ঢাকা, ০৫ ফেব্রুয়ারি রোববার, ২০২৩ || ২২ মাঘ ১৪২৯
good-food
১৩৩

পরিবারে পুত্রের চেয়ে কন্যার প্রয়োজন বেশি, কেন জানেন?

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১২:২২ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২  

কন্যা সন্তান হলো দেবদূতের মতো। যে পরিবারে আসে সেই বাড়ি অফুরন্ত আনন্দ ও ভালবাসায় ভরে ওঠে। পরিবারে সর্বদা সৌভাগ্য বিরাজ করে। কন্যা বাবার হৃদয়ে বাস করে। মায়ের সত্যিকারের বন্ধু হয়ে ওঠে। বাবা-মায়ের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ কন্যা। কন্যার জন্ম বাবা-মায়ের জীবনকেও অনেকাংশে বদলে দেয়।

 

বড় হয়েও পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় কন্যা। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি এবং বাবার বাড়ি উভয় স্থানে সমান দায়িত্ব পালন করে। সর্বদা সবাইকে খুশি রাখতে এবং যেকোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে কন্যা। তাই, যদি আপনার এ সন্তান থাকে তাহলে আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ।

 

পুত্র নাকি কন্যা, সন্তান হিসেবে কে সেরা তা নিয়ে প্রায়ই বিতর্ক হয়। এখানে কয়েকটি কারণ দেয়া হলো, যা বুঝতে সাহায্য করবে পুত্রের চেয়ে কন্যা সন্তান কেন ভালো-

 

# কন্যার মতো বাবা-মা ও ভাই-বোনদের কেউ যত্ন করে না। কন্যা সন্তান সর্বদা পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের প্রতি খেয়াল রাখে এবং তাদের যত্ন নেয়। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়। মুখ বুজে নিজের সব কর্তব্য পালন করে। কোনও পরিস্থিতিতেই পরিবারের হাত ছাড়ে না।

 

# গোটা পরিবারকে একই সূত্রে বেঁধে রাখে কন্যা। সে-ই পারে গোটা পরিবারকে একই সূত্রে বেঁধে রাখতে। যেকোনও পারিবারিক সমস্যাই এক চুটকিতে সমাধান করে দেয় ও। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আড্ডা দেয়া, ঘুরতে যাওয়া, পিকনিক করা - এই সবকিছুর বন্দোবস্ত করে কন্যা।

 

#পরিবারের সবাইকে সুখী করতে জানে কন্যা। পরিবারের সবাইকে কীভাবে সুখী করতে হয় তা তারা জানে। কন্যা সন্তান স্নেহপরায়ণ। তারা সবাইকে সন্তুষ্ট করতে পারে। সবার প্রশংসা করতে এবং সবাইকে খুশি রাখতে পারে কন্যা।

 

# স্পেশাল দিনগুলো কখনই ভুলে যায় না কন্যা। পিতা-মাতার জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকী, ভাই-বোনের জন্মদিন, এমনকি বাড়ির পোষ্যর জন্মদিনও তারা সবসময় মনে রাখে। সে মতো আয়োজন করে।

 

# একজন ভালো শ্রোতা কখনও নিঃসঙ্গ বোধ করেন না। আপনি ভাগ্যবান, যদি আপনার কোনও কন্যা থাকে। কারণ তার কাছে আপনি আপনার সব কষ্ট-দুঃখ বা মনের কথা শেয়ার করতে পারেন। সর্বদা সে আপনার কথা শুনতে প্রস্তুত।

 

# বিবাহের পরেও বদলায় না কন্যা। বিবাহের পরেও তারা কখনই বদলায় না। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি এবং বাবার বাড়ি উভয় স্থানেই সমান দায়িত্ব পালন করে।