‘মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই’
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৪:২০ ৩১ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যকার নতুন ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোট ‘মক্কা চুক্তি’ (মক্কা প্যাক্ট)-তে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা ইতিবাচক হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ ও কৌশলগত নিরাপত্তাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
‘ভয়েস ফর রিফর্ম’-এর উদ্যোগে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান: কৌশলগত জাতীয় নিরাপত্তার হিসাব-নিকাশ’ শীর্ষক এ গোলটেবিল আলোচনায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে মূল বক্তব্য দেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সাবেক উপ-প্রধান ও অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ মার্কিন কূটনীতিক জন এফ ড্যানিলোউইজ।
বক্তব্যের শুরুতেই জন ড্যানিলোউইজ স্পষ্ট করেন, তিনি কোনো দেশের সরকার বা নির্দিষ্ট পক্ষের হয়ে কথা বলছেন না। মক্কা চুক্তির বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “সবার আগে মনে রাখা দরকার, বাংলাদেশকে এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার জন্য এখনও কেউ আমন্ত্রণ জানায়নি। তবে কোনো প্রতিরক্ষা জোটে যাওয়া বা শত কোটি ডলার খরচ করে উন্নত যুদ্ধবিমান কেনার মতো সিদ্ধান্ত একটি গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিকদের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনার বিষয়।”
যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ ও ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ড্যানিলোউইজ জানান, ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধক্লান্ত। আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব নিলে যুক্তরাষ্ট্র এটিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখে। তিনি বলেন, “সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান—তিনটি দেশের সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটিকে দ্রুত স্বাগত জানিয়েছেন। তবে এটি হোয়াইট হাউস বা পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির চেয়ে ব্যক্তিগত স্তরের সমর্থন থেকেই বেশি এসেছে।”
ভারত ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি এক স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, “মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরে কোনো অংশীদার যদি মনে করে ওয়াশিংটন ভারতের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে শঙ্কিত ছিল, তবে তা ভুল। ট্রাম্প প্রশাসন অন্তত এ চুক্তির ক্ষেত্রে ভারত কী ভাবল, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথা ঘামায়নি। তবে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, চুক্তির প্রভাব নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট দিকগুলো মার্কিন বিশ্লেষকদের নজরে থাকবে।”
মক্কা চুক্তির সম্মিলিত প্রতিরক্ষাকে ন্যাটোর সঙ্গে তুলনা করার বিষয়ে সতর্ক করে এই সাবেক মার্কিন কূটনীতিক বলেন, “ন্যাটোর ৫ নম্বর ধারা ইতিহাসের মাত্র একবার ২০০১ সালের নাইন-ইলেভেনের পর সক্রিয় হয়েছিল। কোনো সদস্য আক্রান্ত হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুদ্ধে জড়াতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্ত, পার্লামেন্টের অনুমোদন ও আইনি প্রক্রিয়া থাকে। একইভাবে পাকিস্তান এই জোটে থাকার অর্থ এই নয় যে তারা নিজের পরমাণু ছাতা অন্যদের ওপর মেলে ধরবে।”
বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি নিয়ে ড্যানিলোউইজ বলেন, “যে দলই ক্ষমতায় থাকুক বা জাতীয় সুরক্ষার প্রশ্ন আসুক, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি বাস্তবায়ন করতে হলে সব পক্ষের সুবিধা ও অসুবিধা সমানভাবে ওজন করতে হবে। শুধু সুবিধার তালিকা সাজিয়ে বা কেবল ঝুঁকি দেখিয়ে একপেশে যুক্তি দাঁড় করানো কোনো টেকসই সমাধান নয়।”
আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাহাব এনাম খান, অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা গবেষকরা। সভা সঞ্চালনা করেন ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’-এর সহ-সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য













