শীতে বায়ুদূষণ বেড়ে যায় কেন?
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ১৫:১৫ ৮ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতি বছর শীত এলেই বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকায়, বায়ুদূষণ যেন এক অনিবার্য দুর্যোগে পরিণত হয়। তখন দায় চাপানো হয় ইটভাটা, নির্মাণকাজ, যানবাহন কিংবা ফসলের অবশিষ্ট পোড়ানোর ওপর। কিছু অস্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সংবাদ শিরোনাম বদলায়, তারপর বিষয়টি আবার আড়ালে চলে যায়।
কিন্তু যেটা প্রায় সব সময় উপেক্ষিত থাকে, তা হলো—শীতকালের বায়ুদূষণের পেছনের জলবায়ু ও বায়ুমণ্ডলীয় পদার্থবিদ্যা। শীত দূষণ সৃষ্টি করে না, শীত দূষণকে আটকে রাখে—আর সেই আটকে পড়াই দূষণকে কয়েকগুণ বেশি প্রাণঘাতী করে তোলে।
শহরের ওপর অদৃশ্য ঢাকনা
শীতকালের দূষণের মূল কারণ হলো তাপমাত্রা বিপর্যয়।
সাধারণত ভূমির কাছের উষ্ণ বাতাস ওপরে উঠে যায়, সঙ্গে দূষণও ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শীতকালে রাতের দিকে মাটি দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়, নিচে ঠান্ডা বাতাস আটকে থাকে এবং তার ওপর উষ্ণ বাতাসের স্তর তৈরি হয়। এর ফলে শহরের ওপর এক ধরনের অদৃশ্য ঢাকনা পড়ে যায়। ফলে দূষণ চারপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে না।
ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে এই অবস্থায় যানবাহন, ইটভাটা, শিল্পকারখানা, ময়লা পোড়ানো ও ঘরোয়া জ্বালানি থেকে নির্গত দূষণ ওপরে উঠতে পারে না। দূষণের বিষাক্ত কণাগুলো শ্বাস নেওয়ার উচ্চতাতেই দিনের পর দিন ভাসতে থাকে। অক্টোবর ও জানুয়ারিতে দূষণের উৎস প্রায় একই হলেও জানুয়ারিতে তার স্বাস্থ্যঝুঁকি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
শহরের ওপর এক ধরনের অদৃশ্য ঢাকনা পড়ে যায়।
বাতাস নেই, তাই নিঃশ্বাসও বিষাক্ত
শীতকালে বাংলাদেশে বাতাসের গতি কমে যায়। গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার ভৌগোলিক অবস্থান দূষণ আটকে রাখার প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঢাকাসহ বড় শহরগুলো কার্যত নিজের দূষণে নিজেই শ্বাস নেয়।
এই বাস্তবতায় কয়েক দিন নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা বা ডিজেল জেনারেটর নিষিদ্ধ করার মতো পদক্ষেপ খুব একটা কাজে আসে না।
কারণ সমস্যার মূল হলো আবহাওয়াগত স্থবিরতা। যদিও আবহাওয়া ও বায়ুদূষণ পূর্বাভাসের উন্নত মডেল রয়েছে, নীতিনির্ধারণে সেগুলোর ব্যবহার এখনো সীমিত।
শীত, জ্বালানি ও দারিদ্র্যের ফাঁদ
শীতে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষেরা উষ্ণতার জন্য কাঠ, কয়লা, খড়, এমনকি প্লাস্টিকও পোড়াতে বাধ্য হন। এতে ঘরের ভেতর ও বাইরের দূষণ একসঙ্গে মিশে যায়। বাংলাদেশে জ্বালানির ব্যবহারে আলো ও রান্নার প্রাধান্য থাকলেও শীতকালীন উষ্ণতার বিষয়টি প্রায় অনুপস্থিত। ফলে শীতকালীন দূষণ আসলে দারিদ্র্য এবং অবহেলার প্রতিচ্ছবি।
দায় কার, সমস্যা কোথায়
শীতকালে দূষণের জন্য শুধু ইটভাটা বা কৃষিজ অবশিষ্ট পোড়ানোকে দায়ী করা সহজ, কিন্তু তাতে বাস্তবতা কমই বোঝা যায়। শীতে একই দূষণ মারাত্মক হয়ে ওঠে মূলত বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির কারণে। কৃষক বা একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে দায়ী করলে শহরের সারা বছরের দূষণ আড়ালেই থেকে যায়।
শহরগুলো কার্যত নিজের দূষণে নিজেই শ্বাস নেয়।
জলবায়ু পরিবর্তন ও শীতের নতুন ঝুঁকি
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শীত কমে যাচ্ছে—এমন ধারণা থাকলেও বাস্তবে বাতাসের স্থবিরতা, আর্দ্রতা ও মৌসুমি পরিবর্তনের ধরন বদলে যাচ্ছে। এতে শীতকালীন দূষণ আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তাই এটি এখন শুধু পরিবেশগত নয়, জলবায়ু অভিযোজনের সমস্যা।
শীতকে নতুন চোখে দেখা জরুরি
শীত দূষণকে অনিবার্য করে তোলে না; শীত আমাদের পরিকল্পনার ব্যর্থতাকে নগ্ন করে দেয়। বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানকে নগর পরিকল্পনা, জ্বালানি নীতি ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত না করা হলে, ঢাকাসহ বাংলাদেশের শহরগুলো প্রতি শীতে একই বিষাক্ত চক্রে আটকে থাকবে।
- ভাত রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুতে বলা হয় কেন?
- মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বর প্লেট রাখা বাধ্যতামূলক
- বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত আনল বিজিবি
- এডিস মশা শনাক্ত করবে ‘স্মার্ট ফাঁদ’
- এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে
- ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, ধারণা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের
- বয়স্করা যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি পরিবর্তন
- ঢাকার বায়ুদূষণ দেশের জন্য লজ্জার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী
- ‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’, নেহার ভিডিও নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির
- প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় যেভাবে হবে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ - দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- ওষুধ কারখানার আগুনে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানি নেই
- নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের চিঠি
- ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে হাসান মাহমুদ
- রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির ২০ জনের মৃত্যু
- অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- নিউটনের ঢের আগে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টের পান দা ভিঞ্চি!
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- নাফ নদীতে ইয়াবা পাচারের ‘ডুবন্ত সাবমেরিন’ উদ্ধার
- বাংলাদেশ থেকে জয় ছিনিয়ে ড্র আফগানিস্তানের
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য
- বিধবা কার্ড দিলে সবার আগে এমপির বউ নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে পুশইন নয়: কলকাতা হাইকোর্ট
- বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি
- যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বেশি পুষ্টি মিলে
- বিমানবন্দরে ‘সোনার ডিম’ উদ্ধার: ৫ দিনের রিমান্ডে আসামি
- রূপপুরের বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: রোসাটম
- শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
- হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসে হাসান মাহমুদ
- দূষণজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা? বুঝবেন যেভাবে
- হঠাৎ চুল পড়া বাড়লে কি করবেন?
- দুর্গাপূজা: বাঙালি হিন্দুদের বড় ধর্মীয় উৎসবে পরিণত যেভাবে
- অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড
- বন্ধুর চেয়ে শত্রুর নাম বেশি মনে থাকে কেন?
- সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ থাকবে
- একটি দৃশ্যের জন্য এখনো বারবার মহড়া দেন অমিতাভ
- সেরা ঘুমের প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৪ হাজার ডলার
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে রেমিট্যান্স কমার শঙ্কা, নতুন শ্রমবাজারে নজর
- দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, সমাধান কী?
- সমুদ্র তীরে দাঁড়িয়ে দৈত্যাকার দানব
- বাংলাদেশসহ কয়েক দেশের শিক্ষার্থী ভর্তিতে কঠোর যুক্তরাজ্য


