ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার, ২০২৬ || ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
good-food
২

আসল জামদানি শাড়ি চেনার সহজ উপায়

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২৩:১২ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬  

দুর্গাপূজার শপিংয়ে একটা ঢাকাই জামদানি থাকা চাই। আভিজাত্যে বেনারসিকেও টক্কর দেয় ঢাকাই জামদানি। শুধু পূজা নয়, যে কোনো উৎসবে নজর কাড়ে ঢাকাই জামদানি শাড়ি। প্যাস্টেল শেড হোক কিংবা গাঢ় রঙ— সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ পরলে আর কিছুই চাই না। এর পাশাপাশি সোনা কিংবা অক্সিডাইজড গহনা পরলেই সাজ সম্পন্ন হয়ে যায়। খুব বেশি মাথা ঘামাতে হয় না ঢাকাই জামদানি স্টাইল করার জন্য। কিন্তু আপনি যে ঢাকাই জামদানিটা পরছেন, সেটি আসল তো? প্রশ্ন থেকে যায়, উত্তর পাওয়া যায় না। এমনটি ভাবার আর কোনো কারণ নেই।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের ঢাকাই জামদানি পাওয়া যায়। কোনোটা খুব নরম, আবার কোনো শাড়িতে রয়েছে আয়না ও স্টোনের কারুকাজ। কিন্তু আপনি যে ঢাকাই জামদানি কিনছেন, তা আসল হওয়া চাই। কিন্তু সেটা কীভাবে বুঝবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক—আসল আর নকলের পার্থক্য কোথায়?

শাড়ি কিনতে গিয়ে আসল-নকল যাচাই করার সুযোগ থাকে না সবার। তখন রঙ কাজ নিয়েই মাথা ঘামাতে হয়। তবে মাত্র ১ সেকেন্ডে চেনা যায় ঢাকাই জামদানি আসল না নকল। সাধারণত ঢাকাই জামদানির বুনন মিহি সুতা দিয়ে তৈরি। খুবই সূক্ষ্ম হয় এ শাড়ির বুননকাজ। 

আপনি যখনই জামদানি কিনবেন, শাড়িটা উল্টে দেখুন। যদি দেখেন জামদানি শাড়ির উল্টো দিকে সুতা কাটা থাকে, তাহলে বুঝবেন এই শাড়ি মেশিনে বোনা। ছাঁটা সুতা দেখলেই বুঝবেন এই শাড়ি হাতে বোনা নয়। এ ধরনের শাড়ির দামও খুব অল্প হয়।

আসল জামদানি দুদিকে সমান হয়। তাঁতিরা একটা একটা করে সুতা হাতের সাহায্যে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনে থাকেন। তাই কোনো ছাঁটা সুতা থাকে না। আসল ঢাকাই জামদানি হাতে নিলে কোন দিকটা সামনে আর কোনটা পেছনে এটা চট করে বুঝতে পারবেন না। আর তখনই বুঝবেন এটা আসল জামদানি।

অন্যদিকে আসল ঢাকাই জামদানির নকশা খুব সূক্ষ্ম ও নিখুঁত হয়। ঢাকাই জামদানি খুবই মসৃণ হয়। কোনো খসখসে ভাব থাকে না। কিন্তু মেশিনে বোনা জামদানি তুলনায় ভারি হয় এবং খসখসে হয়। কারণ এ শাড়ি বুনতে নাইলনের সুতা ব্যবহার করা হয়। সুতরাং এবার পূজায় ঢাকাই জামদানি কিনতে গেলে শাড়ি উল্টে দেখুন।

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর