নির্বাচনী টুকিটাকি এবং বাড়াবাড়ি
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৯:৪৯ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮
ছবি সংগৃহীত
দ্রুত নির্বাচন এগিয়ে আসছে এবং আমরা সেই নির্বাচনের উত্তেজনা এবং তাপ অনুভব করতে শুরু করেছি। তবে সেই উত্তেজনা এবং তাপের প্রায় পুরোটুকুই আসছে রাজনৈতিক দল এবং মনোনয়ন প্রত্যাশীদের থেকে। সাধারণ ভোটারদের ভেতর আপাতত এক ধরনের কৌতুহল এবং কারো কারো ভেতর এক ধরণের শংকা ছাড়া অন্য কিছু কাজ করছে বলে মনে হয় না। আমি সব সময়েই আশা করে থাকি যে, একটি সময় আসবে যখন ভোট নিয়ে আমাদের আগ্রহ এবং কৌতুহল থাকবে কিন্তু কোনো শংকা থাকবে না। কারণ আমরা আগে থেকে জানব, যে দলই আসুক সেই দলই হবে অসাম্প্রদায়িক, আধুনিক প্রগতিশীল এবং দেশ প্রেমিক, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল সেই স্বপ্নে বিশ্বাসী। তখন দিনের বেলা ভোট দিয়ে আমরা রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে যাব, ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে আমরা দেখব কারা এই বছর সরকার গঠন করছে!
এ বছরে নির্বাচনের শুরুতে যে বিষয়টা আলাদা ভাবে সবার চোখে পড়েছে সেটি হচ্ছে বড় দল থেকে নির্বাচন করার আগ্রহ। বড় দলের তিনশ সিটের জন্য চার হাজার থেকে বেশি মনোনয়ন প্রত্যাশী। এমন নয় যে একটি ফর্ম পূরণ করে জমা দিলেই হয়ে গেল, এর জন্যে রীতিমত ভালো টাকা খরচ করতে হয়, তারপরও প্রার্থীর কোনো অভাব নেই। প্রার্থীরা যে একা আসছেন তাও নয় রীতিমত দলবল নিয়ে আসছেন, পার্টি অফিস এবং তার আশে পাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য। ক্ষমতা দেখানোর জন্য মারামারি গাড়ি পোড়ানো কিছুই বাকী নেই। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় হেলমেট পরে মারামারি করার একটা নূতন ধারা শুরু হয়েছে, মনে হয় এখন থেকে আমরা প্রায়ই এটা দেখতে পাব। (সরকারি দল না হলে অবশ্যই এই টেকনিক ভালো কাজ করে না, পুলিশ ধরে ফেলতে পারে, তখন এক ধরনের বেইজ্জুতি হয়!)
প্রশ্ন হচ্ছে সাংসদ হওয়ার জন্যে সবার এতো আগ্রহ কেন? যদি এরকম হতো যে একটা আদর্শের ধারক হয়ে দেশ সেবার জন্যে আগ্রহ তাহলে অবশ্যই আমরা খুশি হতাম। কিন্তু মনে হচ্ছে ব্যাপারটা সেরকম কিছু নয়, সাংসদ হতে পারলে অনেক ক্ষমতা এবং সেই ক্ষমতার সঙ্গে সঙ্গে অর্থবিত্ত, ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসে এবং সেটাই মূল আগ্রহ। আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত সেটা নিয়ে দু:খ করে বলেছেন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী হতে হলে সেই বিষয়ে লেখাপড়া করতে হয়, কিন্তু সাংসদ হতে হলে কিছ্ইু করতে হয় না। সারা জীবন ব্যবসা করে, না হয় আমলা থেকে রিটায়ার করার পর কোনো দলের টিকেট নিয়ে সাংসদ হয়ে যাওয়া যায়! আমি তার সঙ্গে পুরোপুরি একমত, আমিও মনে করি যিনি সারা জীবন নিজের এলাকায় রাজনীতি করেছেন, একেবারে তৃণমূল থেকে উঠে এসেছেন শুধু তাদেরই মনোনয়ন পাওয়া উচিৎ।
মনোনয়ন দেওয়ার পর যারা মনোনয়ন পাননি তাদের কর্মকাণ্ড আরেকটি দর্শনীয় বিষয় ছিল। একজন মনোনয়ন না পেয়ে যদি বুক চাপড়ে কান্নাকাটি করেন আমি সেটা পর্যন্ত বুঝতে পারব। কিন্তু মনোনয়ন না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে রাস্তা ঘাট বন্ধ করে সবকিছু অচল করে দেওয়ার ব্যাপারটা কিছুতেই বুঝতে পারি না। যিনি দলের মনোনয়ন না পেয়ে নিজের এলাকার মানুষকে জিম্মি করে ফেলেন, তিনি নিজের মানুষের জন্যে কী কাজ করবেন অনুমান করা খুবই কঠিন। শুধু তাই নয়, যারা একটু চালাক-চতুর তারা ঝটপট ফুল হাতে অন্য দলে যোগ দিয়ে সেখান থেকে মনোনয়ন নিয়ে যাচ্ছেন। নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হয় না। রাজনৈতিক আদর্শ বলে তাহলে কিছু নেই?
