ঢাকা, ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার, ২০২৬ || ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
good-food

সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে, তদন্তে জোর বিএফআইইউর

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৪:৫৩ ২০ আগস্ট ২০২৬  

দেশের আর্থিক খাতে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের ঘটনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন আর্থিক ও রিপোর্টিং সংস্থা থেকে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) মোট ৩০ হাজার ১৯৯টি সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের প্রতিবেদন (এসটিআর/এসএআর) জমা পড়েছে। 

এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৭৪ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৪-২৫ প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

বিএফআইইউর প্রধান কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুনের সভাপতিত্বে সভায় সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম ও পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, শুধু অভিযোগ পাওয়াই নয়, আর্থিক অপরাধের তথ্য বিশ্লেষণেও তৎপরতা বাড়িয়েছে সংস্থাটি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ১৯৯টি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক গোয়েন্দা প্রতিবেদন বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থায় পাঠানো হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৪২ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। 

এ ছাড়া একই সময়ে অপরাধ দমন ও তদন্তের সুবিধার্থে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারি অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে ১ হাজার ৩২৯টি তথ্য বিনিময় করা হয়েছে। তথ্য বিনিময়ের এ হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে।

বিএফআইইউর কর্মকর্তারা জানান, আর্থিক ব্যবস্থার সুরক্ষা এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নজরদারি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে আমদানি মূল্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূল্যায়ন (ওভার-ইনভয়েসিং) ঠেকানো এবং অবৈধ চ্যানেল বন্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিএফআইইউ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। 

গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএফআইইউ প্রধান আশ্বস্ত করেন যে, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ শনাক্ত ও তা দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।

অপরাধ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর