আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষে বাড়ছে চিংড়ি উৎপাদন
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২০:৪৬ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
খুলনা অঞ্চলে সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি চাষে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে আধুনিক প্রযুক্তির আধানিবিড় পদ্ধতি। ইতিমধ্যেই এ পদ্ধতির চিংড়ি চাষ শুরু করেছেন অনেক চাষী। সনাতন পদ্ধতিতে মাত্র ৩ থেকে ৪শ’ কেজি চিংড়ি উৎপাদিত হলেও আধুনিক এ পদ্ধতিতে উৎপাদন হচ্ছে কয়েকগুণ বেশী। মৎস্য বিভাগের সহায়তায় বছরজুড়ে চাষাবাদের সুবিধার কারণে অধিক লাভের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও হচ্ছে অনেকের। তাই বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ সরকারের সাবির্ক সহযোগিতা পেলে আসছে ১০ বছরে চিংড়ি খাতে রফতানি আয় ছয়-সাতগুণ বৃদ্ধির প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, দেশের চিংড়ি রফতানির শতকরা ৮০ ভাগই সরবরাহ হয় খুলনাঞ্চলের চিংড়ি ঘের থেকে। কিন্তু গেল কয়েক বছর ধরে এ অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতির চাষে ধারাবাহিকভাবে ভাইরাসসহ নানা কারণে মারাত্মক ক্ষতির শিকার হয়। এতে অনেকে চিংড়ি চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এ অবস্থায় মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে বাগদা চিংড়ি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ শুরু হয়।
গেল ৫ বছরে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোর জেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে ছয় শতাধিক আধুনিক প্রযুক্তির আধানিবিড় পদ্ধতির চিংড়ি খামার গড়ে উঠেছে। আর বর্তমানে খুলনা জেলার ৫১ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে গলদা ও বাগদা চিংড়ির চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৪৪ দশমিক ২৩ হেক্টর জমিতে আধানিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধি, আধুনকি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি পানি শোধন করে পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষিত পোনা ছাড়া। নিয়মিত সুষম খাবার প্রদান ও অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। এতে প্রতি হেক্টর ঘেরে বছরে উৎপাদন হচ্ছে ছয় থেকে সাত হাজার কেজি চিংড়ি। যা সনাতন চাষের তুলনায় ৮/১০ গুণ বেশী। এতে অধিক লাভবান হওয়ায় আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের এ প্রযুক্তিতে।
বটিয়াঘাটা উপজেলার মৎস্য চাষি খায়রুল ইসলাম সজিব বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর এ পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে সনাতন পদ্ধতির চেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায়। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরি ছেড়ে বেকারত্ব ঘোচাতে ২০১৬ সালে সাড়ে ৩ বিঘা জমিতে আধানিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করি। এতে লাভবান হওয়ায় জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১০ বিঘায় উন্নীত করেছি । এ পদ্ধতিতে প্রযুক্তির ব্যবহার করে পানি রোলিং করে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ করা হয়। ঘেরে এ্যারোসন মেশিনের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়।
তিনি বলেন, এ পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষের মাধ্যমে শুধু আমিই নয়, অনেকেই লাভবান হচ্ছেন। আধানিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ অনেক সম্ভাবনাময় হলেও কারিগরি জ্ঞান ও পুঁজির অভাবে বেশীরভাগ চাষী এ পদ্ধতির চাষ শুরু করতে পারছেন না।
খুলনাঞ্চলের চিংড়ি চাষকে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা, স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় আধুনিক পদ্ধতির আওতায় আনা গেলে বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বটিয়াঘাটা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুল মামুন জানান, আধানিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে চাষিরা লাভবান হচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত চিংড়ি চাষির সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে উপজেলার ৬৫ হেক্টর জমিতে ১০৪ জন মৎস্য চাষি এ পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করছেন। যেখানে গেল বছর ছিল মাত্র ৩৫ জন চাষী।
তিনি বলেন, সনাতন পদ্ধতির চেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর এ পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে প্রায় ২০ গুণ বেশি উৎপাদন হয়। উদাহরণ স্বরুপ বলেন, যেখানে সনাতন পদ্ধতিতে হেক্টর প্রতি ৪শ’ কেজি চিংড়ি উৎপাদন হয়, সেখানে দুই সেশনে আধানিবিড় পদ্ধতিতে হেক্টর প্রতি ৭ থেকে ৮ হাজার কেজি চিংড়ি উৎপাদন করা সম্ভব।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ জানান, আধানিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে চাষিরা অধিক লাভবান হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে বছরে দু’বার চিংড়ি চাষ করা যায়। বর্তমানে খুলনা জেলায় ৫১ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে গলদা ও বাগদা চিংড়ির চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৪৪ দশমিক ২৩ হেক্টর জমিতে আধানিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। চিংড়ি ঘেরের আধুনিকায়নে কৃষকদের উৎসাহিত করতে ধারাবাহিক চেষ্টা করা হচ্ছে।
- বিশ্ববাজারে ডানা মেলতে প্রস্তুত ঢাকাই মসলিন
- বার্গার এলো কীভাবে?
- এই সময়েও আবুল হায়াত-ডলি জহুর জুটিতে মুগ্ধ দর্শক
- ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা-ক্ষোভ
- ডি-থ্রি ট্রফির নিলাম
সর্বোচ্চ দাম পেলেন শরিফুল, তাসকিন ও তানজিদ - ‘বিরোধী দলে থাকতেই দাফনে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন’
- শরীরে যে ১১ লক্ষণ অবহেলা করা বিপজ্জনক
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধে লেনদেনে কোনো প্রভাব পড়বে?
- বোমা মেরে অমিতাভের বাংলো উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
- ফের কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক
- কানাডায় পাচার ও ধর্ষণের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির কারাদণ্ড
- হরমুজ ও বাব এল-মান্দেব বন্ধ হলে মজুত তেলে কত দিন চলবে বিশ্ব?
- নিজের ভাগ্যের চাকা নিজেই ঘোরাবেন যেভাবে
- ভিটামিন ডি নিয়ে ৬ ভুল ধারণা: জেনে নিন সঠিক তথ্য
- সাইবার হামলার শঙ্কা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
- সৌদিতে পৃথক হামলায় নিহত ৪, আহত ১০, আছে বাংলাদেশিও
- ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন ব্রুক
- বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে জাপান
- তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বদর চুক্তি
- সাদা নাকি লাল: ডায়াবেটিসে কোন চাল বেশি উপকারী?
- সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: গোপনীয় চিঠিতে যা জানা গেল
- রিয়াদ রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু ২৫ অক্টোবর, দাম্মামে বৃহস্পতিবার
- ডিভি লটারি চালুর আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল ট্রাম্প প্রশাসনের
- বিসর্জনে শেষ শারদীয় দুর্গোৎসব
- বাংলাদেশ, নেপালের মতো ভারতে সরকার বদল হবে না: আরএসএস প্রধান
- রসুনের জাদুকরী গুণের কথা জানেন?
- মেসি-বেকহ্যামকে ট্যাগ করে নেইমারের রসিকতা
- পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে মাদক জব্দ: নারীসহ আটক ৮৪
- আ.লীগ-জামায়াত এক হয়েছে, পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে:প্রধানমন্ত্রী
- স্বাদের চিপস, স্বাস্থ্যের বিপদ
- কম্বোডিয়ায় ‘আটকা’ ১৮০০ বাংলাদেশি
- কবি নজরুলের যে কবিতায় কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
- সাদা নাকি লাল: ডায়াবেটিসে কোন চাল বেশি উপকারী?
- শরীরে যে ১১ লক্ষণ অবহেলা করা বিপজ্জনক
- সাইবার হামলার শঙ্কা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
- একই আঙিনায় মসজিদ-পূজামণ্ডপ
- রসুনের জাদুকরী গুণের কথা জানেন?
- পিস্তলকাণ্ডে সমালোচনার মুখে ইশরাক, নাকচ করলেন পদত্যাগের খবর
- রোনালদোকে নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা করল পর্তুগাল
- বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে জাপান
- ভিটামিন ডি নিয়ে ৬ ভুল ধারণা: জেনে নিন সঠিক তথ্য
- বেগুনে পোকা থাকলে কি খাওয়া উচিত?
- বিসর্জনে শেষ শারদীয় দুর্গোৎসব
- ডিভি লটারি চালুর আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল ট্রাম্প প্রশাসনের
- সৌদিতে পৃথক হামলায় নিহত ৪, আহত ১০, আছে বাংলাদেশিও
- মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, আহত ২
- নিজের ভাগ্যের চাকা নিজেই ঘোরাবেন যেভাবে
- পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে মাদক জব্দ: নারীসহ আটক ৮৪
- সংসদ সদস্য কি প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করতে পারেন?
- গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, বিএনপি কর্মীরা চাঁদাবাজিতে জড়িত নয়