এতোদিন আমরা নিয়োগ বাণিজ্য বলে একটা কথা শুনে এসেছি, আমাদের মতো ‘সৌভাগ্যবান’ মানুষ সেগুলো অল্প বিস্তর দেখেও এসেছি। এই বছর আমার শব্দ ভাণ্ডারে ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’ নামে একটা নূতন শব্দ যোগ হয়েছে! নিজের রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দলের কর্তা ব্যক্তিদের ঘুষ দেওয়া হচ্ছে মনোনয়ন বাণিজ্যের কার্য পদ্ধতি। জাতীয় পার্টি এই নূতন অভিযোগে অভিযুক্ত। যিনি ঘুষ দিয়েও মনোনয়ন পাননি তিনি স্বয়ং এই অভিযোগ করেছেন আমার হিসেবে একেবারে ‘হই হই কাণ্ড রই রই ব্যাপার’ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সেরকম কিছু দেখছি না। কিংবা কে জানে রাজনীতির বেলায় এগুলো নেহায়েতই স্বাভাবিক ব্যাপার, আমাদেরই কমনসেন্সের অভাব বলে বুঝতে পারছি না।
‘স্বশিক্ষিত’ বলে আরেকটা নূতন শব্দের সঙ্গে এবারে পরিচিত হলাম। এতোদিন জেনে এসেছি যে কোনো শিক্ষিত মানুষই হচ্ছে স্বশিক্ষিত, কারণ শিক্ষার কোনো ট্যাবলেট নাই, যেটা পানি দিয়ে খেলেই আমরা শিক্ষিত হয়ে যাই। সবারই নিজের লেখাপড়া করতে হয় শিখতে হয় এবং স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা দিতে হয়। শিক্ষিত মানুষ মানেই স্বশিক্ষিত মানুষ।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলে একজন সম্ভবত সেটা জানাতে সংকোচ বোধ করেন সে জন্যে এই শব্দটি ব্যবহার করেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেই একজনকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে রাজী নই। ম্যাক্সিম গোর্কীর ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে অসাধারণ একটি বই আছে, বইটি পড়ার সময় আমি ভেবেছিলাম সেটি তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কাহিনী। পড়ার পরে বুঝেছিলাম তিনি মোটেও বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেননি। এই পৃথিবীটা ছিল তার বিশ্ববিদ্যালয়, তিনি পৃথিবীতে তার কঠোর একটা জীবন থেকে সবকিছু শিখেছিলেন। যারা রাজনীতি করেন, প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই কিন্তু আজীবন গণ মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করেছেন সেটি আমার কাছে বিন্দুমাত্র অগৌরবের কিছু নয়।
নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের হলফনামা প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। সবাইকে নিজের ধন সম্পদের বর্ণনা দিতে হচ্ছে। আমি খুবই আগ্রহ নিয়ে সেগুলো পড়ছি। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে কাজেই দশ বছর আগে একজনের যত ধন সম্পদ যত ছিল এতোদিনে সেটা বাড়তেই পারে। কিন্তু যখন দেখি দশগুণ বেড়ে গেছে তখন একটু চমকে উঠি। তবে যখন দেখি স্বামী বেচারা এখনো টেনে টুনে দিন কাটাচ্ছে, কিন্তু স্ত্রীর ব্যাংকে টাকা রাখার জায়গা নেই- তখন একটুখানি কৌতুক অনুভব করি। আশা করছি, স্ত্রীরা বিপদে আপদে তাদের স্বামীদের টাকা পয়সা দিয়ে একটু সাহায্য করবেন।
এতোক্ষণ যে সব বিষয় নিয়ে কথা বলেছি সেগুলো ছিল টুকিটাকি বিষয় এবারে বাড়াবাড়ি বিষয় নিয়ে একটু কথা বলি।
আমরা সবাই লক্ষ্য করেছি কিছুদিন আগে বিএনপি এর একজন দায়িত্বশীল মানুষ বলেছেন যে, জামায়াতে ইসলামীতেও মুক্তিযোদ্ধা আছেন। সংবাদ মাধ্যমে কথাটি পড়ে আমি কী হাসব নাকী কাঁদব বুঝতে পারছিলাম না। এই দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে যার বিন্দুমাত্র জ্ঞানও আছে সেও জানে ১৯৭১ সালে জামায়েতে ইসলামী এই দেশের স্বাধীনতা বিরোধিতা করেছিল, শুধুমাত্র মৌখিক বিবৃতি দিয়ে বিরোধিতা নয়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। আক্ষরিক অর্থে মুক্তিযোদ্ধাদের জবাই করেছিল। তাদের তৈরি বদর বাহিনী স্বাধীনতার পূর্ব মুহূর্তে এই দেশের কবি সাহিত্যিক-ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-সাংবাদিকদের হত্যা করেছে। বধ্যভূমি থেকে উদ্ধার করা সেইসব বুদ্ধিজীবীদের মৃতদেহে ছিল অবিশ্বাস্য নিষ্ঠুরতার ছাপ, যিনি হৃদরোগের চিকিৎসক তার বুক চিরে হৃৎপিণ্ড বের করে আনা হয়েছে, যিনি চক্ষু চিকিৎসক তার চোখ খুবলে নেয়া হয়েছে, যিনি লেখক তার হাত কেটে নেয়া হয়েছে। সেই সব মুহূর্তের কথা চিন্তা করলে এখনো আমরা শিউরে উঠি।
