খুলনায় বিরল প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৭:০৯ ৩ জুন ২০২৬
খুলনা নগরীতে বিরল প্রজাতির একটি প্রাণীর সন্ধান মিলেছে। এটি দেখতে অনকটা কাঠবিড়ালির মত হলেও কাঠবিড়ালি নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। গতকাল (২ জুন) মঙ্গলবার নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া ২নং ক্রস রোডস্থ একটি বাড়ির নারকেল গাছ থেকে প্রাণীটি নিচে পড়ে যায়।
ফটো সাংবাদিক এমএম মিন্টুর স্ত্রী লাভলি বেগম প্রাণীটিকে উদ্ধার করে তার বাসায় হেফাজতে রেখেছেন। তিনি ওই বাসাতেই ভাড়া থাকেন। সেখানেই আদর-যত্নে রয়েছে প্রাণীটি। প্রাণীটি পানি পান করছে। ভাত খাচ্ছে। খাচ্ছে আম-কাঁঠাল ও কলাসহ নানা ফলমূল। প্রাণীটি হস্তান্তরের জন্য খুলনার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগকে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে প্রাণীটির বিভিন্ন নাম পাওয়া গেছে। এগুলো হচ্ছে, দুর্লভ প্রজাতির সুগার গ্লাইডার (পেটাউরাস ব্রেভিসেপস), ইন্ডিয়ান পাম্প সিভেট ও গন্ধগোকুল (এশিয়ান প্লাম সিভেট)।
সাংবাদিক এম এম মিন্টু বাসসকে জানান, গতকাল তার বাসার একটি নারকেল গাছ থেকে প্রাণীটি নিচে পড়ে যায়। এ সময় একটি বিড়াল প্রাণীটির ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা করে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তার স্ত্রী গৃহিণী লাভলি বেগম এ প্রাণী উদ্ধার করে ঘরে নিয়ে খেতে দেন এবং আদর-যত্ন করেন। তাকে আম, কাঁঠাল খেতে দেওয়া হচ্ছে। এটি পুনর্বাসনের জন্য বন বিভাগে খবর দেওয়া হয়েছে। দেখতে অনেকেই তার বাসায় ভিড় করছেন।

প্রাণীবিদদের মতে, সুগার গ্লাইডার (পেটাউরাস ব্রেভিসেপস) একটি ছোট, নিশাচর মাসুপিয়াল। যা অস্ট্রেলিয়া, নিউ গিনি এবং ইন্দোনেশিয়ায় পাওয়া যায়। এরা প্যাটাগিয়াম নামক একটি ঝিল্লি ব্যবহার করে গাছ থেকে গাছে উড়ে বেড়ানোর ক্ষমতার জন্য পরিচিত। যা তাদের সামনের পা থেকে পেছনের পা পর্যন্ত বিস্তৃত। যদিও বন্য পরিবেশে গাছের রস এবং মধুর প্রতি তাদের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে, তবে বন্দী অবস্থায় তাদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর, সুষম খাদ্য তালিকা বজায় রাখা কঠিন। তাদের পুষ্টিজনিত রোগও সাধারণ। সুগার গ্লাইডাররা অত্যন্ত সামাজিক প্রাণী। এরা দলে বাস করে এবং তাদের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়, যা তাদের পোষা প্রাণী হিসেবে পালনকে বেশ কঠিন করে তোলে।
সুগার গ্লাইডারের সামনের ও পেছনের পায়ের মাঝখানে একটি পাতলা চামড়ার পর্দা (প্যাটাজিয়াম) থাকে। এর সাহায্যে এরা এক গাছ থেকে অন্য গাছে প্রায় ১৫০ ফুট (৫০ মিটার) পর্যন্ত বাতাসে ভেসে বা গ্লাইড করে যেতে পারে। লেজসহ এদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি হয় এবং ওজন মাত্র ৯৫ থেকে ১৬০ গ্রামের মতো হয়ে থাকে। এদের কপালে ও পিঠে একটি গাঢ় ডোরাকাটা দাগ থাকে। দিনের বেলা এরা ঘুমিয়ে কাটায় এবং রাতের আঁধারে খাবার ও শিকারের সন্ধানে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্লাইডাররা অত্যন্ত সামাজিক প্রাণী। বন্য পরিবেশে এরা ৫ থেকে ১২টি গ্লাইডারের দলে (কলোনিতে) বাস করে। একা রাখলে এরা চরম বিষণ্নতায় ভুগতে পারে। প্রকৃতিতে এরা মূলত গাছের রস, মিষ্টি ফুলের মধু, পরাগ এবং ছোট ছোট পোকামাকড় খেয়ে জীবনধারণ করে। এদের খাদ্যতালিকায় ক্যালোরি ও পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা খুব জরুরি। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত পশুচিকিৎসার মাধ্যমে এরা সাধারণত ১২ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। বাসায় পোষার জন্য এদের বড় খাঁচা, লুকানোর জায়গা, সঠিক ডায়েট এবং সবসময় সঙ্গ দেওয়ার জন্য অন্তত এক জোড়া সুগার গ্লাইডার প্রয়োজন হয়।

গন্ধগোকুল (এশিয়ান প্লাম সিভেট) বা সুগার গ্লাইডার হলো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি নিশাচর স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী। এটি বিড়ালের মতো দেখতে হলেও মূলত বিড়াল প্রজাতির নয়। এর শরীর থেকে পোলাও চালের মতো এক ধরনের মিষ্টি সুগন্ধ বের হওয়ার কারণে এটি বিশেষভাবে পরিচিত। এদের শরীর সাধারণত ৪৮-৫৯ সেন্টিমিটার এবং লেজ ৪৪-৫৩ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। ওজন ২ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এটি গাছখাটাশ, তালখাটাশ, ভোন্দর, নোঙর, সাইরেল, ল্যঞ্জা বা পোলাও প্রাণী নামে পরিচিত। তবে এটি গন্ধগোকুলও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গন্ধগোকুলের লেজের গোড়ায় একটি বিশেষ গ্রন্থি থাকে। চলাচলের সময় এই গ্রন্থি থেকে এক ধরনের রস নিঃসৃত হয়, যা থেকে কস্তুরী বা পোলাও চালের মতো তীব্র সুগন্ধ ছড়ায়। এই গন্ধের মাধ্যমে এরা মূলত নিজেদের এলাকা বা সীমানা চিহ্নিত করে।
খুলনার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল বাসসকে বলেন, এ প্রাণীটি গন্ধগোকুলও হতে পারে। তবে, উদ্ধার করে দেখার পর বোঝা যাবে। প্রাণীটি এ অঞ্চলে বিলুপ্ত প্রায়।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য

