ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, ২০২৬ || ৭ ফাল্গুন ১৪৩২
good-food

যুক্তরাষ্ট্রের ‘অস্ত্র’ কিনতে বাংলাদেশকে তাগিদ ট্রাম্পের

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৭:৫৪ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার হোয়াইট হাউজ থেকে পাঠানো চিঠিতে ট্রাম্প এই বার্তা দেন।

ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এই চুক্তিগুলো চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক বিশ্বের সেরা ও উচ্চমানের সামরিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) চিঠিটি প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর এই বিজয়কে ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ডোনাল্ড। একই সাথে মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য কামনা করেন তিনি।

প্রতিরক্ষা প্রসঙ্গে ট্রাম্প লিখেন, “আমি আশা করি আপনি সেই সব রুটিন প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পন্ন করতে দ্রুত ও নির্ণায়ক পদক্ষেপ নেবেন। যা শেষ পর্যন্ত আপনার সামরিক বাহিনীকে বিশ্বের সেরা অত্যাধুনিক আমেরিকান সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে।”

বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করা হলে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

চিঠিতে দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে ট্রাম্প লিখেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং অভিন্ন স্বার্থের ওপর প্রতিষ্ঠিত। একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম দেশগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা এই সম্পর্কের অন্যতম লক্ষ্য।”

বাণিজ্যিক সম্পর্কের গতি বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি আরও বলেন, “মেয়াদ শুরুর এই সময়ে আমি আশা করি, আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাণিজ্যিক সম্পর্কের গতি ধরে রাখতে আপনি আমাকে সহায়তা করবেন। এই চুক্তি আমাদের উভয় দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য কল্যাণকর হবে।”

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ওপর তার পূর্ণ আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।