তারপর দীর্ঘদিন কেটে গেছে, পৃথিবীর অন্য যেকোনও দেশে স্বাধীনতা বিরোধীরা রাজনীতি করার সুযোগ পায় না। আমাদের অনেক বড় দুর্ভাগ্য তারা শুধু যে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে তা নয়, বিএনপি এর হাত ধরে তারা ক্ষমতার অংশ হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে তারা কখনো এই দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চায়নি, কখনো বলেনি যে একাত্তরে তারা ভুল করেছিল। তাই যখন কেউ বলে জামায়াতে ইসলামীতে মুক্তিযোদ্ধা আছে তখন আমি চমকে উঠি। সত্যি যদি কোনো মুক্তিযোদ্ধা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে থাকেন তার অর্থ এই নয় যে জামায়াতে ইসলামী এখন মুক্তিযুদ্ধের ধারক বাহক হয়ে গেছে। বুঝতে হবে সেই মুক্তিযোদ্ধার মতিভ্রম হয়েছে। আমাদের চারপাশে এখন এরকম অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছেন, আমরা তাদের দেখি এবং দীর্ঘশ্বাস ফেলি।
বিএনপি নির্বাচন করার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়েছে, দেশের অনেক বড় রাজনীতিবিদরা তার মাঝে কোনো দোষ খুঁজে পাননি। জামায়াতে ইসলামীর মতোই তারাও ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। আমরা সেগুলো মেনে নিতে পারি কিন্তু জামায়াতে ইসলামীকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য তাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধারা আছে সেরকম ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করবেন সেটা আমরা কখনো মেনে নেব না।
আমি চাই আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্ম দায়িত্ব নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী এই রাজনৈতিক দলটিকে এই দেশে পুরোপুরি গুরুত্বহীন একটি সংগঠনে পাল্টে দিক।
এবারে সম্পূর্ণ একটা ভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলি। যখন এই লেখাটা লিখছি তখন হঠাৎ করে দেখলাম ভিকারুননিসা স্কুলের একটি কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। এই বয়সী ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আমি সব সময়েই এক ধরনের আত্মার সংযোগ অনুভব করি। খবরটি পড়ে আমার মনে হয়েছে, আহা অভিমানী এই কিশোরীটির সঙ্গে আমি যদি একটিবার কথা বলার সুযোগ পেতাম তাহলে তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলতে পারতাম, পৃথিবীটা অনেক বিশাল, একটা মানুষের জীবন তার থেকেও বিশাল। সবার জীবনেই কখনো না কখনো দুঃখ-হতাশা-লজ্জা-অপমান আসে সেগুলো দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে এগিয়ে যেতে হয় কারণ সবকিছুর পর এই জীবনটি অনেক সুন্দর।
আমি তাকে কিছু বলতে পারিনি, সারা পৃথিবীর উপর তীব্র একটা অভিমান নিয়ে সে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে। আমি নিজে তীব্র অপরাধবোধে ভুগছি, মনে হচ্ছে তার মৃত্যুর জন্যে আমিও বুঝি কোনো না কোনোভাবে দায়ী। বড় মানুষদের আমরা শুধু শাসন করতে শিখিয়েছি, ছেলে-মেয়েদের ভালোবাসতে শিখাইনি।
কেউ কী জানে না যদি তাদেরকে গভীর মমতা দিয়ে ভালোবাসা যায় তাহলে শুধুমাত্র ভালোবাসার মানুষটি যেন মনে কষ্ট না পায় সেজন্যে তারা কখনো কোনো অন্যায় করে না? কেউ কী জানে না এই বয়সটি কী অসম্ভব স্পর্শকাতর একটি বয়স? কেউ কী জানে না অপমানের জ্বালা কতো তীব্র? কেউ কী জানে না পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ ব্যবহার করেও একটি হারিয়ে যাওয়া প্রাণকে ফিরিয়ে আনা যায় না?
