ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার, ২০১৯ || ২ আশ্বিন ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
৬৯

মাধ্যমিকে যৌন-প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা চালু হচ্ছে

প্রকাশিত: ১৫:০৭ ২২ আগস্ট ২০১৯  


দেশের সব স্কুল-মাদ্রাসায় মাধ্যমিক পর্যায়ে  যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যশিক্ষা কার্যক্রম চালু হচ্ছে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে সফলতা আসায় পাঁচ জেলায় ২৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলতি বছর এ কার্যক্রম চালানোর অনুমোদন মিলেছে। আর ২০২১ ও ২০২২ সালে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভগের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দেশের অন্য ছয়টি বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অর্ধেক এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমে পরিচালিত ‘জেনারেশন ব্রেক থ্রু’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম চালু করা হবে। প্রকল্পটির পরিচালক ও মাউশির পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) জানান, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যশিক্ষা বিষয়ে জেনারেশন ব্রেক থ্রু প্রকল্পটি ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। 
এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো, ১০ থেকে ১৯ বছরের কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে জেন্ডার সাম্য আচরণ তৈরি করা, কিশোর-কিশোরীদের যৌন স্বাস্থ্য অধিকার সম্পর্কিত তথ্য ব্যবহার করতে শেখা। ক্লাস রুটিনের বাইরে গেমস, রোলিং প্লে, কুইজ ইত্যাদির মাধ্যমে জেন্ডার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের নিজেদের জানার বিষয়ে প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতন করা হবে।

 এজন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন থেকে চারজন করে শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। দুই বছরে ২৬টি অধিবেশন পরিচালনা করা হবে।

পাশাপাশি কমিউনিটি অভিভাবকদের সচেতন করা হবে। প্রথমে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরে তিনি তার প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষকদের বিষয়টি প্রশিক্ষণ দেবেন বা ধারণা দেবেন। পরে সেখান থেকে তিন থেকে চারজন শিক্ষকদের নির্বাচন করে তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রকল্প পরিচালক  বলেন, ‘প্রকল্প সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো নিজ উদ্যোগে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যশিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আর সফলতার কারণে এবার সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এর আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।’

মাউশির পরিচালক জানান, জেনারেশন ব্রেক থ্রু প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম এ বছরই শুরু হচ্ছে। নতুন করে যুক্ত হচ্ছে দেশের পাঁচটি জেলার ২৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এরপর চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সব জেলায় এ কার্যক্রম চালু হবে। তারপর দেশের সব জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অর্ধেক এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

প্রকল্প সূত্র জানায়- এ বছর শুরু হওয়া প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপ শেষ হবে ২০২২ সালে। এ পর্যায়ে জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, মৌলভীবাজার, পটুয়াখালী ও রাঙামাটি জেলায় ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের যৌন, প্রজনন-স্বাস্থ্যশিক্ষা দেওয়া হবে। প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের অর্থায়ন করবে কানাডা।


এই বিভাগের আরো খবর