ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার, ২০২৬ || ২৮ মাঘ ১৪৩২
good-food

যেসব কারণে বাতিল হতে পারে আপনার ভোট

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৭:৫৯ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

কোনো কারণে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে বা ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হলে সেই কেন্দ্রে ফলাফল বাতিল করে পুনরায় ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় হোক বা স্থানীয় সরকার নির্বাচন- যেকোনও কেন্দ্রের ভোট বাতিল হওয়া মানেই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর আস্থার সংকট তৈরি হওয়া।

ভোটারদের নিরাপত্তা, প্রার্থীদের অভিযোগ এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে তখন কমিশনকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। প্রয়োজনে পুরো আসনের ভোটও স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।

নির্বাচন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে যেকোনও কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত বা বাতিল ঘোষণা করার ক্ষমতা রয়েছে কমিশনের। নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, ‘ভোটের স্বচ্ছতা নষ্ট হলে বা ফলাফল প্রভাবিত হওয়ার মতো অনিয়ম প্রমাণিত হলে, ভোট বাতিল করা ছাড়া বিকল্প থাকে না।’

ভোট বাতিল হওয়ার প্রধান কারণগুলো:

১। ভোটকেন্দ্রে মারামারি, ককটেল বা বোমা হামলা, গুলিবর্ষণ, ব্যালট ছিনতাই বা ভাঙচুর হলে ভোট অব্যাহত রাখা সম্ভব হয় না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রিসাইডিং অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে ভোট স্থগিত করতে পারেন। পরে তদন্তের পর কমিশন পুনরায় ভোটের সিদ্ধান্ত দেয়।

২। ব্যালট পেপার হারানো বা নষ্ট হলে ভোটের সংখ্যা নিশ্চিত করা যায় না। একইভাবে, বুথ দখল করে জালভোট, একজনের একাধিকবার ভোট দেওয়া বা সংঘবদ্ধ কারচুপি হলে ফলাফল বাতিল করা হয়।

৩। ভোটারদের ভয় দেখানো, কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া বা জোরপূর্বক ভোটদানে প্রভাব বিস্তার করাও ভোট বাতিলের কারণ হতে পারে।

৪। প্রিসাইডিং অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ইচ্ছাকৃত ত্রুটি, ফলাফল পরিবর্তন বা নিয়ম লঙ্ঘন প্রমাণিত হলে কেন্দ্রের ভোট বাতিল হতে পারে।

৫। ব্যালট পেপারে দুই জায়গায় সিল দিলে বা একবার সিল দেয়ার পর অস্পষ্টতার কারনে আবার সিল দিলেও বাতিল হতে পারে আপনার ভোট। এছাড়া, ব্যালট পেপার ভাঁজ করার সময় অন্য জায়গায় সিলের ছাপ লেগে যাওয়ার কারনেও বাতিল হতে পারে আপনার মূল্যবান ভোট।

ভোটের সব খবর বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর