এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২০:০৮ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা শনাক্তের লক্ষ্যে একটি স্বয়ংক্রিয় ও ইন্টারনেট-সংযুক্ত মশার ফাঁদ তৈরি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের মাইক্রোসিস্টেমস অ্যান্ড ন্যানোইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের মুঈদ রিসার্চ গ্রুপ (জিনোম গাইডেড ভেক্টর কন্ট্রোল অ্যান্ড ইনোভেশন ল্যাব) যৌথভাবে এ যন্ত্রটি তৈরি করেছে।
গবেষণাটি গত ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক সাময়িকী আইইইই ট্রানজ্যাকশনস অন ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড মেজারমেন্টে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।
‘ম্যাস্ট-ক্লাউডনেট’ নামের ফাঁদটি শব্দ দিয়ে মশা টেনে আনে এবং ক্যামেরায় তার ছবি তোলে। এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে দ্রুত জানিয়ে দেয়- ধরা পড়া মশাটি এডিস কি না।
যন্ত্রটি যেভাবে কাজ করে
গবেষকরা জানান, ওড়ার সময় স্ত্রী এডিস মশার ডানা থেকে এক ধরনের শব্দ তৈরি হয়। এই শব্দ শুনে পুরুষ এডিস মশা স্ত্রী মশার দিকে ছুটে যায়। ফাঁদটি মশার এই স্বভাবকেই কাজে লাগায়। এটি ৩৫০ থেকে ৫০০ হার্জ কম্পাঙ্কের এমন একটি শব্দ বাজায়, যা শুনতে স্ত্রী এডিস মশার ডানার শব্দের মতো। শব্দে আকৃষ্ট হয়ে পুরুষ এডিস মশা কাছে এলে ফাঁদের ভেতরের একটি ফ্যান সেগুলোকে টেনে নিয়ে হলুদ আঠালো কাগজে আটকে ফেলে।
এরপর ফাঁদের ভেতরে বসানো ক্যামেরা ধরা পড়া মশার ছবি তুলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভারে পাঠায়। সেখানে একটি এআই মডেল ছবি দেখে মশার প্রজাতি শনাক্ত করে এবং সংখ্যা গুনে রাখে। ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে একটি ওয়েব ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়। ফলে ফাঁদের কাছে না গিয়েও দূর থেকে জানা যায়, কোন এলাকায় কতগুলো এডিস মশা ধরা পড়ছে।
গবেষকরা আরও জানান, মানুষকে কামড়ায় স্ত্রী মশা, পুরুষ মশা কামড়ায় না।
তবে গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, পুরুষ মশা স্ত্রী মশার আগে পূর্ণবয়স্ক হয় এবং মশার প্রজননস্থলের কাছাকাছি থাকে। তাই কোনো এলাকায় পুরুষ এডিস মশার সংখ্যা বাড়তে থাকলে বোঝা যায়, সেখানে নতুন করে এডিস মশা জন্ম নিচ্ছে। এটি ডেঙ্গুর ঝুঁকির আগাম সংকেত হিসেবে কাজ করতে পারে।
পরীক্ষায় পাওয়া তথ্য
গবেষণাগারে খাঁচার ভেতরে পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, শব্দযুক্ত ফাঁদটি একই ধরনের শব্দহীন ফাঁদের তুলনায় গড়ে প্রায় পাঁচগুণ বেশি এডিস মশা ধরেছে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে খোলা জায়গায় টানা তিনদিন ফাঁদটি পরীক্ষা করা হয়। ওই সময় ভারী বৃষ্টি, ঝোড়ো বাতাস ও শহুরে কোলাহল থাকলেও যন্ত্রটি বন্ধ হয়নি। এই তিনদিনে ফাঁদে ৪৯টি এডিস মশা ধরা পড়ে।
গবেষকরা জানান, যন্ত্রাংশ মিলিয়ে প্রতিটি ফাঁদ তৈরিতে খরচ পড়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা। অথচ মশা জরিপে প্রচলিত সিডিসি লাইট ট্র্যাপের দাম প্রায় ২৫ হাজার টাকা এবং বিজি-সেন্টিনেল ট্র্যাপের দাম প্রায় ২০ হাজার টাকা। একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার একসঙ্গে অনেকগুলো ফাঁদের তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই ফাঁদের সংখ্যা যত বাড়বে, প্রতিটি ফাঁদ চালানোর খরচ তত কমবে। বিদ্যুৎ চলে গেলেও ব্যাটারির সাহায্যে ফাঁদটি প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা চালু থাকতে পারে।
গবেষকদের মতে, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল পাওয়া গেছে। তবে বড় পরিসরে ব্যবহারের আগে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন। এজন্য ২০২৭ সালের জুন-জুলাই মাসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ১০ থেকে ১৫টি ফাঁদ বসানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোন এলাকায় এডিস মশা বাড়ছে, তার একটি আগাম মানচিত্র তৈরি করা যাবে।
তারা জানান, ভবিষ্যতে ফাঁদটিকে সৌরশক্তিতে চালানোর বিষয়ে গবেষকদের পরিকল্পনা রয়েছে। ওয়াই-ফাই ছাড়াই দূর পর্যন্ত তথ্য পাঠাতে এতে দীর্ঘ-পরিসরের রেডিও তরঙ্গভিত্তিক সংযোগ যুক্ত করা হবে। এছাড়া ফাঁদটিকে রোদ-বৃষ্টি সহনশীল করার কাজও চলছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষকরা এই গবেষণা কাজে যুক্ত ছিলেন।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য