অরিত্রী, আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই। আমরা তোমাকে এই পৃথিবীতে বাঁচতে দিইনি।
- Workshop Shows Community-Led Climate Adaptation in Narayanganj
- তথ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- বাংলা নতুন বছরে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন
- ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ
- ঈদের আগে জ্বালানি সংকট কাটলো
- না খেয়েও বাড়তে পারে ব্লাড সুগার, জেনে নিন ৪ কারণ
- শাহরুখের সংগ্রামের অজানা কাহিনি শোনালেন হিমানি
- কবে ফিরবেন সাকিব? পডকাস্টে নিজেই দিলেন উত্তর
- ব্রয়লারের দামে বড় লাফ, সবজি স্থির
- প্রথম দিন ওয়াকআউট না করলেই ভালো হতো: স্পিকার
- সোনা কেনার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
- পুলিশ হত্যায় আসিফসহ ৪২ জনের নামে মামলার আবেদন
- মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত
- ব্যাটিং পজিশন নিয়ে আমার মতো কেউ ত্যাগ স্বীকার করেনি
- ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়ল দীপিকার ওপর
- ব্যালটে তারুণ্যের গর্জন: নেপালের নেতৃত্ব দেবেন বালেন্দ্র শাহ
- Practical Action Launches Plastic Waste Awareness in Narayanganj
- এপস্টেইন ফাইলস নিয়ে মুখ খুললেন আমির
- শিক্ষার্থী তুলনায় ৭৫ লাখ অতিরিক্ত বই বিতরণ
- সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ, প্রতিবাদ ও ওয়াক আউট বিরোধী দলের
- মাইগ্রেন কমাতে যে ১০ নিয়ম মানতে হবে
- খালেদা জিয়া, খামেনিসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব
- জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার
- লিটন নাকি রিজওয়ান: ১০ হাজার রানে আগে পৌঁছাবেন কে?
- ইতিকাফে নারীরা কী করতে পারবেন, কী পারবেন না
- বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ নির্বাচনে গণভোট থাকছে না
- ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল-অকটেন সরবরাহ বাড়ল
- বিজয়-তৃষার প্রেম নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে
- ঈদে সাশ্রয়ী শপিং করবেন যেভাবে
- ২০৯ বল হাতে রেখে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ
- Practical Action Launches Plastic Waste Awareness in Narayanganj
- ইচ্ছাশক্তি বাড়াবেন? জেনে নিন এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি
- ঈদে সাশ্রয়ী শপিং করবেন যেভাবে
- বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই’
- সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার ‘অনুমতি’, ট্রাম্পের ওপর চটলেন কমল হাসান
- শঙ্কা কাটিয়ে ঢাকায় পাকিস্তান ক্রিকেট দল
- ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
- মেয়ে সানা নাকি বউ ডোনা, সৌরভের বিগ বস কে?
- মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত
- সোনা কেনার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
- ব্রয়লারের দামে বড় লাফ, সবজি স্থির
- জ্বালানি তেলের সংকট নেই, দাম বাড়বে না: প্রতিমন্ত্রী
- সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ, প্রতিবাদ ও ওয়াক আউট বিরোধী দলের
- বিশ্বজয়ী পান্ডিয়াদের ১৩১ কোটি রুপি বোনাস দিচ্ছে বিসিসিআই
- জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার
- ২০৯ বল হাতে রেখে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ
- এপস্টেইন ফাইলস নিয়ে মুখ খুললেন আমির
- অ্যাকশনে মেহজাবীন ও প্রীতম
- খালেদা জিয়া, খামেনিসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব

