ঢাকা, ২৫ জুলাই শনিবার, ২০২৬ || ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
good-food
৯০

যুক্তরাষ্ট্রে লিমন-নাহিদা হত্যাকাণ্ড, কারণ জানালেন এফবিআই এজেন্ট

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৩:১৬ ২৭ এপ্রিল ২০২৬  

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতুতে পাওয়া গেছে। তার রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ এখনও মেলেনি।

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে লেক ফরেস্ট এলাকায় সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ ডাকা হয়। সেখানে আবুগারবিয়েহ বাড়ি ছেড়ে বের হতে অস্বীকার করলে সোয়াট দল ডাকা হয়। পরে সে শান্তিপূর্ণভাবে বের হয়ে আসে এবং গ্রেপ্তার হয়।

জেলের রেকর্ড বলছে, আবুগারবিয়েহর বিরুদ্ধে আগেও মামলা ছিল। ২০২৩ সালে চুরি ও মারধর এবং পারিবারিক সহিংসতার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল সে। ২০২৫ সালেও একই রকম সহিংসতার মামলা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।

লিমন ছিলেন ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিভাগের ডক্টরাল শিক্ষার্থী। বৃষ্টি পড়তেন রাসায়নিক প্রকৌশলে। দুজনকে ১৬ এপ্রিল শেষবার দেখা গিয়েছিল। পরদিন একজন পারিবারিক বন্ধু পুলিশে খবর দেন।

বৃষ্টির খোঁজে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের মেরিন ও ডাইভ দল হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতুর কাছের জলে তল্লাশি চালিয়েছে।

এফবিআইয়ের সাবেক বিশেষ এজেন্ট ও ইউএসএফ সেন্টার ফর জাস্টিস রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির সহপরিচালক ড. ব্রায়ানা ফক্স বলেছেন, প্রমাণগুলো ট্যাম্পা বে অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেখে মনে হচ্ছে অভিযুক্ত পরিকল্পিতভাবে নয়, হঠাৎ রাগের মাথায় কাজটি করেছে। 

তিনি আরও বলেছেন, “যেসব ঘটনায় পরিচিতজনরা একে অপরকে আক্রমণ করে এবং বয়স কাছাকাছি থাকে, সেখানে সাধারণত অর্থ, ঈর্ষা বা কোনো ঝগড়াই হত্যার কারণ হয়। এটি হয়তো ক্ষণিকের রাগের বিস্ফোরণ থেকে হয়েছে এবং কারণটি হয়তো খুবই ছোট কিছু।”

শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার বলেছেন, “এটি একটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক ঘটনা যা আমাদের সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। জামিল লিমনের মরদেহ পাওয়া হৃদয়বিদারক। তবে আমাদের গোয়েন্দারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দায়ীদের পুরোপুরি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।” সূত্র- ফক্স নিউজ 

বাংলাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর