ঢাকা, ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার, ২০২০ || ১২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭
good-food
১৬৪

আগামী মাসে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর কাজ শুরু হচ্ছে

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৮:৫৭ ১৯ অক্টোবর ২০২০  

যমুনা নদীর উপর দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু ডুয়েল গেজ (ডাবল লাইন) রেলসেতুর ভিত্তিপ্রস্তর আগামী মাসে স্থাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে সেটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন। ইতোমধ্যে সেতু নির্মাণে প্রয়াজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেতু নির্মাণ করবে জাপানি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।  নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা।

 

সূত্র জানায়, যমুনার উপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর কয়েকশ গজ উত্তরে রেলসেতুটি নির্মিত হবে। সংশোধিত প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু রেলসেতু প্রকল্প ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা করা হয়েছে।

 

ডুয়েলগেজ ডাবল-ট্র্যাকের এ সেতু হবে দেশের সবচেয়ে বড় রেলসেতু। এটি রাজধানীর সঙ্গে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করবে। এছাড়া ট্রেন শিডিউল বিপর্যয় কমাতেও এটি সহায়তা করবে। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৪৪টি ট্রেন চলাচল করে। সেতুটি নির্মাণ হলে বঙ্গবন্ধু সেতু রেল লাইন তুলে নেয়া হবে। নতুন সেতুতে ডাবল লাইনে ট্রেন চলাচল আরো সহজ হবে। 

 

রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, সেতুর কাজ শুরুর যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই নভেম্বর মাসে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হবে। 

 

তিনি বলেন, ওই দিন প্রধানমন্ত্রী নিজে যমুনা নদীর পাড়ে গিয়ে রেলসেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারেন অথবা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও হতে পারে। সব কাজ কমপ্লিট হয়ে গেছে। জাপানি দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ কাজ করবে।

 

রেলমন্ত্রী বলেন, সরকার ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের  ট্রেন পরিচালনার কথা ভাবছে চিলাহাটি হলদিবাড়ি ৭ কিলোমিটার রেললাইন সংযোগ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৭ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে এ রেল সংযোগ উদ্বোধন করবেন।  এটি চালু হলে আমরা ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি ট্রেন চালু করতে পারব। 

 

এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী কামরুল আহসান জানান, মূল সেতুটি দুটি প্যাকেজের আওতায় নির্মিত হবে। নির্মাণ ব্যয়ের সিংহভাগ (৭২%) ঋণ সহায়তা দেবে জাপান (জাইকা) । সেতুটির পূর্ব অংশ নির্মাণ করবে ওবায়শি কর্পোরেশন, টিওএ কর্পোরেশন ও জেএফই। এ অংশে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৮০১ কোটি টাকা। আইএইচআই ও এসএমসিসির যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হবে পশ্চিম অংশ। এ অংশের জন্য ব্যয় হবে ৬ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা।