যে রোগের নাম শুনিনি আগে
খায়রুল আনাম
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৬:১৬ ৩১ আগস্ট ২০২১
২০১৮ সালের জুন মাসে প্রয়াত হয়েছেন আমার সহধর্মিণী। মৃত্যুর আগে ছয় বছর bed ridden ছিলেন। তারও আগে অনেকদিন অসুস্থ । যে রোগে মারা গেলেন সে রোগের বিভিন্ন লক্ষণ শুরু হয়েছিল bed ridden হবার প্রায় দু বছর আগে থেকে। প্রথম দিকে বিভিন্ন ডাক্তার এর চিকিৎসা নেয়া হয়। যাদের মধ্যে মেডিসিন এন্ডোক্রাইন অর্থপেডিক বিশেষজ্ঞ উল্লেখ্যোগ্য।
অনেক নামকরা চিকিৎসক গনের চিকিৎসায় রোগ ভালো না হওয়ায় তখন আমি খুব দুশ্চিন্তায় থাকতাম। এ অবস্থায় একরাতে একটা দুঃস্বপ্ন আমাকে খুব বিচলিত করে। যে দুঃস্বপ্নের আমার নিজ ব্যাখা বা অনুভবের সারসংক্ষেপ ছিল রোগী সুস্থ হবে না। সে দুঃস্বপ্নের ব্যাখায় আমি এটাও অনুভব করি যে, রোগটি নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক এর বিষয়।
সে মোতাবেক নিউরোলজি বিভাগের খুব নামকরা চিকিৎসক এর শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। কোনো উন্নতি না হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যে কয়েকজন নামকরা বিশেষজ্ঞ পরিবর্তন করা হয়। শেষে একজনের চিকিৎসা অব্যাহত রাখা হয়। উন্নতি হলোনা। রোগী ততদিনে bed ridden. ক্রমঅবনতিশীল অবস্থায় ভর্তি করা হয় BSMMU তে প্রফেসর সৈয়দ আতিকুল হক এর অধীনে।
তাঁর এবং তাঁর বিভাগের ( রিউম্যাটলজি) বেশ কয়েকজন ডাক্তার ( জনাব শামীম আহমেদ, জনাব শহীদুল্লাহ এবং আরো কয়েকজন) কাছে আমি চিরঋণী। সৈয়দ আতিকুল হক এর নেতৃত্বে এ পর্যায়ে বেশ কয়েকটি বিভাগের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড চিকিৎসা কাজে অবদান রাখেন। অবাক করা বিষয়, সৈয়দ আতিকুল হকের অধীনে কর্মরত চিকিৎসক গন এই প্রথম correct diagnosis করেন যদিও সে রোগ উনাদের বিভাগের আওতায় সরাসরি পড়েনা, সেটা মুলত নিউরোলজি বিভাগের বিষয়।
এরপর চিকিৎসায় রোগীর বেশ উন্নিতি হয়। তবে এটাও বুঝে যাই যে, আমার রোগী সে রোগেই মারা যাবে ; কারণ, সে রোগটি terminal disease, মানে সে রোগ নির্মূল করার চিকিৎসা নাই, সে রোগ কেনো হয় তাও এখন পর্যন্ত অজানা। তবু, চিকিৎসার সাহায্যে রোগীকে ভালো রাখার চেষ্টা করা, মৃত্যু বিলম্বিত করা। তবু, আমি আশা করতাম আমার রোগী সুস্থ হবে।
এর পর কয়েকদফা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, এমনকি ICU তে রেখে চিকিৎসা দিতে হয়েছে। প্রায় ঘোষিত মৃত্যুর পর্যায় থেকে বেঁচে উঠেছেন, আবার অবনতি হয়েছে। শেষাবধি, প্রায় ছয় বছর bed ridden থাকতে থাকতে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। চিকিৎসা কালীন সময়ে কয়েক দফায় প্রায় ছয়মাস হাসপাতালে থেকেছি। বাকী সময় গুলো আমার বাসা মিনি হাসপাতাল ছিল।
রোগীর অভিভাবক ও মেইন এটেন্ডেন্ট হিসেবে অনেক কিছু শিখতে ও করতে হয়েছিল যা নার্স ও আয়া গন করে থাকে। এতোদিন হয়ে গেলো তবু সে সময় গুলো আমাকে ভীষণ আবেগী করে। এখনো প্রচলিত অর্থে স্বাভাবিক হতে পারি নি যদিও বিশ্বাস করি কার কখন মৃত্যু হবে তা শুধু আল্লাহ জানেন এবং আল্লাহর সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হয়। যে তিনজন চিকিৎসক এর নাম উল্লেখ করেছি তাঁদের জন্য গর্ব অনুভব করি এ ভেবে যে, তাঁদের মতো অসাধারণ ভালো মানবিক মানুষ আছেন আমাদের দেশের চিকিৎসা সেবায়। তাদের শ্রদ্ধা জানানোর ভাষা আমার নাই।
আমি যখন তখন গুগলে ঢুকে ঐ রোগ সম্পর্কে study করি। এবং এটাও অনুভব করি যে, diagnosis হওয়ার পর সঠিক চিকিৎসা হয়েছিল। তবে, প্রথম দিকে খ্যাতিমান অনেক চিকিৎসক রোগের সঠিক ধারণা করতে পারেন নি, যেটা আমার একটা দুঃখ বোধ। যে কথা বলতে গিয়ে অনেক কথা বলা হলো। ঐ রোগের নাম multiple system atrophy ( MSA) যা পারকিনসন থেকে কিছুটা আলাদা।
লেখক: খায়রুল আনাম
কবি ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ সরকার
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য

