাড়ির মূল ফটক ও বাসার দরজা তালাবদ্ধ। ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সকালে ঘরের দরজা তালাবদ্ধ ও বাড়ির গেট ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পেয়েছেন তারা। ধানসিঁড়ি সড়কের কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নয়ন বন্ডের ডান হাত ও বাম হাত হিসেবে কাজ করতো এই দুই ভাই। মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসাই ছিল এদের মূল পেশা।
এদের বিরুদ্ধে একাধিক ছিনতাই ও ছাত্রদের মেসে ঢুকে মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় তরিকুল ইসলাম (২১) নামে এক প্রতিবেশীকে কুপিয়ে মারাত্মক যখম করেন রিফাত ফরাজী।
এছাড়াও এই গ্রুপের নিয়মিত সদস্য ছিল আমতলার পার এলাকার চন্দন, বরগুনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি রোড এলাকার মো. মুসা, কেওড়াবুনিয়া এলাকার কালাম আকনের ছেলে রাব্বি আকন, কলেজিয়েট স্কুল রোড এলাকার মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, কেজি স্কুল এলাকার রায়হান, একই এলাকার মো. হাসান, সোনালী পাড়া এলাকার রিফাত, একই এলাকার অলি ও টিকটক হৃদয়।
এলাকাবাসী ও সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা বলছেন, নয়ন ও রিফাত দীর্ঘদিন ধরে নানা অপরাধে জড়িত থাকলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতো না। বারবার আইনের ফাঁক গলে বের হয়ে ফের অপরাধে জড়িয়ে পড়তো তারা। গত বুধবার রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রিফাত ও নয়নের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন ভুক্তভোগীরা।
রিশান ফরাজী। হত্যা মামলাটির তিন নম্বর আসামি। ভয়ংকর সব কর্মকাণ্ডের জন্য এলাকায় পরিচিত সে।
২০১৭ সালে বরগুনার হোমিও চিকিৎসক ডা. আলাউদ্দিন আহমেদের ডিকেপি রোডের বাসার ছাত্র মেসে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের মুখে বাসায় থাকা সব ছাত্রদের জিম্মি করে, তাদের ১৪টি মোবাইল ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ রিফাত ফরাজীর বাবা দুলাল ফরাজীকে আটক করে মোবাইলগুলো উদ্ধার করেন।
রিফাত শরীফ হত্যা মামলাটির চার নম্বর আসামিএ মামলার চার নম্বর আসামি হিসেবে অভিযুক্ত চন্দন (২১)। মামলার এজাহারে তার বিস্তারিত পরিচয় ও বাবার নাম উল্লেখ করা হয়নি। তার বাড়ি বরগুনার আমতলা পাড়। নয়ন বন্ডের সাগরেদ হিসেবে সব সময় তার সঙ্গে ঘোরাফেরা করতো চন্দন। তার নামেও এলাকায় অনেক ধরনের অভিযোগ রয়েছে। রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) তাকে গ্রেফতার করে বরগুনা সদর থানা পুলিশ।
মামলার পাঁচ নম্বর আসামি মো. মুসা। তার বাড়ি বরগুনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। তবে তার বাবার নাম উল্লেখ করা হয়নি। রিফাতকে হত্যার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে সে।
মামলার ছয় নম্বর আসামি মো. রাব্বি আকন (১৯)। বাবার নাম কালাম আকন। বাড়ি বরগুনার কেওড়াবুনিয়ায়।
মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯) হলো মামলার সাত নম্বর আসামি। তার বাড়ি বরগুনার কলেজিয়েট স্কুল সড়কে। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে। নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সঙ্গে সে এলাকায় ঘোরাফেরা করতো বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।
মামলার আট নম্বর আসামি রায়হান (১৯)। বরগুনা কেজি স্কুল সড়কে তার বাসা। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক।
মামলার ৯ নম্বর আসামির নাম মো. হাসান (১৯) । শহরের কলেজ রোড এলাকায় বাসা। ঘটনার পর থেকেই পলাতক।
রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় ১০ নম্বর আসামির নাম রিফাতও (২০)। তার বাড়ি সোনালী পাড়ায়। ঘটনার পর থেকেই সে এলাকা ছাড়া।
সোনালী পাড়ারই আরেক যুবক অলি এই হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামি। হত্যাকাণ্ডের সময় রিফাত শরীফকে বরগুনা কলেজ থেকে টেনে বের করে আনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী গ্রুপের অন্যতম সদস্য ও তাদের সহযোগী। ঘটনার পর থেকেই পলাতক।
মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় (২১)। তার বিষয়ে বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি।
বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, আসামিদের চিহ্ণিত করতে পেরেছি। এরইমধ্যে তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
বরগুনা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল বলেন, এরা এলাকায় চিহ্ণিত মাদক ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন সময় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় আইনে ফাঁক-ফোকর দিয়ে মুক্ত হয়ে যায়। বার বার এধরনের সুযোগ পাওয়ার ফলে এরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
- নির্বাচনি মিছিলে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু
- নির্বাচনের ইতিহাস: প্রাচীন থেকে আধুনিক
- ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে ৪ পদ্ধতি চালু করল ইসি
- ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোনে নিষেধাজ্ঞা
- বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ ৩ শর্তে ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান
- নির্বাচনে তিন সংগীতশিল্পীর যে প্রত্যাশা
- গোপালগঞ্জ–৩: কার হাতে যাচ্ছে হাসিনার আসন
- আমেরিকার ইতিহাসে আলোচিত ১১ নির্বাচন
- ‘আত্মঘাতী’ বইমেলায় অংশ নেবে না ৩২১ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
- নির্বাচনে ছুটি ও রমজানে কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন
- ৫ খাবার নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা
- ফোন রেকর্ড ফাঁস করলেন পরীমণি
- বুলবুলের আচমকা পাকিস্তান সফর নিয়ে মুখ খুললেন ফারুক
- NASA Opens Door to Personal Smartphones in Space
- Seed Paper: A Plantable Paper Turns Waste into Living Green
- বিহারি ক্যাম্পে মিললো একই পরিবারের চারজনের মরদেহ
- ববিতা, শফিক, আইয়ুব বাচ্চুসহ একুশে পদক পাচ্ছেন যারা
- রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ
- বোতলজাত পানির চেয়ে কলের পানি নিরাপদ
- সন্তান জন্ম দিতে দেশ ছাড়ছেন বুবলী!
- চড়া দামে পিএসএলে দল পেলেন মোস্তাফিজ
- আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো: ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন
- নির্বাচনে ভারতসহ বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাহিদের
- আ’লীগ সমর্থকদের পছন্দ বিএনপি, নতুনদের ঝোঁক জামায়াতে
- ঘুমের আগে দাঁত না মাজলে ক্ষতি হতে পারে হৃদ্যন্ত্রের
- রুনা লায়লার বিনিময়ে যা দিতে চেয়েছিল ভারত
- ‘মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়া ভুল হয়েছে বিসিসিআইয়ের’
- শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত
- বাচ্চাদেরও শেখান মানি ম্যানেজমেন্ট
- কাজ পাচ্ছেন না অঙ্কিতা
- Seed Paper: A Plantable Paper Turns Waste into Living Green
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলসে?
- বিহারি ক্যাম্পে মিললো একই পরিবারের চারজনের মরদেহ
- NASA Opens Door to Personal Smartphones in Space
- এপস্টেইন নথিতে নাম নেই যে ৫ প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধানের
- বাচ্চাদেরও শেখান মানি ম্যানেজমেন্ট
- রোজায় ৬৫০ টাকায় মিলবে গরুর মাংস, ৮ টাকায় ডিম
- একসঙ্গে তিন-চারটে প্রেম করার ‘পরামর্শ’ স্বস্তিকার
- আপনার এক্স অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে যা করবেন
- রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ
- ঘুমের আগে দাঁত না মাজলে ক্ষতি হতে পারে হৃদ্যন্ত্রের
- ঢাকা-১১ আসনে লাশের রাজনীতির আশঙ্কা নাহিদের
- নির্বাচনে ভারতসহ বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাহিদের
- নির্বাচনি বিধি ভাঙলে ছাড় নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত
- বদলে যাচ্ছে র্যাবের নাম, পোশাকও পাল্টাবে
- রুনা লায়লার বিনিময়ে যা দিতে চেয়েছিল ভারত
- আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো: ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন
- সন্তান জন্ম দিতে দেশ ছাড়ছেন বুবলী!
- নাহিদের রিট খারিজ, ভোটে থাকবেন বিএনপির কাইয়ুম









