ঢাকা, ০৯ আগস্ট রোববার, ২০২০ || ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭
good-food
৩১

চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে শিশুদের দেখলে আইনি ব্যবস্থা

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৮:৫৯ ২২ জুলাই ২০২০  

কোরবানির পর পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যেন শিশুদের নিয়োগ না দেয়া হয় তা মনিটরিং করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। আর নিয়োগ দিলে শ্রম আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঈদুল আযহা সামনে রেখে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয় থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে নিদের্শ দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনাপত্রে বলা হয়, ঈদের পর পশুর কাঁচা চামড়া বহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের কাজে শিশুদের নিযুক্ত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। প্রক্রিয়াজাতকরণে এসিডসহ অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করা হয়। যে কারণে চামড়া শিল্পের পরিবেশটি অস্বাস্থ্যকর ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়। ফলে তা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

সরকার ঘোষিত ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকাতেও চামড়া শিল্পের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে। আসন্ন ঈদুল-আযহা উপলক্ষে ট্যানারি শিল্পসহ অন্য কোথাও চামড়া পরিবহন ও প্রক্রিয়াকরণের কাজে যেন শিশুদের নিয়োগ না দেয়া হয়, সেই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ করা হলো।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের নির্দেশনা মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সরকার ২০১৩ সালে ট্যানারি ও চামড়াজাত শিল্পে প্রক্রিয়াজাতকরণসহ ৩৮টি কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শ্রম আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের আগে কোনও শিশুকে সেসব কাজে নিয়োগ দেয়া যাবে না।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায় জানান, ট্যানারি ও চামড়াজাত শিল্পকে শতভাগ শিশুশ্রম মুক্ত করা হয়েছে। এটি অব্যাহত রাখতে এ শিল্পে নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

তিনি বলেন, তবে ঈদ উপলক্ষ্যে চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিজাতকরণ-এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুদের কেউ যাতে নিয়োগ না করে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শকগণ নিবিড় পরিদর্শনে থাকবেন মর্মে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে শ্রম আইন অনুযায়ী, ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।