ঢাকা, ১৭ নভেম্বর রোববার, ২০১৯ || ২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
LifeTv24 :: লাইফ টিভি 24
৪০

যাবতীয় রোগের উৎস রান্নাঘর, সুরক্ষিত রাখার ১০ উপায়

প্রকাশিত: ২০:১০ ৫ নভেম্বর ২০১৯  


যেকোনো বাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান রান্নাঘর। কারণ, এটি আমাদের খাবারের জোগান দেয়। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, এ রান্নাঘর যাবতীয় রোগের উৎস। ঘরটি অপরিষ্কার থাকলে সেখানে রোগ জীবাণুরা বাসা বাঁধে। দেখে নিন সাধের লক্ষ্মীঘরকে সুরক্ষিত রাখতে যা যা করতে হবে-

১.খোলা খাবার বা পানীয় রান্নাঘরে রাখা যাবে না। তাতে পোকামাকড় মুখ দিতে পারে। পড়তে পারে টিকটিকি, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

২. অনেকেই প্লাস্টিক বোতলের তেল ব্যবহার করেন। কিন্তু মোটেই বোতলটি বেশিদিন রান্নাঘরে রাখা যাবে না। খুব বেশি ২ মাস। বেশিদিন হলে তাতে জীবাণুরা বাসা বাঁধে।

৩. পানির বোতল কখনই খোলা বা আলগা অবস্থায় রান্নাঘরে রাখা যাবে না। এতে নানা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

৪. ওয়াইনের বোতল খোলা অবস্থায় রাখা যাবে না। দুদিন পর থেকেই ওই বোতলে ফাংগাস জন্মায়। বোতল খুললেই কটূ গন্ধ বা ব্রাউন রঙের কিছু ভাসতে দেখা যায়। এটি রোগ-জীবাণুর আস্তানা।

৫. মশলা বা হার্বস খোলা অবস্থায় বেশিদিন বাইরে ফেলে রাখা যাবে না। এতে মশলার গন্ধ নষ্ট হয়ে যায়।

৬. খাবার বেশি হলে সাধারণত আমরা তা ফ্রিজে রাখি। কিন্তু কখনই তা ৩ দিনের বেশি রাখা যাবে না। তিনদিনের পুরনো খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

৭. যে স্পঞ্জ দিয়ে বাসন ধোওয়া হয় তা এক সপ্তাহ অন্তর পরিবর্তন করে ফেলতে হবে। পানি আর সাবান লেগে থাকায় সেটির মধ্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা বোঝা যায় না।

৮. অনেকে বিয়ারের ক্যান ফ্রিজে রাখেন। তবে তা এক মাসের বেশি রাখা যাবে না। একমাসের পর থেকেই ওর মধ্যে ফারমেন্টেশন শুরু হয়।

৯. বেকিং পাউডার, খাবার সোডা ৬ মাসের বেশি ব্যবহার করা যাবে না। অনেকে ডেট, মাস মিলিয়েই কিনে থাকেন। বোতলের গায়ে লেখা থাকে এক বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু তা করা ঠিক হবে না।

১০. জ্যাম, সসের বোতল সবসময় ভালো করে মুখ বন্ধ করে রাখতে হবে। আমরা সেগুলো ফ্রিজেও রাখি। হয়তো ভালো করে মুখ বন্ধও করা হয় না। সেগুলো খেলে শরীরে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে।