ঢাকা, ২০ মার্চ শুক্রবার, ২০২৬ || ৬ চৈত্র ১৪৩২
good-food

ইসরায়েল ফুটবলকে জরিমানা করল ফিফা

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২০:০১ ২০ মার্চ ২০২৬  

২০২৪ সাল থেকেই ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (আইএফএ) নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছিল ফিলিস্তিন। তবে ফিফা তা পুরোপুরি আমলে নেয়নি। নিষিদ্ধ করেনি ইসরায়েলকে। বড় ধরনের শাস্তি না দিয়ে শুধু জরিমানা করেছে ইসরায়েল ফুটবলকে।

এক বিবৃতিতে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (আইএফএ) ১ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা) জরিমানা করেছে ফিফা।

এ বিষয়ে ইসরায়েলের বিপক্ষে অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে-বৈষম্য ও বর্ণবাদী কর্মকাণ্ড, আক্রমণাত্মক আচরণ ও ফেয়ার প্লে নীতিমালা লঙ্ঘন।

তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েলি ক্লাব বেইতার জেরুজালেমের সমর্থকদের ধারাবাহিক ও প্রমাণিত বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। শুধু তাই নয়, বেইতার জেরুজালেমের সমর্থকদের 'ফরএভার পিওর' স্লোগান ব্যবহার, আরব খেলোয়াড়দের উদ্দেশে 'সন্ত্রাসী' বলে কটূক্তি করা, এসব ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি নিয়মিত ও প্রাতিষ্ঠানিক আচরণের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ফিফা।

তাই আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি ইসরায়েল ফুটবল সংস্থাকে আগামী তিনটি ফিফা প্রতিযোগিতার হোম ম্যাচে 'ফুটবল বিশ্বকে এক করে – বৈষম্য নয়' বার্তাসংবলিত বড় ও দৃশ্যমান ব্যানার প্রদর্শন করতে হবে। পাশাপাশি জরিমানার এক-তৃতীয়াংশ অর্থ ব্যয় করতে হবে বৈষম্য রোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির পরিকল্পনায়।

এদিকে ফিলিস্তিনি ফুটবলের অভিযোগ ছিল, পশ্চিম তীরের বসতি থেকে দলগুলোকে জাতীয় লিগে খেলার সুযোগ দিয়ে ফিফার বিধি লঙ্ঘন করছে ইসরায়েল। তবে ফিফা এ নিয়ে বলেছে, "ফিফার বিধির প্রাসঙ্গিক ধারাগুলোর ব্যাখ্যার প্রেক্ষাপটে পশ্চিম তীরের চূড়ান্ত আইনি অবস্থান এখনো অনির্ধারিত এবং আন্তর্জাতিক জন আইনের অধীনে অত্যন্ত জটিল বিষয়। তাই এ ক্ষেত্রে ফিফার কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়।"

অবশ্য এর ব্যাপারে যে ফিফা ব্যবস্থা নেবে না সেই বার্তা আগেও দিয়ে রেখেছিলেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেটাই সত্যি হলো চূড়ান্ত রায়ে। কোনো নিষেধাজ্ঞা বা বড় শাস্তি নয় বরং জরিমানা দিয়েই পার পেয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

খেলাধুলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর