ঢাকা, ২৬ আগস্ট বুধবার, ২০২৬ || ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
good-food
১৩৩

সাধারণ মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেন? বুঝে নিন শুরুতেই

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ২০:০১ ২ জুলাই ২০২৬  

কাজের চাপ, কম ঘুমোনো, সঠিক সময়ে খাওয়াদাওয়া না করা, ঠান্ডা লাগা, রক্তচাপে হেরফের কিংবা মাইগ্রেন— মাথাব্যথা নানা কারণে হতে পারে। অনেক সময়ই আমরা সাধারণ ক্লান্তিজনিত মাথাব্যথা এবং মাইগ্রেনের (Migraine) তীব্র যন্ত্রণার মধ্যে ফারাক করতে পারি না। 

যে কারণে ভুল ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। সব মাথাব্যথা কিন্তু মাইগ্রেন নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, এই পার্থক্যটা বুঝতে পারাই হলো সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রথম ধাপ। এমনিই সেরে যাবে, ভেবে নিয়ে অবহেলা করলে বিপদের আশঙ্কা থাকে।

সাধারণ মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেন? 

১. ব্যথার তীব্রতা

সাধারণ মাথাব্যথা হতে পারে মৃদু থেকে মাঝারি। কপাল বা মাথার পিছনে ভারী হয়ে থাকার মতো অনুভূতিও হয়। কিন্তু মাইগ্রেন হলে মাথার যে কোনও একপাশে দপদপ করতে শুরু করে। তার পর ধীরে ধীরে ব্যথার তীব্রতা বাড়ে।

২. স্থায়িত্ব

মাইগ্রেন না হলে সাধারণত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। অন্যথায় একটানা কয়েক ঘণ্টা থেকে শুরু করে ব্যথা টানা ৩-৪ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

৩. অন্যান্য লক্ষণ

মাইগ্রেন হলে মাথাব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং আলো বা শব্দের প্রতি তীব্র সংবেদনশীলতা থাকে। সাধারণ মাথাব্যথায় এই ধরনের লক্ষণ খুব একটা দেখা যায় না।

৪. কারণ

সাধারণ মাথ্যব্যথা ধকল, ক্লান্তি, ডিহাইড্রেশন বা শরীরে জলের অভাব, চোখের উপর অত্যধিক চাপ কিংবা ভুল ভঙ্গিতে বসলেও হতে পারে। কিন্তু মাইগ্রেন স্নায়ুজনিত সমস্যা। হরমোনের তারতম্য, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, নির্দিষ্ট কিছু খাবার, তীব্র গন্ধ বা আবহাওয়ার পরিবর্তন এর মূল ট্রিগার পয়েন্টস।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন? 

মাথাব্যথা যদি আচমকা তীব্র রূপ নেয় বা ঘন ঘন হতে থাকে, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এর সঙ্গে যদি হঠাৎ দৃষ্টিশক্তির সমস্যা বা চোখে ঝাপসা দেখেন, শরীরের কোনও অংশে দুর্বলতা বা অবশ ভাব বোধ করেন সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। মাইগ্রেন হলে অনেকের কথা বলতে সমস্যা হয় কিংবা কথা জড়িয়ে যায়। এই সব লক্ষণ দেখলে অযথা সময় নষ্ট করা উচিত নয়।

লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর