ঢাকা, ১৪ জুলাই রোববার, ২০২৪ || ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
good-food
৩৪

অবরোধ তুলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ০১:৪৯ ৮ জুলাই ২০২৪  

কোটা বাতিলের দাবিতে সোমবারও কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষার্থীরা। নতুন কর্মসূচি ঘোষণার ৪ ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৭ জুলাই) রাত ৮টার দিকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণার পর অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার (৮ জুলাই) ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করবেন তারা। ওইদিন বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ব্লকেড শুরু হবে।

 

ঘোষিত নতুন কর্মসূচিতে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই জানিয়ে রাখছি, আগামীকাল আমাদের বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি চলবে। আমাদের আজকের ব্লকেড কর্মসূচি সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আজ আমরা শাহবাগ থেকে কারওয়ানবাজার পর্যন্ত চলে গিয়েছি। আগামীকাল আমরা ফার্মগেট ছাড়িয়ে যাবো।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন শহর থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়েছে । আগামী দিনে এটি আরো ছড়িয়ে পড়বে। আমরা সংবিধানে সব নাগরিকের সমান অধিকার আদায়ের লড়াই করছি। আমাদের আদালত দেখালে আমরা সংবিধান দেখাবো। আমাদের আদালতের জন্য অপেক্ষা করার কথা বলা হচ্ছে। আমরা ৫০ বছর অপেক্ষা করছি। আর কত? শিক্ষার্থীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। হয় কোটা দূর করতে হবে নয়তোবা পুরো বাংলাদেশ শতভাগ কোটার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আমরা কোটার প্রশাসনে যেতে চাই না।’

 

এর আগে ৪ দফা দাবিকে এক দফায় রূপান্তরের কথা জানান চলমান আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা এতদিন ৪ দফা দাবিতে আন্দোলন করেছি। সোমবার (৭ জুলাই) থেকে আমরা এক দফা দাবিতে আন্দোলন করবো। আমাদের দাবি হলো, সরকারি চাকরির সব গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা সংশোধন করতে হবে। আমি আবারো বলছি, শুধু প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে নয়, সব গ্রেডে কোটা সংস্কার করতে হবে।’

 

সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাইন্সল্যাব, বাংলামোটর, চাঁনখারপুল, নীলক্ষেতসহ বিভিন্ন স্থানের অবরোধ তুলে নিয়ে শাহবাগে জড়ো হয় অবরোধকারীরা। এসময় নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করেন আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা। এর আগে কোটাবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি শুরু হলে বিকেলে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে রাজধানীতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী।