বন্যায় বিদ্যুৎ-গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে যা যা করবেন
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ২৩:০৩ ২৭ আগস্ট ২০২৫
বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিপদের মাত্রাকে আরও ভয়াবহ রূপ দিতে পারে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগস্থলগুলো। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে স্বাভাবিকভাবেই এসব বিষয় দৃষ্টির বাইরে থেকে যায়। আর এই অসতর্কতাই বুমেরাং হয়ে পড়ে ধ্বংযজ্ঞের সময়ে। উপরন্তু, পানি বিদ্যুৎ পরিবহনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হওয়ায় বন্যার সময়ে রীতিমতো মৃত্যুদূতে পরিণত হয় বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো।
সেই সঙ্গে আশঙ্কা তৈরি হয় গ্যাসের লাইনগুলো ভেঙে যাওয়ার। নিদেনপক্ষে অল্প চিড় ধরলেও এই লোহার পাইপগুলো থেকে ঘটতে পারে ভয়ানক বিস্ফোরণ। এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে হলে যথা সম্ভব তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। চলুন, বন্যার সময় বিদ্যুৎ ও গ্যাস-সংক্রান্ত দুর্ঘটনা এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপগুলো জেনে নেয়া যাক।
বন্যার সময় গ্যাস ও বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়াতে করণীয়
অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা
বন্যা দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব গ্যাস ও বিদ্যুতের প্রধান সংযোগগুলো বন্ধ করে দেয়া উচিত। বিদ্যুতের ক্যাবল বা তার পানির সংস্পর্শে এসে শর্ট সার্কিট হতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত বন্যায় পানির চাপে গ্যাস পাইপ ভেঙে গ্যাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমতাবস্থায় শুধু একটি স্পার্ক-ই যথেষ্ট ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য। এই বিপদ থেকে বাঁচতে অবিলম্বে সব গ্যাস ভাল্ব ও পাওয়ার সুইচ বন্ধ করে দিতে হবে। যারা এই সুইচ বা ভাল্বের সঙ্গে অপরিচিত তাদের জন্য উৎকৃষ্ট উপায় হচ্ছে এসব উৎস থেকে অতি দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরে পড়া। এ সময় সঙ্গে কোনো বিদ্যুৎ বা তাপ পরিবাহী কোনো বস্তু রাখা যাবে না। সম্ভব হলে সহায়তার জন্য পেশাদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ বা উত্তপ্ত বস্তু থেকে দূরে থাকা
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরে অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ এবং উত্তপ্ত বস্তুর সান্নিধ্য এড়িয়ে চলতে হবে। পাওয়া অফ করার পরেও অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মধ্যে কিছু চার্জ জমা থাকে। সাধারণ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ না হলেও পানির সংস্পর্শে সেগুলো হুমকির কারণ হতে পারে। তাছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগবিহীন অবস্থায় অধিকাংশ যন্ত্রাংশেরই উত্তাপ কমে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। এই সময়েও ঘটতে পারে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। তাই সর্বাত্মকভাবে এসব সরঞ্জাম থেকে যত দূরে যাওয়া যায় ততই ভালো।
উচ্চ স্থলভাগে অবস্থান নেয়া
কোমর থেকে গলা পর্যন্ত জলাবদ্ধ এলাকাগুলোতে উঁচু শুকনো জায়গা খুঁজে পাওয়া প্রায় দুঃসাধ্য। এরপরেও নিমজ্জিত বা ভাসমান না থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু স্থলভাগ খোঁজার চেষ্টা চালানো উচিত। কেননা স্থির পানি যত জায়গা জুড়ে বিস্তৃত থাকে বিদ্যুতের সংস্পর্শে তার পুরোটাই বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত জলাবদ্ধ জায়গায় পানির নিচে কোথায় কোনো বৈদ্যুতিক চার্জযুক্ত বস্তু আছে কি না তা বোঝা মুশকিল। এছাড়াও একটু উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিলে বানের পানিতে ভেসে যাওয়া অথবা পানির নিচে ধারালো বা শক্ত কোনো কিছুর সঙ্গে ধাক্কা লাগার আশঙ্কা থেকে বাঁচা যায়। তাই পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটময় হওয়ার পরেও মনকে যথা সম্ভব শান্ত রেখে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য নিজের আশেপাশটা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
গ্যাস লিক খুঁজে বের করে দ্রুত মেরামত করা
বন্যার সময় তীব্র বেগে প্রবহমান পানির চাপে কিংবা ভারী কোনো জড় বস্তু ভেসে এসে গ্যাস পাইপগুলোতে লেগে চিড় ধরাতে পারে। প্রচণ্ড প্রতিকূল অবস্থায় পুরো পাইপ ভেঙে বা উপড়েও যেতে পারে। এমতাবস্থায় চিড়যুক্ত পাইপগুলো খুঁজে বের করার জন্য ন্যূনতম সুযোগ পাওয়া গেলেও তার সদ্ব্যবহার করা উচিত। অতঃপর খুঁজে পাওয়ার পর ত্রুটিপূর্ণ পাইপগুলো অবিলম্বে মেরামতের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে সাহায্য নিতে হবে পেশাদারদের। কেননা এর ওপর নির্ভর করছে আশেপাশের অনেকগুলো মানুষের জীবন। উন্মুক্ত গ্যাসে সৃষ্ট বিস্ফোরণ ছড়িয়ে যেতে পারে বিশাল জায়গাজুড়ে।
ব্যাটারি-চালিত টর্চলাইট ব্যবহার করা
বন্যাকালে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মেঘাচ্ছন্ন আকাশের নিচে দিনের আলো পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে। ফলে রাতের মতো দিনেও পথ চলতে প্রয়োজন হয় কৃত্রিম আলোর। এই প্রয়োজন পূরণে মোমবাতি বা হারিকেন ব্যবহার করা যাবে না। কারণ অজানা কোনো জায়গায় গ্যাস লিকের ফলে মারাত্মক ঝুঁকির তৈরি হতে পারে। এখানে উৎকৃষ্ট বিকল্প হচ্ছে ব্যাটারি-চালিত টর্চ বা ফ্ল্যাশলাইট, যেগুলোতে আগুন বা চল বিদ্যুৎ সংযোগ কোনোটারই দরকার হয় না।
তাৎক্ষণিকভাবে এসব সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বন্যার সময় বিদ্যুৎ বা গ্যাস-সংক্রান্ত দুর্ঘটনা এড়াতে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগগুলো বন্ধ করা গেলে শর্ট সার্কিট ও গ্যাস লিকের ব্যাপারে আশঙ্কামুক্ত থাকা যায়। বৈদ্যুতিক উপাদান থেকে দূরে থাকা এবং প্লাবিত অবস্থা থেকে যথেষ্ট উঁচু স্থলভাগে অবস্থান নিয়েও ঝুঁকির মাত্রা কমানো যায়। গ্যাস লিকগুলো সম্ভব হলে শিগগিরই খুঁজে বের করে বন্ধ করা উচিত। অন্যথায়, এমন স্থান থেকে দূরে থাকা এবং আকস্মিক বিস্ফোরণ এড়াতে মোমবাতির পরিবর্তে ব্যাটারি-চালিত ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করতে হবে।
- একদিনে যোগ দিলেন ৩২৬৩ চিকিৎসক
- শুধু আমিরের নয়, আইডি হ্যাকড হয় মাসুদেরও: জামায়াত
- ভোটার উপস্থিতি ৫৫ শতাংশ ছাড়াবে, আশায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- জীবনসঙ্গী নির্বাচনে বারাক ওবামার ৩ পরামর্শ
- নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সাতে সাত
- মেয়ের বিয়ে দিলেন নাঈম-শাবনাজ, পাত্র কে?
- নির্বাচনে ইন্টারনেট বন্ধ করলেই আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- Architect Kashef Chowdhury Unveils Climate-Responsive Monograph
- যদি গণভোটে ‘না’ জয়ী হয়, তবে কি ঘটবে?
- বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি: আওয়ামী লীগের ভোট যাবে কার বাক্সে?
- ৩৬ দফা নির্বাচনি ইশতেহার এনসিপির
- নেতিবাচক চিন্তাধারা কি ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়?
- জিৎ-প্রসেনজিৎকে অপমান দেবের!
- বিশ্বকাপে থাকছেন বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার
- নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ, আল্টিমেটাম
- Daffodil International University Celebrates Its 13th Convocation
- পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণসহ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিলেন তারেক
- দুধ ছাড়া কফি খেলে কী ঘটে শরীরে?
- পাকিস্তানের সাহস নেই বিশ্বকাপ বয়কট করার
- ‘ঘুষখোর’ মোশাররফ করিম
- সমর্থকদের সংযম নিশ্চিত করুন: বিএনপি-জামায়াতকে অন্তর্বর্তী সরকার
- স্বর্ণের দামে বিশাল লাফ
- ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মুনাফা তুলতে পারবেন ৫ ব্যাংকের গ্রাহক
- ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে আসছে সাবস্ক্রিপশন সুবিধা
- কাঁচাবাজারে কখন যাবেন?
- প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা দিলেন অরিজিৎ
- আইসিসি থেকে সুখবর পেলেন মোস্তাফিজ
- এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ: ১১ হাজার ৭১৩ জনকে সুপারিশ
- ভোটের সবকিছু জেনে গেলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত: ইসি সচিব
- এই নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত
- নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ, আল্টিমেটাম
- তারেক, শফিকুর, নাহিদ ও জারা: ফেসবুকে বেশি অনুসারী কার?
- Daffodil International University Celebrates Its 13th Convocation
- মৌসুমীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবরে বিরক্ত ওমর সানী
- Architect Kashef Chowdhury Unveils Climate-Responsive Monograph
- চট্টগ্রামে তারেক রহমানের সমাবেশে ১৮ মাইক চুরি
- ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মুনাফা তুলতে পারবেন ৫ ব্যাংকের গ্রাহক
- যেসব প্রাণী কামড় দিলে জলাতঙ্ক টিকা দিতে হয়
- নির্বাচন: ৩ দিন ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি
- যদি গণভোটে ‘না’ জয়ী হয়, তবে কি ঘটবে?
- দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্য গণতান্ত্রিক উত্তরণে হুমকি
- ডায়াবেটিসে মধু খাওয়া যাবে কি?
- পাটওয়ারীর ওপর হামলা নিয়ে মির্জা আব্বাস, ‘ঝগড়ার প্রয়োজন নেই’
- বাংলাদেশ বাদ: আইসিসির কঠোর সমালোচনায় পাকিস্তান কিংবদন্তি
- ক্ষুধা লাগলে মেজাজ কেন খিটখিটে হয়?
- বিসিবিরি অর্থ কমিটিতে ফিরলেন বিতর্কিত পরিচালক নাজমুল
- স্পটে কোনায় বসে আহমেদ শরীফের শুটিং দেখতেন রাজীব
- ফের বাবা হচ্ছেন শাকিব, শুনে অবাক অপু
- কাঁচাবাজারে কখন যাবেন?
- বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি: আওয়ামী লীগের ভোট যাবে কার বাক্সে?

